জেনে নিন আপনার যত অধিকার : চেক ডিজঅনারের মামলা প্রসঙ্গে

জিয়া হাবীব আহসান

শনিবার , ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ at ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
43

নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর বিধান মতে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের সকলেরই কিছু ধারণা থাকা উচিত। কেননা এ আইনে মামলা দায়েরের পদ্ধতি একটু ভিন্ন প্রকিৃতির। দৈনন্দিন জীবনে চেকের ব্যবহার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এক্ষেত্রে প্রতারণার ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি চেকের মেয়াদ কতদিন, তা ডিজঅনার হওয়ার কতদিনের মধ্যে নোটিশ দিতে হয় কিংবা মামলা করতে হয় ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় অনেকেই প্রতারকের হাতে কষ্টার্জিত অর্থ হারিয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকছেন। আমাদের দেশে সর্বজনীন আইন শিক্ষা না থাকায় আইন অজ্ঞতা হেতু আমরা প্রতিনিয়ত ঠকছি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। অথচ আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইন আছে। তার সঠিক প্রয়োগের অভাবে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছেন। অনেকে লেনদেনের ক্ষেত্রে নগত টাকা দিয়ে চেক ফেরৎ নেন না। কিংবা চেক হারিয়ে গেলে/ নষ্ট হলে থানায় জিডি ব্যাংকে স্টপ পেমেন্ট ইত্যাদি করেন না কিংবা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেন না। এতে দেখা যায় টাকা আদায় করা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে চেকের মামলা হচেছ। আবার দেখা যায় চেক প্রদানকারী উল্টো টাকা ‘প্রাপকের’ বিরুদ্ধে চেক উদ্ধারের মামলা করছেন। অর্থাৎ আইন অজ্ঞতার/ অসচেতনার কারণে একদিকে অনেক নিরপরাধ ব্যক্তি দণ্ড ভোগ করেন, তেমনি আবার অনেকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন। সুতরাং এতদ সংক্রান্ত একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা জরুরি মনে করছি। চেক ২ প্রকার। যথা: ১) খোলা চেক, ২) দাগ কাটা চেক। খোলা চেক আবার দুই প্রকার, যেমন: ক) বাহক চেক, খ) আদেশ চেক। (ক) বাহক চেক : যে চেকের টাকা ব্যাংক সংশ্লিষ্ট চেকের বাহককে দিতে বাধ্য থাকে তাকে ‘বাহক চেক বলে। এতে কারও নাম থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে। পধংয, ংবষভ ইত্যাদি লেখাও থাকতে পারে। (খ) আদেশ চেক : এই চেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ থাকে অথবা বাহক কে থাকে না। এই চেকে প্রাপককে সনাক্ত করার প্রয়োজন আছে। এই জাতীয় চেক বিলির মাধ্যমে হস্তান্তর করা যেতে পারে। কে চেকের লেখক বা (উৎধবিৎ) : চেক যিনি সম্পাদন করেন বা প্রস্তুত করেন তাকে উৎধবিৎ, লেখক বা ‘প্রস্তুতকারক’বলা হয়। গ্রাহক বা (উৎধবিৎ) কে? যাকে চেক দ্বারা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হয় তাকে ‘গ্রাহক’ উৎধবিৎ বলা হয়। চেকের ধারক কে? ধারক কে চেকের দখলদার বাহক হিসেবে প্রাপক বা স্বত্ব গ্রহীতাকে বুঝায়। কিন্তু বেনামদারের মাধ্যমে ফল ভোগীকে বুঝাই না। (৮ ধারা, এন, আই, এ্যাক্ট) এন, আই, এ্যাক্টের ৯ বিধান মতে যথাকালে ধারক (ঐড়ষফবৎ রহ ফঁব পড়ঁৎংব) বলতে ঐ ব্যক্তিকে বুঝায় যিনি চেক বাহক প্রাপক বা স্বত্ব গ্রহীতাকে