জিএসপি প্লাস সুবিধা গ্রহণে বাংলাদেশকে এখন প্রস্তুতি নিতে হবে

চট্টগ্রাম চেম্বারে জার্মান রাষ্ট্রদূত

মঙ্গলবার , ১২ নভেম্বর, ২০১৯ at ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
10

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ গতকাল সোমবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, এস এম আবু তৈয়ব ও সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এবং জার্মানির অনারারী কনসাল মির্জা শাকির ইস্পাহানী উপস্থিত ছিলেন।
জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নত রাষ্ট্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। প্রায় ৮% এর উপরে অর্জিত জিডিপিকে দুই অংকে উন্নীত করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলেও জিএসপি প্লাস সুবিধা গ্রহণ করে বিনা শুল্কে পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে যদি বাংলাদেশ এক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান কমিশন প্রদত্ত শিশু শ্রম, সুশাসন ও শ্রম অধিকারসহ অন্যান্য শর্তাবলী পূরণ করতে পারে। আগামী ১২-১৮ মাসের মধ্যে এসব শর্ত পূরণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে এখনই কাজ শুরু করতে হবে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায় করতে শক্ত লবি নিয়োগ করার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ১০০ মিলিয়ন ইউরো সহযোগিতার প্রসংগ টেনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁদের সমর্থন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে জার্মানীসহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা প্রাপ্তিতে আট দেশের অন্যতম হিসেবে অন্তর্ভূক্তির অনুরোধ করে চেম্বার সভাপতি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। মতবিনিময় শেষে জার্মান রাষ্ট্রদূত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের এক্সিবিশন হল পরিদর্শন করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x