চেনা জিন্নাহর অজানা কথা

মহুয়া ভট্টাচার্য

মঙ্গলবার , ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ at ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ
97

সকালর প্রাতঃরাশের টেবিলে দিনশা পেটিট তার মেয়েকে এই বিশেষ ব্যক্তির আগমন সংবাদটি জানালেও,রটি তেমন খেয়াল করেনি।সে তখন মনে মনে নিজেকে বরফে ঢাকা দার্জিলিংয়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের কাছে সঁপে দিয়ে পাখির মত ডানা মেলে উড়ছে। রটি কবিতা ভালোবাসে।ভালোবাসে মনের জমানো আবেগ চিঠিতে প্রকাশ করতে।এই কাজে রটির নজীর নেই! সমবয়সী বন্ধু বান্ধবরাও তার এই পারঙ্গমতার স্বাক্ষী। রূপে ও গুণে অতুলনীয়া রটি বা রতনবাঈ পেটিট।নিজেদের সমপ্রদায়েরর বহু সামাজিক ও ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে পিতা দিনশার সাথে রটির উজ্জ্বল উপস্থিতি সবার নজর কাড়ছে।
বহু পানিপ্রার্থীর ভীড় লেগেই থাকে তাকে ঘিরে।রটির কিন্তু এইসব পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত পাখির বুলি আওড়ানো, গায়েপরা পুরুষ দুচক্ষের বিষ!স্পষ্ট মুখের ওপর কতজনকে সেকথা বলাও হয়ে গেছে। মুখ পাংশু করে কত পুরুষ বিদায় নিয়েছে, আবার কতজন এই প্রত্যাখ্যানেই দ্বিগুণ উৎসাহে রটির মন মজাতে রীতিমত বালক সুলভ প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। এরা রটির যোগ্যতম হলেও মনের মানুষ নয়।সে দির্জিলিংয়ের বরফ ঢাকা সৌন্দযের্র আড়ালে সূর্যের আলোর মত দ্যুতি ছড়ানো এক প্রেমিককে কল্পনা করে।তলোয়ারের মত ধারালো হবে যার ব্যক্তিত্ব,সকালবেলার মিঠে আলোর মত নরোম প্রলেপ বুলাবে যার প্রেম!
রটি তাদের অবকাশ ভবনের অদূরে একটি ছোট ডিবির মত জায়গায় দাঁড়িয়ে অস্তগামী সূর্য আর পাহাড়ের মিতালী দেখছিলো। হঠাৎই একটি গুরুগম্ভীর গলার শব্দে তার ধ্যান ভাঙ্গলো।দেখলো অদূরে দাঁড়িয়ে এক পুরুষ। সংযত দেহ সৈষ্ঠব, মুখাবয়ব ও দেহভঙ্গিতে আভিজাত্যের পরিচয় স্পষ্ট। পড়নে মানানসই পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাক। তীক্ষ্ণ সর্বভেদী দৃষ্টি আর ব্যক্তিত্বপূর্ণ মুখে গোঁফটিই কেবল বড্ড বেমানান মনে হল রটির!ভদ্রলোক স্যার দিনশা পেটিটের বাংলোটি খুঁজছেন।
বিকেলে রটির সাথে আলাপ হল সেই আগন্তুকের।দিনশা নিজেই পরিচয় করিয়ে দিলেন।ভদ্রলোক রটিরই পিতার বন্ধু – মোহাম্মদ আলী জিন্নাহভাই। ভারতীয় কংগ্রেসের চূড়ার দিকের উদীয়মান রাজনীতিবিদ,দক্ষ আইনজীবি। দিনশার এই বন্ধুটি বিপত্মীক।প্রথম থেকে শেষ অব্দি জিন্নাহ ইংরেজিতেই কথোপকথন চালিয়ে গেলেন।বেশিরভাগ কথাই হল দিনশা আর জিন্নাহর মধ্যে- সমকালীন রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে।পরে ঠিক হল, আগামীকাল তারা তিনজনে দিনশার অবকাশ ভবনের অদূরের একটি পাহাড়ে যাবেন- প্রমোদভ্রমণে।

