‘চকরিয়াকে বন্যামুক্ত করতে দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে’

চকরিয়া প্রতিনিধি

বুধবার , ১৭ জুলাই, ২০১৯ at ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
57

চকরিয়াকে পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডব থেকে রক্ষা করার জন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার পড়বে তার সবকিছুই করা হবে। এ জন্য দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্প গ্রহণ করার ক্ষেত্রে যদি কোন প্রভাবশালী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তা কোন কাজে আসবে না। গত এক যুগ ধরে চকরিয়ায় প্রতিবছর চলে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে শত কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতির ধারাবাহিকতা আর হতে দেওয়া হবে না।
গত সোমবার চকরিয়ায় বন্যাকবলিত বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়নে মোহনায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই আশ্বাস দেন কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল আফসার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাজান আলী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য জাফর আলম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টু ও জেসমিন হক জেসি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত, সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ ও জাহেদ সরওয়ার সোহেল। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল আফসার বলেন, চকরিয়ায় কেন বন্যা হয় তা স্বচক্ষে দেখে পরবর্তী করণীয় কী হতে তার বিস্তারিত জানার জন্যই আমি সরজেমিন এখানে এসেছি। আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, যেসব প্রবহমান খালে বাঁধ দিয়ে মৎস্যচাষ করা হচ্ছে তা অবশ্যই অপসারণ করা হবে। যখনই খোলা থাকার কথা তখনই খোলা থাকবে উপকূলের স্লুইচ গেটগুলো। এতে যদি কোন প্রভাবশালী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাহলে কোন কাজ হবে না।
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, আমরা চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষ সরকারিভাবে কোন ত্রাণ চাই না। তবে ত্রাণ হিসেবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া চাল ও গমের বিপরীতে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-ঘাট নির্মাণসহ বসবাস উপযোগী করার ওপর জোর দিতে হবে। এজন্য চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষ একমত। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আপনাদের এনিয়ে কোন টেনশন করতে হবে না। আমিই সবকিছুর দায়ভার নেব এবং প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে আমিই মুভ করবো। এরপরও আমি চাই আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ নিরাপদে থাকুক।

x