অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে

আমিরুল মোস্তফা

শুক্রবার , ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ at ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

তিন বছর পূর্বে একই নামে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। সন্তানদের শুধু ধর্মীয় জ্ঞান থাকলে হবে না, পাশাপাশি নৈতিকতাও শেখাতে হবে। পুস্তকে যা আছে তার প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োগ নেই। অধিকাংশ শিক্ষক নৈতিক জ্ঞান দিতে ভয় পায়। আবার অনেকে মনে করে এটি তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। অপরপক্ষে শিক্ষার্থীরা মনে করে শিক্ষকের দায়িত্ব পাঠদান করা। একবার আমার এক ছাত্র (ডাক্তার দম্পতির সন্তান) ক্লাসে দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার,আপনার পড়ানো চমৎকার, কিন্তু নীতিকথাগুলো ভাল লাগে না।’ এমনিতে পাঠ্যবিষয়ের বাইরে আমার কথা বলার অভ্যাস কম। উত্তরে বললাম তোমার কোন দোষ নেই। তুমি পরিবার থেকে এ শিক্ষাটা পাওনি। আরেকটি পর্যবেক্ষণ হল অনেক হত দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীকে শিক্ষিত করেছি যাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ কিংবা তার শিকড়কে মনে রাখে না। সেজন্যই নিতান্ত গরীব ভ্যানচালকের ছেলে আজ হত্যাকারী। তার বাবার অপুষ্টি চেহারা তার একবারও মনে পড়ল না। তাই আপনাদের প্রতি পরামর্শ : ১.সন্তানের সাথে সম্পর্ক সুদৃঢ় করুন। ২.সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখুন। ৩.পড়ালেখার সময় ব্যতীত বাইরে যেন অবস্থান না করে। ৪.কাদের সাথে মিশে খোঁজখবর রাখুন। ৫.তার মধ্যে কি কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন? ৬.তার কোন সমস্যা আছে কিনা জানার চেষ্টা করুন। ৭.তাকে নৈতিক জ্ঞান দান করুন। ৮.বাস্তবতা উপলব্ধি করতে শেখান। ৯.আপনার অবস্থা তার উপলব্ধিতে আনুন। ১০.তাকে মানবিক হওয়ার জ্ঞান দিন।

x