মেয়াদের কালে আদির্ষ্ট পরিশোধ্য। ঐ ব্যক্তির নিকট হতে প্রতি বিনিময়ে স্বত্বেও দখল গ্রহণ করেন যাতে ঐ ব্যক্তির বিজ্ঞপ্তি ছাড়া ত্রুটিহীন স্বত্ব রয়েছে। চেকের প্রাপক বুঝায়, যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চেকের অর্থ পেয়ে থাকেন তাকে ‘প্রাপক’ বলে। ব্যাংকে চেক জমা দেয়ার পর ‘ফান্ড ইন সাপিসিয়েন্ট’, ‘রেফার টু ড্রয়ার’, ‘নট এরেঞ্জড ফর’ ইত্যাদি মন্তব্যে চেক ডিজঅনার হওয়া বা নগদায়ন না হয়ে ফেরৎ আসা একটি অপরাধ’। তবে নিজের চেক নিজের একাউন্ট থেকে ডিজঅনার হওয়া ‘অপরাধ’ নয়। আমাদের দেশে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর বিধান অনুযায়ী চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীকে নোটিশ না দিয়ে চেকের মামলা হয় না। কিন্তু মধ্য প্রাচ্য সহ পৃথিবীর অনেক দেশে ডিজঅনারের সাথে সাথে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকেই পুলিশ স্টেশনে সংবাদ বা এ ব্যাপারে ইনফরমেশান দেয়া হয়। অথচ এদেশে পাওনাদারকে চেক দিয়ে তা নগদায়নের ব্যাপারে দেনাদারও প্রচন্ড গাফেলতি ও ইচ্ছাকৃত অবহেলা লক্ষ্য করা যায়। চেক ডিজঅনারের মামলাকে ‘কোয়াসী সিভিল’ বা ‘দেওয়ানী প্রকৃতির’ মামলাও বলা হয়ে থাকে। তিন বার চেক ডিজঅনার করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই : আমাদের দেশে চেক ডিজঅনারের মামলার পদ্ধতি সম্পর্কে বহু ভুল ধারণা রয়েছে। ফলে দেখা যায় পদ্ধতিগত কারণে অনেকের মামলার অধিকারই নষ্ট হয়ে যায়। চেকের মামলা করতে ৩ (তিন) বার চেক ডিজঅনার করাতে হয় মর্মে একটি ভুল ধারণা আমাদের দেশে সাধারণ্যে প্রচলিত রয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আইনে এ ধরনের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এই ব্যাপারে পদ্ধতিগত বিষয়ে নিম্নে আলোচনা করা গেল: কোন ব্যক্তি যদি তার কোন ঋণ বা দায় হতে অব্যাহতি পেতে তার ব্যাংক একাউন্ট হতে পাওনাদার ব্যক্তিকে কোন পরিমাণ টাকা প্রদানের জন্য চেক কাটেন বা ইস্যু করেন কিন্তু চেকটি নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করা হলে ব্যাংক কর্তৃক চেকটি ডিজঅনার হয়ে ফেরত আসে তাহলে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার বিধান অনুযায়ী দেনাদারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট জুড়িশিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। তবে চেক ডিজঅনারের মামলায় কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়: প্রথমতঃ চেকে প্রদত্ত তারিখ হতে এর মেয়াদ ৬ (ছয়) মাস। এ ছয় মাসের মধ্যে কমপক্ষে একবার কিংবা সংগত কারণে একাধিকবার উক্ত চেক নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করা যেতে পারে। অবশ্যই তিনবার ডিজঅনার করাতে হবে আইনে এমন কোন বাধ্য বাধ্যকতা নেই। দ্বিতীয়তঃ চেকটি সর্বশেষ ডিজঅনারের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারী ব্যক্তি, ফার্ম বা কোম্পানী চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ফেরৎ রশিদ সহ রেজিস্ট্রার্ড লিগ্যাল ডিমান্ড নোটিশ প্রদান করতে হবে। বিকল্পে নোটিশ সরাসরি রিসিভ বা যেকোন পত্রিকার মাধ্যমেও জারি করা হয়। ধারকের পক্ষে তার আইনজীবী কিংবা চেকটির ধারক (হোল্ডার) নিজেও উক্ত নোটিশ দিতে পারেন। তবে এখানে সতর্ক থাকতে হবে যেন নোটিশটির আইনগত ত্রুটি না তাকে। কেননা এটি পরবর্তীতে মামলা দায়েরের ভিত্তি হবে। তাই অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা পরামর্শ গ্রহণ করা উত্তম।