ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের ঈদ পুনর্মিলনী

শিশুকন্যা রাইফা হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

সোমবার , ৯ জুলাই, ২০১৮ at ১২:১৫ অপরাহ্ণ
75

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম বলেন, আমরা সব সময় দেখে আসছি যখনই ছাত্রসমাজের স্বার্থ বিরোধী কোন সিদ্ধান্ত তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে তখনই তারা জ্বলে উঠেছে এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। এর মূলে ছিল প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির বিশাল ভূমিকা। ছাত্রসমাজ হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে অগ্রগামী একটা অংশ। তাই তারা সব সময় ছাত্র অধিকার এবং জনস্বার্থ সম্পর্কে সবচেয়ে বেশী সচেতন। যা আমরা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখতে পারছি। তিনি আরো বলেন, ইতিহাস থেকেই আমরা দেখতে পাই ছাত্রসেনা শুধু ছাত্র অধিকার নয়, জনগণের অধিকার নিয়েও কথা বলে। প্রয়োজনে আন্দোলন সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছে। কেননা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা সংগঠনের সাখে জনগণের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে বহদ্দারহাটস্থ নাফিস ভিলা কার্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সংগঠনের সভাপতি ছাত্রনেতা শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নেজামী। তিনি বলেন, ছাত্রসেনার নেতাকর্মীদের তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে হবে এবং দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল কাদের রুবেল। সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ শাহজালাল, এইচ এম রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ এহসান, এইচ এম কুতুব উদ্দীন, মুহাম্মদ কাউসার খান, মুহাম্মদ ফোরকান রেযা, মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন কাদেরী, মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ বাবর আলী, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, এম এইচ আরমান, আবু সায়েম মুহাম্মদ কাইয়ুম, এস এম ওয়াহিদুল আলম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মুহাম্মদ সাব্বির হোসাইন, মুহাম্মদ ইমদাদুল হক ইমতিয়াজ, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ফরহাদ, এইচ এম নাঈম উদ্দীন প্রমূখ। সভাপতির বক্তব্যে মাছুমুর রশিদ কাদেরী বলেন, চট্টগ্রামে দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক রুবেল খাঁনের আড়াই বছরের শিশু কন্যা ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। এই ইস্যুতে ঘৃণ্য তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাইফার মৃত্যুর জন্য গোটা চিকিৎসক সমাজকে দায়ী করছি না। বরং প্রমাণিত দোষী চিকিৎসকদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ বিচার দাবী করছি। তিনি আরো বলেন, রাইফা হত্যা নিয়ে এক শ্রেণির চিকিৎসক যে রাজনীতি শুরু করেছেন তা দেখে জাতি ক্ষুব্ধ মর্মাহত।

x