‘আলোকে-ভরা উদার ত্রিভুবন’ আমাদের শিশুদের জন্য মুজিববর্ষের চাওয়া

ফেরদৌস আরা আলীম

শনিবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ at ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ
21

বিংশ শতাব্দীর শেষ মুহূর্তের শেষ ঘণ্টাটি কত জোরে বেজেছিল, আমরা যারা অর্ধেক বা তারও বেশি জীবন ওই শতাব্দীর আলোছায়া মেখে বড় হয়েছি। নতুন শতাব্দীর সূচনা তাদের চোখে কোন বিস্ময়ের সূর্যোদয় ঘটিয়েছিল বিশ বছর অতিক্রান্ত হবার পরে বেশ বুঝতে পারছি হিসেবটা অত সহজ নয়। চোখের উপর দ্রুত, অতি দ্রুত বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমার বয়সী যারা নিজেদের বদলে নিতে পেরেছেন তাঁরাও আমাদের অনেকের চোখে বিস্ময়ই বটে। এটা কিন্তু মানতে হবে বিশ শতকের শেষ সিকি শতাব্দী জুড়ে নারী নানাভাবে পাদপ্রদীপের আলোয় এসে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বিশের শেষ পাঁচ বছরে সাড়া জাগানো বেইজিং সম্মেলনের পরে আমরা অনেক আশা নিয়ে একুশ শতকের দিকে তাকিয়েছিলাম। এ মুহূর্তে আশা-নিরাশার দোলায় আমরা ঘড়ির দোলকের মতো দুলছি। নারীর উন্নতি, অগ্রগমনের সঙ্গে সঙ্গে তার অপ্রাপ্তি ও হতাশা-বঞ্চনার চিত্রও বড় কম নয়। আমরা এও জানি এবং মানি যন্ত্রণা যত তার প্রশমনের স্বস্তিও তত। একটা বড় সত্য হচ্ছে এই যে নারী ও শিশু নির্যাতন আজকের নয়, সভ্যতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তার বাড়-বাড়ন্তও কম নয়। তবে এই বিশ বছরে যা কিছু জানা হলো তাতে একটা কথা খুব পরিস্কার যে নির্যাতন, বিশেষ করে শিশু ও নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন আজকের নয় তবেরআজ বরং ঘুরে দাঁড়াবার, প্রতিবাদী হবার সাহস অর্জন করেছি আমরা এবং সেই পথে আশাবাদী হবার ভরসা পাই।
শিশু নির্যাতনের কথাই ধরা যাক।
টেক্সাসের রোমান ক্যাথলিক নেতৃস্থানীয়রা মিলে প্রায় সত্তর বছরের অভিযোগ আমলে নিয়ে হিসেব করে দেখেছেন প্রায় তিনশত পাদ্রী কয়েক দশক ধরে সহস্রাধিক শিশুকে নির্যাতন করেছেন। টেক্সাসের পনের জন বিশপ সমন্বিত বেঞ্চ এ তালিকাটি তৈরি করেছেন। তাঁরা অভিযুক্তদের নাম প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ১৯৪০ সালে দায়িত্বরত পাদ্রীর নামও এসেছে তালিকায়। ইনি বা এঁরা বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই ক্ষমা চাইবেন যেমন চেয়েছেন ‘হ্যাশ ট্যাগ মি-টু’তে নাম আসা অশীতিপর বিখ্যাতজনদের কেউ কেউ। (প্রসঙ্গত বলি, হ্যাশট্যাগ নিয়ে আজ আমরা কথা বলব না। ‘মি টু’ ঝড়ের কথাও না। ‘মি টু’ বা ‘টাইমস্‌ আপ’ গত তিন বছরে বিশ্বজুড়ে কোন ঝড় বইয়ে দিয়েছে সেটা আমাদের কারও অজানা নয়)।
১৯৪১ সাল থেকে কিশোরীদের উপর যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন মেক্সিকো রোমান ক্যাথলিক চার্চের অতি রক্ষণশীল তেত্রিশ জন যাজক। লেজিওনারিস অব ক্রাইস্ট চার্চের প্রতিষ্ঠাতা মার্সিয়াল ম্যাকিয়েল স্বয়ং প্রায় ষাট জন শিশুকে নির্যাতন করেছে। ২০১৯ এ চার্চের পারিচালক ও তদন্তের সঙ্গে যুক্ত এদুয়ার্দো রোবল্‌স্‌ ১৯৪১ থেকে ২০১৯ এর ষোলো ডিসেম্বর পর্যন্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে নির্যাতিত শিশুদের এগার থেকে ষোলো বছর বয়সের কথা জানিয়েছেন। যখন কোনো উপাসনা গৃহে ধর্মের নামে জীবন উৎসর্গীকৃত সম্প্রদায়ের হাতে শিশুর নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখন হাটে-মাঠে, বাটে-ঘাটে অরক্ষিত শিশুটি কার কাছে নিরাপদ? নারীদের কথা বলি।