তৃতীয়তঃ নোটিশে চেকের উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য চেক প্রদানকারী ব্যক্তি কিংবা ফার্মকে নোটিশ প্রাপ্তির দিন হতে টাকা আদায়ের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিতে হবে। দেনাদারের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ দিলে তা প্রাপক গ্রহণ না করলে ফেরত আসলে/ প্রত্যাখ্যান করলে তাতে মামলার কোন ক্ষতি হবে না। তবে আইনের বিধান হচ্ছে নোটিশে দিতেই হবে এবং নোটিশে প্রাপককে টাকা আদায়ের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিতে হবে। এর আগে মামলা করা যাবে না। কোম্পানির চেক হলে কোম্পানিসহ চেয়ারম্যান, এমডি, পরিচালকবৃন্দ ও শেয়ার হোল্ডারদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষরকারীসহ কোম্পানির সকলেই ১৩৮/১৪০ ধারায় আসামী হবেন। চতুর্থতঃ নোটিশটি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার তারিখ হতে ১ (এক) মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। ডাক বিভাগের অনিয়ম এবং অবহেলার কারণে এ/ডি ফেরৎ না আসলে বা প্রাপকের কোন জবাব পাওয়া না গেলে সেক্ষেত্রে নোটিশ প্রেরণের তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) দিন পর পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিন মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এ সকল বিষয়ে মামলার আর্জিতে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা দিতে হয়। নোটিশ পাওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারী চেকের টাকা পরিশোধ ব্যর্থ হলে মামলার কারণ বা ‘কজ অব এ্যাকশন’ শুরু হয়। সুচতুর প্রতিপক্ষ (দেনাদার) মামলার ‘কজ অব এ্যাকশন’ নষ্ট করতে কিংবা চেকের মেয়াদ পার করিয়ে দিতে বিভিন্ন অপকৌশল অবলম্বন করতে পারে। এ জন্য এ ব্যাপারে পাওনাদারকে সতর্ক থাকতে হয়। অবশ্য চেকের মেয়াদ চলে গেলেও দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৪২২ ইত্যাদি ধারায় প্রতারণার মামলা করা যায়। ৪০৬ ধারাটি জামিন অযোগ্য হয়। দন্ডবিধির উক্ত ধারা গুলো যে কোন প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তবে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারা শুধু মাত্র ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতারণার জন্য ব্যবহৃত হয়। চেক ডিজঅনারের মামলায় সঠিক সময়ে চেক ডিজঅনার না করা, সঠিক সময়ে নোটিশ প্রেরণ না করা ও সঠিক সময়ে আদালতে নালিশ দায়ের না করায় মামলাটি প্রাথমিকভাবে খারিজ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ বিজ্ঞ আদালত মামলাটি এ সকল কারণে আমলে গ্রহণ না করতে পারেন। