অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন মওলানা ভাসানী

টাঙ্গাইলে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত

সোমবার , ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ at ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ

উত্তর কোরীয়ার রাষ্ট্রদূত পাক সং ইয়প টাঙ্গাইলের সন্তোষে ৭ ডিসেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার পরিদর্শন করেন। তিনি মাজার প্রাঙ্গনে উপস্থিত হলে মওলানা ভাসানীর ঘনিষ্ট সহচর ও মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সৈয়দ ইরফানুল বারী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, যুগ্ম মহাসচিব আমিনুল ইসলাম সেলিম, জামাল উদ্দিন জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ নজরুল, মওলানা ভাসানীর দৌহিত্র মাহমুদুল হক সানু, ভাসানী অনুসারী পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হামিদ, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক রিলেশন এর উপ পরিচালক সামসুল আলম শিবলী সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রাষ্ট্রদূতকে অভ্যর্থনা জানান। তিনি মাজারে পুস্পস্তবক অর্পন করে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে মাজার প্রাঙ্গনে সমবেত ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি মওলানা ভাসানীকে একজন আন্তর্জাতিক নেতা উল্লেখ করে বলেন- মওলানা ভাসানী বিশ্বের যেখানে গণমানুষের উপর অন্যায় অত্যাচার হয়েছে, সেখানে তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ সোচ্ছার হয়েছে। বিশেষ করে তিনি ছিলেন কোরীয় জনগণের পরম বন্ধু। ১৯৫০-১৯৫৪ সালের কোরীয় যুদ্ধের সময় সাম্রারাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমত গড়ে তোলার জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা চালান। কোরীয় উপদ্বীপ থেকে আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল । পরে রাষ্ট্রদূত স্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে মওলানা ভাসানী যাদুঘর ও মওলানা ভাসানীর বাসগৃহ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, ঢাকায় আসার পর থেকেই মওলানা ভাসানীর সমাধি দেখার ইচ্ছা ছিল, আজ তা পূর্ণ হলো। তিনি টাঙ্গাইলের অধিবাসী ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। বিকেলে টাঙ্গাইল পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জুচে আইডিয়ার উদ্যোগে কোরীয়ার প্রয়াত নেতা কমরেড কিম জং ইল এর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x