গোলাপি পোশাকে সোনালী সুতোর কাজের গাউন পড়েছে আজ রটি।মাথায় জড়ানো স্কার্ফের আড়ালে ঈষৎ বাদামী চুল সূর্যের আলোয় চকচক করছে।মাখনের মত পেলব মুখটিতে ঘন দুটি অক্ষি পল্লবে কৈশোরের কৈতুহল জড়ানো।তন্বী ষোড়শী রটি যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা কোন দেবী।অদূরেই দাঁড়িয়ে জিন্নাহ দেখছিলেন মেয়েটিকে। বন্ধু দিনশা পেটিটের সাথে তার বহুবার স্বাক্ষাৎ হলেও, পেটিটের এই কন্যাটির সাথে এই প্রথম তার আলাপ হল। জিন্নাহ রটির দিকে এগিয়ে গেলেন,তারা পরিচিত হলেন।প্রথমদিনের আলাপে রটির প্রতি আকর্ষণ তাদের স্বাক্ষাৎকারকে দীর্ঘায়িত করল পরবর্তী সপ্তাহখানেক।
পরবর্তী ঘটনা খুব খাপছাড়া। জাগতিক সম্পর্কের সকল সূত্রের সাথে বেমানান। লন্ডনের ” লিঙ্কনস ইন” বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওকালতি পাশ করা জাঁদরেল আইনজীবী, এবং কংগ্রেসের প্রথম সারির রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ- পার্সি ধনকুবের স্যার দিনশা পেটিটের কন্যার কাছে হয়ে গেলেন “জেয়”! তাঁরা আজকাল প্রায়ই একসাথে ঘুরে বেড়ান।ক্ষণিকের অদেখাতেও রটি জিন্নাহকে দীর্ঘ আবেগময় পত্র লেখেন।৪০ বছরের জিন্নাহ আর ১৬ বছরের রতনবাঈ পেটিট ওরফে রটি। জিন্নাহ মুসলমান আর রটি পার্সি সমপ্রদায়ের ধর্মানুসারী হলেও ধর্ম তাদের প্রেমের পক্ষে বাধা হয়ে উঠতে পারলোনা। তবে জিন্নাহর গোঁফ আজকাল একটি বড়সড় বাধা হয়ে উঠছে! তাই রটি প্রথমেই গোঁ ধরলেন গোঁফ কামানোর! আর জিন্নাহ মানে রটি যাকে সংক্ষেপে ” জেয়” বলে ডাকেন, তিনিও কথা দিলেন বিয়ের আগে তিনি গোঁফ কামিয়ে নেবেন।
অতি সন্তপর্ণে জিন্নাহ প্রথমে দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর বিয়ের বিষয়ে রটির পিতা দিনশার মতামত জানতে চান, দিনশার উদারচিন্তার পরিচয় পেয়ে অবশেষে জিন্নাহ তার এবং রটির বিয়ের বিষয়টি উপস্থাপন করলেন। কিন্তু ফল হল বিপরীত। দিনশা গেলেন মহাক্ষেপে। মুখে অসামপ্রদায়িকতার কথা বললেও কন্যার বিয়ের বিষয়ে এমন একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে সামাজিক প্রথারই জয় হল। দিনশা আদালত থেকে আদেশ বের করলেন- যতদ্দিন না রটি সাবালক হচ্ছে এবং যতদিন সে দিনশার ঘরে অবস্থান করছে ততদিন তার এবং জিন্নাহর যোগাযোগ আইন বিরুদ্ধ বলে বিবেচিত হবে।জিন্নাহ আর রটি থেমে গেলেন।অপেক্ষা করতে লাগলেন রটির ১৮ বছর বয়স হওয়া অব্দি।
ঠিক ১৮ বছর পূর্ণ হবার দিনই জামিয়া মসজিদের মাওলানা এম.এইচ.নাজাফির কাছে ইসলামধর্ম গ্রহণ করেন রতনবাঈ পেটিট।ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম হয় মরিয়ম। পরদিনই এক হাজার এক রূপির নিকানামায় সই করলেন ৪২ বছর বয়সী জিন্নাহ ও ১৮ বছর বয়সী রটি ওরফে মরিয়ম।
এতক্ষণ যার কথা বললাম,সেই ৪২ বছর বয়সী পুরুষটি হলেন উপমহাদেশের দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রণেতা,পাকিস্তানের রূপকার কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,আর মরিয়ম বা রতনবাঈ পেটিট হলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। বাঙালীদের কাছে জিন্নাহর পরিচয় কেবল দুটি লাইন – ” উর্দূই,কেবল উর্দূই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।”এর আগে বা পরের তেমন কোন কিছুই জানার অপেক্ষা রাখেনা।