টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে কারাগারে

চাঞ্চল্যকর আলো হত্যা মামলা

টেকনাফ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার , ১৭ এপ্রিল, ২০১৮ at ১২:১৯ অপরাহ্ণ
140

টেকনাফের চাঞ্চল্যকর আলী উল্লাহ (আলো) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলে দিদারুল আলম (দিদার মিয়া)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ) আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক তামান্না ফারাহ। আসামি দিদার মিয়া টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের ছেলে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর শিশু পুত্র বর্ডার গার্ড স্কুলের ছাত্র আলী উল্লাহ আলোকে () নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নিজ বাড়ির কাচারী ঘরে হত্যাকান্ড সংঘটিত করে মৃতদেহ ছাদের ওপর রেখে পালানোর সময় আটক হয় কাজের ছেলে সুমন। এ ঘটনায় পিতা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। (মামলা নং জিআর৩৭০/২০১১।) পুলিশ তদন্ত শেষে চার্জশিট প্রদান করে। কিন্তু বাদী এর বিরুদ্ধে নারাজি দরখাস্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে।

ওই মামলায় সিআইডির তদন্তে দিদারুল আলম দিদার প্রকাশ দিদার মিয়া ও মুহিবুল্লাহ নামে আরও দুই জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে দিদার টেকনাফের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের ছেলে। মুহিবুল্লাহ শাহপরীরদ্বীপের মাঝেরপাড়ার মাওলানা আবদুল জলিলের ছেলে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আমিন উদ্দিন বলেন, মুহিবুল্লাহ পলাতক থাকলেও দিদারুল আলম দিদার জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, আলোচিত এই মামলায় এখনও দুইজন আসামি সুমন ও নজরুল ইসলাম জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। এ মামলার বাকী আসামিরা হলোইয়াছিন প্রকাশ রায়হান, ইয়াকুব, মোহাম্মদ ইছহাক প্রকাশ কালু। মামলার বাদী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, উপজেলার চেয়ারম্যানের ছেলেসহ তারা আমার শিশু সন্তানকে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছিল।

x