এলসি ৬৬ হাজার টনের, এসেছে ৬ হাজার

পেঁয়াজ আমদানি

শুক্রবার , ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ at ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ
227

সঙ্কট কাটাতে ৬৬ হাজার ১৬২ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (এলসি) খোলা হলেও গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এসেছে ৬ হাজার টনের মতো। ৫৫ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেওয়া শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের কোনো পেঁয়াজ এখনও বন্দরে এসে পৌঁছেনি। চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মিশর থেকে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৩০৬ টন পেঁয়াজ এসেছে। পাশাপাশি চীন থেকে ৮৭৬ টন, মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ২২৮ টন, তুরস্ক থেকে ৮৬ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১১২ টন এবং পাকিস্তান থেকে ১৩৯ টন পেঁয়াজ বন্দরে এসেছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এই ৫ হাজার ৯৪৭ টন পেঁয়াজ এসেছে। সেপ্টম্বরের শেষ দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর আমদানি করতে নতুন দেশ খুঁজতে শুরু করে বাংলাদেশ। এসব দেশ থেকে আমদানি চললেও পেঁয়াজের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। সেপ্টেম্বরে যে পেঁয়াজের দর কেজিতে ছিল ৩০-৪০ টাকা, তা এখন ২০০ টাকায় উঠেছে।
উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪১টি আমদানি অনুমতিপত্রের বিপরীতে মিসর, চীন, পাকিস্তান, তুরস্ক ও উজবেকিস্তান থেকে ৬৬ হাজার ১৬২ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। এর মধ্যে মিসর থেকে ৫৮ হাজার ৩০৪ টন, চীন থেকে চার হাজার ৬৩৮ টন, পাকিস্তান থেকে দুই হাজার ২০০ টন, তুরস্ক থেকে ৮২০ টন এবং উজবেকিস্তান থেকে ২০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল। খবর বিডিনিউজের।
শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের ১১টি আমদানি অনুমতিপত্রের বিপরীতে মিসর থেকে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নেওয়া হয়। গত ৫ নভেম্বর মিশরে অবস্থানরত এস আলম গ্রুপের বাণিজ্যিক বিভাগের প্রধান ব্যবস্থাপক আখতার হাসান বলেছিলেন, দ্রুততম সময়ে পেঁয়াজ আনতে আমরা মিসরে এসেছি। মধ্য নভেম্বরের মধ্যে প্রথম চালান দেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি। উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বলেন, এস আলম গ্রুপের আমদানি করা কোনো পেঁয়াজ এখনও এসে পৌঁছেনি। এ বিষয়ে গতকাল চেষ্টা করেও এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তা আখতারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

x