চার ব্যবসায়ীর জামিন নামঞ্জুর

মানি লন্ডারিং মামলা

আজাদী প্রতিবেদন

বুধবার , ২২ জানুয়ারি, ২০২০ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

চার কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৭ টাকা ৪৪ পয়সা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় টঙ্গীর চার গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- মহিউদ্দিন আহমেদ, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও ওয়াহিদ আহমেদ।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিদেশ থেকে পণ্য আমদানীর নামে অর্থ পাচার মামলায় চার ব্যবসায়ী উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। এই জামিন শেষে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আবার জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ বিষয়ে সিএমপির সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, আদালতের আদেশের পর তাদেরকে কারাাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত: ঢাকাস্থ টঙ্গীর টিএএম ইন্ডাস্ট্রিজের উল্লেখিত চার মালিক দুই চালানে ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ ১৫০ টন স্প্যান পলিস্টার ইয়ার্ন আমদানির কথা বলে ১৪টি আমদানি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৪৯৮ মে. টন স্প্যান পলিস্টার সুইং শ্রেড আমদানি করেন। এর মাধ্যমে উল্লেখিত অংকের টাকা শুল্ক ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয় মামলার এজাহারে। এ ঘটনায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহবুব এ খোদা বাদী হয়ে চার আসামির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দায়ের করেন। নগরীর বন্দর থানায় মামলাটি দায়ের হয়। আসামি মহিউদ্দিন ঢাকার মোহাম্মদপুরের নোবডি হাউজিং এর ২/৩ নম্বর হাউজের সি-১ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা, খোরশেদ আলম ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১ নম্বর রোডের হাউজ নম্বর ৯/এ হাউজের বাসিন্দা, আসাদুজ্জামান ঢাকার মোহাম্মদপুরের নোবডি হাউজিংয়ের ২/৩ নম্বর হাউজের সি-৬ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ও ওয়াহিদ আহম্মদ ঢাকার মোহাম্মদপুরের নোবডি হাউজিংয়ের ২/৩ নম্বর হাউজের সি-৩ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা। আসামিরা আমদানী-রপ্তানি ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, টঙ্গীর চার গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর তারা হাইকোর্ট থেকে জামিনে যান। হাইকোর্টের আদেশেই গতকাল মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর কারাগারে যান তারা।