কারণ জিন্নাহর শুধুমাত্র এই ভাষনেই বাঙালি জাতির এক শোকাবহ অতীতের সৃষ্টি। ধর্ম বিভেদকারী, দাম্ভিক, ইতিহাসের খলনায়ক কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে বহু লেখা আমরা পাই।ইতিহাসে জিন্নাহ কেবল কট্টর মুসলমানপন্থী,ক্ষমতালোভী কুশীলব মাত্র। তবে চিরচেনা সেই খলনায়ক জিন্নাহকে নিয়ে ইতিহাসবিদদের বিচার বিশ্লেষণের আড়ালে যে জিন্নাহ চাপা পড়ে রইলেন চিরকাল – সেই জিন্নাহর সেঙপিয়ার মুখস্থ ছিলো।আপাদমস্তক ইউরোপীয় পোশাকে আবৃত, মাথায় ” কারাকুল টুপি” পড়া সেই জিন্নাহ বন্ধুদের বলতেন ” ওকালতি না পড়লে আমি থিয়েটারের নাট্যশিল্পী হতাম।”
ধর্মের ভিত্তিতে দেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা, কিংবা আপোষহীন ইসলাম সেবক ভাবমূর্তির জিন্নাহ কি সত্যিই স্যেকুলার না একজন ইসলামপন্থী এ নিয়ে ব্যবচ্ছেদ হয়েছে গত প্রায় অর্ধশত বছর।তবে জিন্নাহর ব্যক্তিগত জীবন ঘাটালে দেখা যায়,পাশ্চাত্য আধুনিক পোশাক পরিহিতা পরমা সুন্দরী স্ত্রী মরিয়ম জিন্নাহ কে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন বম্বের গভর্নরের নিমন্ত্রণে। গভর্নরের স্ত্রী মরিয়মের অনাবৃত পা ঢাকার পরামর্শ দিলে জিন্নাহ গভর্নরের বাসভবন ত্যাগ করেছিলেন সমুচিত জবাব দিয়ে।রতনবাঈ ওরফে রটি জিন্নাহর সাথে বিবাহের সম্পর্কে জড়ানোর আগেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।সেক্ষেত্রে জিন্নাহর সামনে দুটো পথ খোলা ছিলো, একটি নিজেকে অমুসলিম ঘোষণা করা,দ্বিতীয়টি তার হবু জীবনসঙ্গীনীকে মুসলমান ধর্মান্তরিত করা।জিন্নাহ যদিও দ্বিতীয় পথটিই অবলম্বন করেছিলেন, কিন্তু তাঁর কোন জীবনীকার একথা বর্ণনা করেননি যে,মরিয়মকে তিনি ইসলাম ধর্মাচরনে বাধ্য করেছিলেন।
দোষগুণে বর্নময় চরিত্রের জিন্নাহর ৪২ বছর বয়সে ২৫ বছরের ছোট বন্ধুপুত্রীর সাথে এই নিকাহ সমগ্র দেশে আলোড়ন ও চর্চার বিষয় হয়ে উঠলেও তাদের এই বিয়ে সুখকর হয়নি মোটেই। নিঃসন্দেহে রটির সৌন্দর্য, যৌবন, বুদ্ধিমত্তায় মোহিত হয়েছিলেন জিন্নাহ। যদিও প্রেম, ভালোবাসা, আত্মনিবেদনের কোন ঘাটতি ছিলোনা দুজনের মধ্যে। সদ্য আবিষ্কার হওয়া ঝর্না কলমের কালিতে রটি জিন্নাহকে প্রেমময় এক একটি চিঠি লিখতেন,যার ছত্রে ছত্রে ছন্দের ঢেউ তুলতো জিন্নাহর প্রতি তার গভীর ভালোবাসা আর প্রেম।তবে সেই তুলনায় জিন্নাহর চিঠি ছিলো শুষ্ক, ব্যক্তিগত আবেগ বর্জিত। এখানেই প্রথম দূরত্বের সূত্রপাত। মিশুকে রটি আর জিন্নাহ ছিলেন মূলত আত্মনিমগ্ন। জিন্নাহ তার ভেতরের আত্মদাম্ভিকতা আড়াল করতে পারতেন না।হয়তোবা তা তিনি চাইতেনও না। জিন্নাহর এই আত্মনিমগ্নতা ফুটফুটে, উচ্ছ্বল রটির পক্ষে মেনে নেওয়া কষ্টকর ছিলো বৈকি। কিন্তু জিন্নাহর চরিত্রের এই সকল দিকই রটির দৃষ্টি গোচর হয় বিয়ের পর। তবুও সুন্দরী পক্ষান্তরে বিদূষী এই নারী খুব কম বয়সেই জিন্নাহর পেশাগত ও রাজনৈতিক সাফল্যকে ধরে রাখার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।যা তার বয়সী কোন নারীর কাছে আশা করা বিস্ময়কর। ঠিক এই কারণেই রটি নিজের ধর্ম উৎসর্গ করেছিলেন। বিয়ের পর পরই রটি জিন্নাহকে রাজনৈতিক সঙ্গ দিতে শুরু করেন।বিভিন্ন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় রটি জিন্নাহর সঙ্গী হতেন।বয়সের পার্থক্য,স্বভাবের বৈপরীত্যের কারণে সম্পর্কের বুননে যে ধস নামা শুরু করেছিলো, রটি তার বাহ্যিক আচরণ দিয়ে তা খুব কৌশলে আড়াল করতেন।সকলের সামনে তারা দুজনেই বিবাহিত যুগলের আদর্শ রূপ উপস্থাপন করে যেতেন অক্লান্ত।
