কর্ণফুলী পেপার মিল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর

পরিদর্শনে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক

কাপ্তাই প্রতিনিধি

শনিবার , ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ
37

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল পরিদর্শন করেছেন। তিনি কেপিএমের প্রতিটি বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং বাঁশ ও কাঠ থেকে কাগজ তৈরির প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।
এসময় জেলা প্রশাসকের সাথে ছিলেন কেপিএমের মহাব্যবস্থাপক (উৎপাদন) গোলাম সরওয়ার ও মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) একরাম উল্লাহ খন্দকার। কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রাফ আহমেদ রাসেলও জেলা প্রশাসকের সাথে কেপিএম কারখানা পরিদর্শন করেন।সূত্র জানায়, প্রায় ৭০ বছরের পুরাতন কারখানা কেপিএম-এ বর্তমানে নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রায় প্রতিটি ভবন এবং কলকব্জাগুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে কমে গেছে। দীর্ঘদিন থেকে কেপিএম লোকসান দিয়ে আসছিল। কেপিএমে দক্ষ লোকবলও অনেক কমে গেছে। এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও কেপিএম এখনো কাগজ উৎপাদন দিয়ে আসছে জেনে জেলা প্রশাসক সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় তিনি বলেন, ছোট বেলায় আমরা পাঠ্য বইয়ে পড়েছি কর্ণফুলী কাগজ কলের কথা। তিনি বলেন, কেপিএম আমাদের জাতীয় সম্পদ। কেপিএমকে ঘিরে পাহাড়ে হাজার হাজার পরিবারের অবস্থান রয়েছে। এই কারখানাকে যে কোন উপায়ে রক্ষা করতে হবে। বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কেপিএম-র লোকসান কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে কেপিএমের লোকসান বহুলাংশে কমেছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় কেপিএম মহাব্যবস্থাপক (উৎপাদন) গোলাম সরওয়ার এবং মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) একরাম উল্লাহ খন্দকার জেলা প্রশাসককে বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও কেপিএম কাগজ উৎপাদন করে আসছে। কেপিএমের উৎপাদিত কাগজেই প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই তুলে দিতে পারছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সরকারি বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে এখনো কেপিএমের কাগজ ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বলেন, কেপিএমকে রক্ষা করতে সরকার বদ্ধপরিকর। জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনিও কেপিএমের যেকোনো ইতিবাচক বিষয়ে ভূমিকা রাখবেন বলে জানান। তিনি বলেন, কেপিএম-র কারণে সমগ্র রাঙামাটি জেলা সমৃদ্ধ হয়েছে। এ কারখানা এবং কারখানা সংশ্লিষ্ট সম্পদ রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।