কচ্ছপিয়ায় ভাগের টাকা নিয়ে দুই বন রক্ষকের মারামারি

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার , ৩০ জুলাই, ২০১৯ at ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
791

রামুর কচ্ছপিয়া বনবিট এলাকার পাহাড়ি টিলায় বহুতল পাকা ভবন নির্মাণে নেয়া ঘুষের টাকার বিষয়ে দুইদল বন রক্ষকের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ২ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গত রোববার গভীর রাতে চোরাই কাঠ আটক করতে জড়ো হয় বন বিভাগের কর্মীরা। সাথে ছিল হেডম্যান মনজুর আলম ও ভিলেজার বদিয়্যাও। অভিযানের এক পর্যায়ে বনবিভাগের একখন্ড জমিতে পাকা ভবন নির্মাণকাজ থেকে নেওয়া টাকার বিষয়ে কচ্ছপিয়া বনবিটের বনপ্রহরী নূর মোহাম্মদ, হেডম্যান মনজুর আলম এবং ভিলেজার (বন জায়গীরদার) বদিয়্যার সাথে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে মনজুর আলম ভিলেজার বদিয়্যাকে নিয়ে বার বার কটূক্তি করলে তার ছেলে আবু তাহের জোর প্রতিবাদ জানায়। এতে মনজুর ক্ষিপ্ত হয়ে তার হাতে থাকা টর্চলাইট দিয়ে আবু তাহেরের মাথায় আঘাত করে। এতে রক্তাক্ত হয়ে জখম হয় আবু তাহের। পরে ভিলেজার বদিয়্যার পরিবার মনজুর আলমের উপর হামলা করে। ঘটনার পরপর দুই বন রক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে একজন রামু হাসপাতালে আর অপরজনকে নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ বিষয়ে ভিলেজার বদিয়্যা জানান, মনজুর আলম বন বিভাগের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। ঘটনার দিন বদু পাড়ায় বন বিভাগের একখন্ড জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে গেলে বন বিভাগ এতে বাধা দেয়। সুযোগ পেয়ে মনজুর আলম অনেক টাকা খতিয়ে নেয় ঘর নির্মাণকারী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম থেকে। এ নিয়ে তার সাথে তর্কাতর্কি হলে মনজুর আলম রেগে যায়। অপরদিকে মনজুর আলম জানান, বদিয়্যা একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। সে বনবিট কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ম্যানেজ করে চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ করে আসছিল। কচ্ছপিয়া বনবিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত।

x