অনলাইনে চলছে সিআইইউর ক্লাস-পরীক্ষা

আজাদী অনলাইন

সোমবার , ২৩ মার্চ, ২০২০ at ৫:২৩ অপরাহ্ণ
55

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস। দেশজুড়েও আতংক। বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে তাই অনিশ্চিত যাত্রা।

তবে এই করোনাভাইরাসের প্রভাব রুখতে পারেনি চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউর) শিক্ষাকার্যক্রম। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ। তবুও এই বন্ধের ভেতর অনলাইনে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম।

ছাত্র-ছাত্রীরা প্রশ্ন করছেন, কেউবা নোট নিচ্ছেন। আর বাড়িতে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস পরিচালনা করছেন সিআইইউর একঝাঁক মেধাবী শিক্ষক।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সিআইইউর সকল ক্লাস-পরীক্ষা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই বন্ধের ভেতর অনলাইনে চলছে তাদের নানান ধরণের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম।

২০২০ সালের সামার সেমিস্টারের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। একইসঙ্গে নিয়মিত শিক্ষার্থীরা গুগল ক্লাস রুম, সিমস, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপসহ বিভিন্ন ধরণের অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিরাপদ দূরত্বে থেকে শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

জানতে চাইলে সিআইইউর উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, সরকারের নির্দেশানুযায়ী আমরা সব ধরণের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি। তবে আমাদের শিক্ষকরা বাড়িতে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাকার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এই ধরণের কার্যক্রমে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা ভীষণ খুশি। করোনাভাইরাসকে ঠেকিয়ে গুণগত শিক্ষার পথকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে সিআইইউ বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।

এদিকে বাড়িতে বসে শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিদিন অনলাইনে ক্লাসকার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছাত্র-ছাত্রীরা।

তারা বলেন, এখন বাইরে যাওয়াটা অন্যের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই বাড়িতে বসে পড়ালেখার টুকটাক কাজটা ঝালিয়ে নিতে পারলে মন্দ না!

শারমিন আক্তার নামের বিবিএর একজন ছাত্রী বলেন, এই সময় বাড়ি থেকে বের না হওয়া ভালো। সামনে পরীক্ষা। হঠাৎ ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে গেল। তাতে কী। অনলাইনে পড়ালেখার পাঠটা এগিয়ে নিচ্ছি।

সিআইইউর বিজনেস স্কুলের ডিন ড. নাঈম আবদুল্লাহ বলেন, ডিজিটাল অনলাইনের সব দুয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা। তারা যখন খুশি শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আরেক ডিন ড. আসিফ ইকবাল বলেন, ভালো লাগছে। শিক্ষার্থীরা প্রাণবন্তভাবে সাড়া দিচ্ছেন। আড্ডার ছলে পড়ার পাঠটাও ভীষণ জমে উঠেছে।