আস্থা ফিরিয়ে দিন

বৃহস্পতিবার , ১৬ জানুয়ারি, ২০২০ at ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ

ভোটাধিকার প্রদানের মাধ্যমে শাসক নির্বাচন করা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মূল সৌন্দর্য। তার আগে ছিল স্বৈরাচারী শাসকদের এক রকম জোর জবরদস্তি, নিপীড়ন গণহত্যার মতন ন্যক্কারজনক বিষয়। বর্তমানে বাংলাদেশে গণতন্ত্র একটি শুকনো কাঠের উপর ভেসে আছে। যা সত্যিকারার্থে গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। বোয়ালখালি-চান্দগাঁও উপ নির্বাচনটি হলো মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে এতে ভোটার উপস্থিত ২২ শতাংশের কিছু বেশি। তার আগে উপজেলা নির্বাচনগুলো আমরা লক্ষ্য করে দেখি ভোটার অংশগ্রহণ খুবই কম। কারণ জনগণের অনাস্থা। জনগণের ভেতরে একটি ধারাণা বাসা। বধেছে যে তাদের ভোটে আসলে কিছু যায় আসে না। এটি তাদের ভোট বিমুখ করে তুলছে। এর ক্ষতি এখন বুঝা না গেলেও তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। প্রতিটি দেশে যেমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার দরকার তেমন শক্তিশালি একটি গণতান্ত্রিক বিরোধী দল দরকার। অন্যথায় শাসক দল লাগামহীন হয়ে যাচ্ছে খুশি করে। আমাদের দেশে বর্তমানে যা হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে এক সময় একটা দল ঠিকই হারিয়ে যাবে। হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু তাদের নিজেদেরই ক্ষতি নয়। জনগণেরও ক্ষতি। যতই লোকজন জন প্রতিনিধিদের গাল মন্দ করুক তবুও তাদের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা কম বেশি সব লোক জানে। বাংলাদেশের মতন এত রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি বিশ্বে বিরল। সে দেশে ভোটের এ অবস্থা হবার দায় কার! নির্বাচন কমিশনের বহু অসাধারণ দুর্নীতির কথা চাউর থাকলেও তাদের কাছে অনুরোধ ভোটকে একটি হাস্যকর ব্যবস্থা না করে। হয় ভোট নেওয়া বন্ধ করুন। নয় সুষ্ঠু আদর্শিক নির্বাচন কার্যকর করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। এতে দেশের মঙ্গল হবে।
সিরাজুল মুস্তফা
চট্টগ্রাম

x