ডেঙ্গু প্রতিরোধে নেমে পড়লেন সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার , ২ আগস্ট, ২০১৯ at ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ

মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব এবার ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়। এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী মারাও গেছেন। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। এমতাবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। এমন সিরিয়াস অবস্থায় ডেঙ্গু রোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে সমাজের প্রতিষ্ঠিত ও সচেতন মানুষদের।
যার যার অবস্থান থেকে রাখতে হবে ভূমিকা। এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। গতকাল বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হাজির হন সাকিব। সেখানে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজের প্রতিষ্ঠিত ও সচেতন মানুষদের প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
সাকিব বলেন, এবছরের মতো কোনোবারই ঢাকাসহ সারাদেশে ডেঙ্গু এতটা মহামারি আকার ধারণ করেনি। আর এবছর সিরিয়াসভাবেই শুরু হয়েছে এবং অন্যান্য জেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। যারা ঢাকায় থাকেন তারা বহন করে তাদের জেলাতেও নিয়ে যাচ্ছেন। সিরিয়াসনেসটা তাই সবার মধ্যে থাকা দরকার।
তাদের জানা দরকার, বোঝা দরকার যে জিনিসটা কতটা সিরিয়াস হতে পারে। হয়ত আমার পরিবার বা আমি আক্রান্ত না। কিন্তু যে বা যার পরিবার আক্রান্ত তার জন্য এটা অনেক বড় কষ্টের বিষয়। সাকিব নিজেও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই এবারের সমস্যা অনুধাবন করতে পারছেন তিনি। সাকিব বলেন আমার একবার ডেঙ্গু হয়েছে। তাই আমি জানি এটা কত কষ্টকর। দেশের অনেকে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে। অনেকে মারা যাচ্ছে। যারা সচেতন মানুষ, ডাক্তার থেকে শুরু করে বড় বড় পর্যায়ে আছেন তারাও মারা গিয়েছেন। আমাদের জন্য এটা ভয়ানক বিষয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতাকেই মূল হাতিয়ার মনে করেন সাকিব। তার মতে এতে প্রতিকার পাওয়াটা সহজ হবে। সাকিব বলেন, আমার মনে হয় আমার মত এরকম এসে যদি সচেতনতা তৈরি করতে পারে এই রোগ থেকে প্রতিকার পাওয়া সহজ হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা না জানি আমাদের কি করা উচিত। শুধু শুনলাম কিন্তু বুঝলাম না বা কাজটা করলাম না। সবার উচিত এই সম্পর্ক সচেতনতা বাড়ানো।
আমি যতদূর জানি বনানী বিদ্যানিকেতনে সাড়ে ৬ হাজার শিক্ষার্থী আছে। মানে ছাড়ে ৬ হাজার পরিবার। তারা যদি একটা পরিবারকেও বলে, ১৩ হাজার পরিবার জেনে যাচ্ছে। এটা যদি সামান্য পরিমাণেও কাজে আসে, আমি মনে করি যে আমার এই প্রচারণা সার্থক হবে। আর এটা যেহেতু বাচ্চাদের বেশি আক্রান্ত করে, ওরা যদি আমার একটা কথাও মনে রাখে আমার মনে হয় এটাই আমার সাফল্য।

x