অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছয় মাসের মধ্যে

জেএম সেন হলে বসন্ত উৎসবে ভূমিমন্ত্রী

মঙ্গলবার , ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ at ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
106

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এদেশে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন ও চেতনাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা দীর্ঘ একুশ বছর সংগ্রামের পর ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে সরকার পরিচালনা করেছেন। ২০০১ সালে সুক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে দেশে আবারো সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস নিপীড়নের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চিরদিনের জন্য শেষ করতে চেয়েছিল। বাংলাদেশের জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থনে পুনরায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসার পর আবারো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেলের মর্যাদা অর্জন করেছে। বাংলা নববর্ষকে তিনি বাঙালি জাতির হাইডেনসিটি উল্লেখ করে বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিনষ্টের কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইন সংসদে পাস হওয়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগীরা এখনো যথাযথ সুফল পাচ্ছেনা। আগামী ছয়মাসের মধ্যে অর্পিত সম্পত্তি দ্রুত প্রত্যার্পনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে ৪ দিন ব্যাপী বাসন্তী পুজোয় বসন্ত উৎসব ও মিলনমেলার সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি শ্যামল কুমার পালিতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার প্রধান বক্তা আন্তজার্তিক যুদ্ধপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন, সরকার ঘোষিত সন্ত্রাস, মাদক ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন চাই। তিনি ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতের উপর সহিংস্রতা ও হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, নারীর উপর সহিংসতা বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতির প্রয়োগ দেখতে চাই। দলীয় বা রাজনৈতিক পরিচয়ে কোনো ঘৃণ্য সন্ত্রাসী যাতে আত্মরক্ষার সুযোগ না পায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য। বক্তব্য দেন, অধ্যাপক নারায়ন চৌধুরী, অ্যাড. নিতাই প্রসাদ ঘোষ, অসীম কুমার দেব, সুগ্রীব মজুমদার দোলন ও কল্লোল সেন প্রমুখ। আলোচনানুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x