ক্লাব বা সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের সেবা

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অভ ল’তে নতুন দু’টি ক্লাবের যাত্রা

সোমবার , ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ at ৬:২৭ অপরাহ্ণ
93

ক’দিন ধরেই আলোচনা ক্যাম্পাসে। নতুন দু’টি ক্লাবের উদ্বোধন হচ্ছে। সামনে হাজারও অনুষ্ঠান। কতো কী! তাই এই নিয়ে ঘুম নেই শিক্ষার্থীদের। একদিকে উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আনন্দ। সবই যেন মিলেমিশে একাকার। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) স্কুল অভ ল’তে শুরু হলো নতুন দু’টি ক্লাবের।
এ উপলক্ষে আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নগরীর জামাল খানের সিআইইউ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জমজমাট এ আয়োজন।
যাত্রা শুরু করা নতুন ক্লাব দু’টি হলো: সিআইইউ ল অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি ও সিআইইউ ল ডিবেট ক্লাব। ক্লাব দু’টির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘ক্লাব বা সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের সেবা। এ ধরনের ক্যাম্পাসভিত্তিক সংগঠনগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে কীভাবে আগামী দিনে জনকল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেবে সেই অভিজ্ঞতা বা ধারণা অর্জন করে সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।’
উপাচার্য সিআইইউ’র স্কুল অভ ল’তে ‘লিগ্যাল এইড ক্লাব’ গঠনের মাধ্যমে ইতিবাচক গুণাবলী তৈরি করতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে স্কুল অভ ল’র উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘যুক্তিনির্ভর সমাজ মানেই তারুণ্যের জয়-জয়কার। সেখানে দায়িত্বশীলতা বাড়ে। বাড়ে সুস্থ নেতৃত্ব দেয়ার মানসিকতা।’
শুরু হওয়া ক্লাব দু’টি সমাজ বদলে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও স্কুল অভ ল’র সহকারী ডিন মোহাম্মদ আখতারুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘সিআইইউ’র ল অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি ও ডিবেট ক্লাব দু’টি মৌলিক মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবসময় এগিয়ে থাকবে এমনটা চাওয়া।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুল অভ ল’র সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন, প্রভাষক মো. আদনান কবির, মো. জুবায়ের কাসেম খান, মো. হাসনাত কবির ফাহিম প্রমুখ।
পরে নতুন ঘোষিত ক্লাব দু’টির দায়িত্বপ্রাপ্তদের ও মুট কোড প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের হাতে ফুল ও ক্রেস্ট তুলে দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। দু’পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের শেষে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
কৃতী শিক্ষার্থী ইরফানুল ইসলাম ও তাফরিহা সুলতানার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা হলভর্তি দর্শকদের নজর কাড়ে।

x