রটি ও জিন্নাহর সংসার আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যা শিশু। তবে জিন্নাহর রাজনৈতিক ও পেশাগত ব্যস্ততা আর স্ত্রীর সঙ্গে বয়সের ফারাকের কারণে জিন্নাহ আর রটির মধ্যে তৈরি করে দূরত্ব। এছাড়া অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস ও মুসলিমলীগের যৌথ সেশনে অনেকটা পরিকল্পিতভাবেই কোণঠাসা করা হয় জিন্নাহকে। ফলতঃ ভারতীয় রাজনীতিতে একা হয়ে পড়েন জিন্নাহ। তার এই রাজনৈতিক ধস প্রভাব ফেলে সংসার ও রটির সাথে তার সম্পর্কে। রটির মানসিক অবসাদ ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হয় দুরারোগ্য ব্যাধিতে। ২৯ বছর বয়সে মারা যান রটি। রটির কবরে মাটি দিতে গিয়ে প্রথম ও শেষবারের মত কেঁদেছিলেন জিন্নাহ। সেই প্রথম,সেই শেষ। তারপর এই উপমহাদেশ যে জিন্নাহকে জেনেছে – সেই জিন্নাহ ক্ষমতালোভী, সামপ্রদায়িক। দেশবিভাগে নিঃস্ব, রিক্ত হাজারো মানুষের দীর্ঘশ্বাস পড়েছে যার বুকে সেই জিন্নাহর জীবনও করুণভাবে শেষ হয়েছিল ফুসফুস রোগে আক্রান্ত হয়ে।
“গু ইৎড়ঃযবৎ ” বইতে ফাতেমা জিন্নাহর একটি করুণ বিবরণ মনকে বিষন্ন করে।রোগাক্রান্ত জিন্নাহকে এম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে পেট্রোল ফুরিয়ে যাওয়ায় অপেক্ষা করতে হয়েছিল অন্য আরেকটি এম্বুলেন্সের।ফাতিমার বর্ণনায়- ” চার- পাঁচ মাইল চলার পরেই হঠাৎ একটা ঝাঁকুনি দিয়ে এম্বুলেন্স থেমে যায়।সেদিন করাচীতে ছিলো প্রচন্ড গরম।জিন্নাহর শরীরের ওপরে কত যে মাছি ঘুরছিলো!”
জিন্নাহর সমালোচকেরা ইতিহাসে তার খলনায়কের তকমা এঁটেছেন পাথর খোদাই করে।অথচ জিন্নাহর সর্বসময়ের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন একজন হিন্দু। দেশ বিভাগের উত্তাল সময়ে জিন্নাহ একবার লাপাত্তা! তিনি তখন তার এক প্রাণপ্রিয় হিন্দু বন্ধুপুত্রের মামলা লড়ছেন আদালতে। যে জিন্নাহকে নিয়ে হিন্দুদের কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি আর ইসলামপন্থীদের গলাগলি, সেই জিন্নাহই একবার অকপট স্বীকার করেছিলেন – তিনি নামাজ পড়তে জানেন না।কি হবে আর জিন্নাহকে দুধস্নান করিয়ে পুতঃ পবিত্র চরিত্র বানানোর চেষ্টা করে! তবে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে উল্ল্যেখিত বঙ্গবন্ধুর জবানবন্দির খানিকটা উদ্ধৃতি দিয়ে জিন্নাহর পাপের ভার কিছুটা ইতিহাসকেও দিয়ে যাই!বঙ্গবন্ধু লিখেছেন – ” বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে জিন্নাহর সঠিক ধারণা ছিলো না।মুসলিমলীগের পাতি নেতারা তাঁকে বাংলায় উর্দূর জনপ্রিয়তা নিয়ে ভুল ধারণা দিয়েছিলেন।”

x