কায়রোর জনাকীর্ণ রাস্তায় বা শপিং মলে নারীর উপর নানা ধরনের যৌন হয়রানিমূলক ঘটনা যখন সাধারণ ঘটনা, তখন একদিন রুখে দাঁড়ান ২৭ বছরের তরুণী ফিল্ম মেকার নোহা রুশদী সালেহ। জনাকীর্ণ রাস্তায় তাঁর শরীরে উপর্যুপুরি হাত চালানো এক লম্পটের প্রতি তাঁর বিরক্তি রাস্তার মানুষের বিরক্তির কারণ হতে দেখে তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন। নিজেই শার্টের কলার চেপে তাকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে নিয়ে গেলেন থানায়। তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আটশত পঁয়ষট্টি ডলার জরিমানা হলো নির্যাতনকারীর। এ বিচারকে স্বাগত জানালেন মিসরের নারী অধিকারকর্মীরা। ২০০৮ এর এ ঘটনাটির পর পরবর্তী দশ-বারো বছরে বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার নানা কেন্দ্র থেকে নারী নির্যাতনের নানা খবর এসেছে এবং একই সঙ্গে আমরা প্রতিবাদের ছবি ও বিচারের রায়ও ঘোষিত হতে দেখেছি। ধর্ষকের প্রতি সহানুভূতিশীল বিচারকের অপসারণ কার্যকর হতেও দেখেছি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাঁতারু ব্রক টার্নার ও তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল এক তরুণী। ২০১৬’র মার্চে আদালত ওই সাঁতারুকে দোষী সাব্যস্ত করে কিন্তু চৌদ্দ বছরের জায়গায় মাত্র ছ’মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। তিন মাসের মাথায় দোষী ছাড়া পেলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে দেশজুড়ে। অতঃপর সামাজিক নেতারা একজোট হন এবং ধর্ষকের প্রতি সহানুভূতির দায়ে বিচারক অ্যারন পারস্কি পদচ্যুত হন। (২০১৮ র মে মাসে চার নারী নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক স্লাইডারম্যান পদত্যাগ করেছেন। কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেছেন, গুরুতর এসব অভিযোগ তাঁর পেশাগত দায়িত্বপালনে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।)
২০১৬ র জুলাই মাসে স্পেনের পাম্পলোনার সান কেরমিনে ষাঁড় দৌড়ের বার্ষিক উৎসবে ১৮ বছরের এক তরুণী নির্যাতনের শিকার হয়। পাঁচ মাস অতি গোপনে বিচার চলে। কিন্তু মাত্র পাঁচ মাস কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ হাজার ইউরোর ক্ষতিপূরণ আদৌ কোনো বিচার নয় এ দাবিতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ‘সুয়েন্তালো’ (এটা বলুন) নামে হ্যাশট্যাগে অনেকেই তখন মুখ খুলতে শুরু করেন, নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে থাকেন। দেখা গেল ত্রিশ হাজারের বেশি মানুষ তিনদিন ধরে ষাঁড়-দৌড় প্রতিযোগিতা অঞ্চলের সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। তাঁদের প্রতিবাদ ছিল নারীবিরোধী আইনি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। স্থানীয় রেডিও স্টেশনে এক নারী ঘোষণা দেন বিচার ব্যবস্থা এখনও পুরুষতান্ত্রিক। এ ব্যবস্থা নারীকে দোষী করে এবং আমরা অরক্ষিত। স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ টুইটারে অভয় যোগায়, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। ২০১৮ সালে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে আফগান নারীদের উপর যৌন নির্যাতনের ভয়াবহতার কথা বলা হয়। মন্ত্রী সরাসরি অনৈতিক প্রস্তাব দিচ্ছেন অধীনস্থ কর্মকর্তা নারীকে। তাঁর আপত্তি অগ্রাহ্য করে তাঁকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে নিয়ে গেলেন অফিস সংলগ্ন গোপন কক্ষে। শেষ ধাক্কাটির সজোর প্রয়োগের পর কর্মকর্তা বেরিয়ে এলেন কিন্তু কোথাও কোনো অভিযোগ না করে চাকরিটিই ছেড়ে দিলেন তিনি। কারণ বিচার জানাবার জায়গা কোথায়? বিচার করবেই বা কে? বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এমন অনেক নারী জানিয়েছেন সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অথবা রাজনীতিবিদরা অনেকে সরাসরি যৌন নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত। অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ থেকে ধর্ষণ ও হুমকি-ধমকির মধ্য দিয়ে যেতে হয় নারীদের। থানায় অভিযোগ? নির্যাতন সেখানেও অপেক্ষিত নেই তারও নিশ্চয়তা নেই। প্রশাসন জুড়ে হয়রানির সংস্কৃতির রাজত্ব। ২০১৯ এর মে মাসে খোদ আফগান প্রেসিডেন্ট এক সাক্ষাৎকারে এমন বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি করেছেন।
এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে চাউর হলো যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন বিভিন্ন সংস্থা এবং তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশীদাররাও যৌন নিপীড়ন ও যৌন অসদাচরণের কেলেঙ্কারিমুক্ত নয়। জাতিসংঘের এইচআইভি ও এইড্‌স বিষয়ক সংস্থার উপ-প্রধানকে এমন কেলেঙ্কারির দায়ে বিদায় নিতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও দাতব্য সংস্থাগুলোর যৌন কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশ পায় ২০১৮’র প্রথম দিকে। মানবিক ত্রাণ সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রেডক্রসের নামও এসেছে। এই সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে যৌনকর্মী ভাড়া করার অভিযোগে একুশ জন হয় অভ্যন্তরীণ তদন্তকালে পদত্যাগ করেছেন অথবা বরখাস্ত হয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিশ্বজুড়ে কর্মরত রেডক্রসের সতেরো হাজারের অধিক কর্মীর জন্য যৌনকর্মী ভাড়া করার কাজটি অবৈধ এমনকি যৌনবৃত্তি বৈধ যেসব দেশে, সেখানেও।
ভূমিকম্প বিধ্বস্ত হাইতিতে ২০১১ সালে ত্রাণকর্মে নিয়োজিত অক্সফামের সাতজন কর্মকর্তা তাঁদের ভাড়া করা ভবনে যৌনকর্মীদের (ভাড়া করা) নিয়ে সেক্স পার্টি দেওয়ায় কর্মচ্যুত হন তবে খবরটি চাপা দেওয়া হয়েছিল। তথ্য গোপন করার দায়ে অক্সফামের উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়।
