আইএসপত্নী শামিমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার আশায় বড় ধাক্কা

সোমবার , ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ at ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ

সিরিয়ার আশ্রয় শিবিরে অবস্থানরত ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধাপত্নী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামিমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার আশা হাই কোর্টে মারাত্মক ধাক্কা খেয়েছে। শামিমার মতো ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পরিবার থেকে আসা দুই সন্ত্রাসীকে যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট দেওয়া উচিত হবে না বলে দেশটির উচ্চ আদালতের বিচারকরা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে এই জিহাদি বধূর যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সুযোগ আইনগতভাবে বন্ধ করার পথ প্রশস্ত হলো বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে আপিলে এই রায় বাতিলও হতে পারে। খবর বিডিনিউজের।
বাংলাদেশ থেকে ব্রিটেনে আসা দম্পতির পরিবারে জন্ম নেওয়া শামিমা ইস্ট লন্ডনে বড় হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে ১৫ বছর বয়সে তিনি আইএসের ‘খিলাফতে’ বসবাসের জন্য দুই কিশোরী বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর সিরিয়ার কুর্দি শরণার্থী শিবিরে তার সন্ধান পার এক সাংবাদিক, যিনি শামিমার যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনার খবর দিয়েছিলেন। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘হুমকিস্বরূপ’ বিবেচনায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ শামিমার নাগরিকত্ব বাতিল করেন। একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রহীন করা অবৈধ হলেও মা-বাবার মাধ্যমে শামিমা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য- এই যুক্তিতে যুক্তরাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। গত মাসে ‘স্পেশাল ইমিগ্রেশন আপিল কমিশনে’ শুনানিতে শামিমার আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, বাংলাদেশ সরকার তাকে নাগরিকত্বের অধিকার দিতে অস্বীকার করায় শামিমা এখন রাষ্ট্রহীন।

x