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যক্টেও ১৩৮ ধারায় মামলায় উল্লেখিত মামলার সময় বা দায়েরর মেয়াদ কোন অবস্থাতেই কিংবা যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিয়ে হ্রাস বৃদ্ধি করা যায় না। নালিশের সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু : চেক ডিজঅনারের মামলা/ নালিশের দরখাস্তে বাদী বিবাদীর পরিচয়, চেক লেনদেনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা, ঘটনাস্থল, ঘটনার তারিখ, মামলার ধারা, চেকের তারিখ, একাউন্ট নং ব্যাংকের নাম, শাখা, চেকের নাম্বার, চেকের টাকার পরিমান ইত্যাদি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হয়। তাছাড়া চেক ডিজঅনার হলে ব্যাংকের স্লিপে not arranges for/refer to drawer/insufficient funds ইত্যাদি যে মন্তব্য উল্লেখ থাকে তা এবং চেক ডিজঅনারের তারিখ, নোটিশ প্রেরণের তারিখ, গ্রহণের কিংবা ফেরতের তারিখ ইত্যাদি উল্লেখ করতে হয়। নোটিশ প্রাপক নোটিশ পাওয়ার জবাবে তার প্রদত্ত স্বীকৃতি বা সর্বশেষ অস্বীকৃতি ইত্যাদিও আর্জিতে উল্লেখ করতে হবে। একটি গ্রহণযোগ্য ভালো আর্জি বাদীর (অভিযোগকারীর) মামলা প্রমাণে সমর্থ হয়। আর্জিতে লেনদেনের কারণ উল্লেখ না করলে দেনাদার চেকখানা মিসিং হয়েছে মর্মে মিথ্যা ডিপেন্স নিতে পারে। এজন্যে আর্জিতে স্বাক্ষীর নাম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দালিলিক প্রমাণ থাকলে তাও দায়ের করতে হয়। কোন আদালতে মামলা হবেঃ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ১৩৮/১৪০ ধারার চেক ডিজঅনারের শাস্তিযোগ্য অপরাধের মামলা দায়ের ও বিচার হয়। আদালতে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের হলে বিজ্ঞ আদালতে শুনানির পর তা শপথ পাঠে বাদীকে পরীক্ষা করে জবানবন্দি নিয়ে সরাসরি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। তিনি মামলা ভিত্তিহীন হলে প্রাথমিকভাবে খারিজ করতে পারেন। আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অভিযোগ ছাড়া উক্ত আইনের ১৩৮/১৪০ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আমলে নিবেন না। মেট্রোপলিটন অথবা জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ১৩৮/১৪০ ধারায় কোন অপরাধের বিচার করতে পারবেন না। কেননা মামলাটি সেশনকোর্টে বিচারযোগ্য। চেক ডিজঅনারের মামলার টাকা কে পাবেনঃ- সর্বশেষ সংশোধনী মতে ১৩৮/১৪০ ধারায় চেক ডিজঅনারের মামলায় অপরাধীর শাস্তি হলো এক বৎসর মেয়াদের যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ড অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিনগুণ পরিমাণ কিন্তু অর্থদণ্ড অথবা উভয় দন্ডে দণ্ড প্রদান। চেকে উল্লেখিত টাকার যতটুকু জরিমানা হিসেবে আদায় হবে তা চেকের বাহক বা ধারককে প্রদান করা হবে। কেননা এটা অন্যান্য ফৌজদারী মামলায় জরিমানার শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। ফৌজদারির কার্যবিধির ৩৮৬ ধারায় বিধান মতে আদালতে জেলা কালেক্টর বা ডিসি কে সরকারি পাওনার মতো উক্ত টাকা আসামী থেকে উদ্ধারের নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়াও চেকের ধারক তার অনাদায়ী অর্থ উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ সহ আদায়ের জন্য দেওয়ানী আদালতে মামলার অধিকার রাখে। তবে মনে রাখতে হবে দেওয়ানী আদালতে টাকা আদায় এর মামলা সর্বশেষ লেনদেনের ৩ (তিন) বছরের মধ্যে করতে হয়। কোন কোম্পানির চেক ডিজঅনার হলে অপরাধ সংগঠনের সময় উক্ত কোম্পানীর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও উক্ত অপরাধের শাস্তি ভোগ করবেন। তবে ঘটনা সম্পর্কে কোন জ্ঞানই ছিল না এরূপ কোন ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া যায় না।
লেখক : আইনজীবী, কলামিস্ট মানবাধিকার ও সুশাসন কর্মী।