খরাপোড়া বা বানভাসির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপন্ন বা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ত্রাণকর্মের গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। নারী যখন ত্রাণের জন্য ছোটাছুটি করে তখন পরিবার-স্বজন-সন্তানের কথা যতটা ভাবে নিজের জন্য ততটা নয়। সেই নারী যখন লোকে কি বলবে বা ভাববে ভেবে ত্রাণকেন্দ্রের ধারে-কাছে ঘেঁষতে চায় না তখন তার কারণ সহজেই অনুমেয়। জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যখন সিরিয়ায় ত্রাণকর্ম চালিয়েছে তখন স্থানীয় ত্রাণকর্মীদের হাতে এতটাই নিগৃহীত হতে হয়েছিল সিরিয়ার নারীকে যে তারা ত্রাণ কেন্দ্রে যাবার উৎসাহ পায় না। একটি দাতব্য সংস্থার জনৈক উপদেষ্টা বলেন, কোনো কোনো ভুক্তভোগী নারী তাঁকে জানিয়েছেন দারাও কুনেইত্রার স্থানীয় কাউন্সিলের পুরুষকর্মীরা ত্রাণ সামগ্রী আটকে রেখে যৌন কর্মে বাধ্য করত তাঁদের। খাদ্য সাহায্য ও তাদের গাড়িতে কোথাও পৌঁছে দেবার শর্তেও তারা যৌন সুবিধা নিত। ইউএনএফপিএর এক রিপোর্টে বলা হয়েছে বিশেষ করে তালাকপ্রাপ্ত অল্পবয়সী বা যাদের কোনো পুরুষ রক্ষক ছিল না তাদের ঝুঁকি ছিল বেশি। কেয়ার এবং আই আর সি (মানবিক সংস্থা) ২০১৫ য় এসব বিষয়ে সতর্ক করার তিন বছর পরেও রিপোর্টে দেখা গেছে সাময়িক বিয়ের ভাঁওতা দিয়ে যৌনসেবা নিয়েছে কর্মীরা। ত্রাণের বিনিময়ে নারীর টেলিফোন নম্বার নেওয়া, তার বাড়িতে হানা দেওয়া, রাত কাটানো সবই হয়েছে এবং কর্মকর্তারা ভেবেছেন, যাই হোক, ত্রাণটাতো পেয়েছে!
২০১৯ এর মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফ বি আইএর বিরুদ্ধে লিঙ্গ বৈষম্যের অভিযোগ উত্থাপন করেন কিছু নারী কর্মী। যৌন হয়রানি, অশোভন কৌতুক পরিবেশন এবং কর্মক্ষেত্রে বৈরি পরিবেশ সৃষ্টির মতো বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এঁরা মামলা করেন। নিউইয়র্ক টাইম্‌সএ এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর এফবিআইএর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয় তাঁরা সব কর্মীকে মূল্যবান গণ্য করেন এবং সবাই যাতে সম্মানিত বোধ করেন এফবিআই তেমন পরিবেশ বজায় রাখতে সচেষ্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতেও যৌন নিপীড়নের ঘটনা সম্পর্কে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের বার্ষিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে যৌন নিপীড়নের ঘটনা শুধু ঘটছে না ক্রমশ তা বাড়ছে। ২০১৬য় তারা অভিযোগ পেয়েছেন ৭ হাজার ৬২৩টি। প্রকৃত ঘটনা তার তিন গুণেরও বেশি; হিসেব তারাই দিয়েছেন।
দেশে দেশে এমন আরও বহু বহু ঘটনা দেখতে দেখতে ও বহু ঘটনার কথা শুনতে শুনতে বিশ বছর কেটে গেল। এ মুহূর্তে মুজিববর্ষের ক্ষণগোনা সময়ের তীরে দাঁড়িয়ে বছর জুড়ে কী কী হতে যাচ্ছে, আমরা কী পেতে যাচ্ছি তার ঘোষণা শুনছি এবং আশায় বুক বাঁধছি। আমরা নতুন কিছুই চাইছি না। যা হবে দেশের জন্য তা তো হবে আমাদেরও। শুধু নারী ও শিশুদের, বিশেষ করে শিশুদের উপর পৈশাচিক, পাশবিক বলপ্রয়োগ বন্ধ হোক দৃষ্টান্তমূলক দ্রুত বিচারের আওতায়। অপরাধী সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে- এমন একটি ঘোষণা শুনতে চাই কোনো মাহেন্দ্রক্ষণে, যেমন শুনেছি মিড-ডে মিল পেতে যাচ্ছে আমাদের প্রাথমিক স্কুলের শিশুরা। শিশুরা বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
বিংশ শতাব্দী তাঁকে পেয়েছিল বলে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। তাঁর জন্মশতবর্ষের গৌরবধন্য একুশ শতকে ‘আলোকে ভরা উদার ত্রিভুবন’ পাক আমাদের শিশুরা।