অনন্তযাত্রার কবি আবুল হাসান

মিলটন রহমান

শুক্রবার , ৩০ নভেম্বর, ২০১৮ at ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ
216

ষাট দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা কাব্যে একটি রোমান্টিক আকাশ তৈরী হয়েছিলো। যেখান থেকে নানান রঙের বৃষ্টি হতো। প্রেম, দ্রোহ, প্রকৃতি, বিশ্বাস-অবিশ্বাস সর্বোপরি সেই আকাশে এক একটি সুরম্য কক্ষ তৈরী হয়েছিলো। সেই আকাশের অধিপতির নাম আবুল হাসান। কবি আবুল হাসান সেই আকাশ এবং বিবিধ কক্ষগুলো হাজার রঙের ইট-বালি-সুড়কির প্রলেপে সাজিয়েছেন। আর কবি সেই রঙ ধরতেন প্রকৃতির হাওয়া-বাতাস, ফুল-পাখি, ঘাষ-বৃক্ষ এবং শূন্য থেকে। তাই সম-সাময়িক অন্য কবিদের চাইতে আবুল হাসানকে আলাদা করা যায়। তাঁর কাব্যঢং এতই মৌলিক, যাকে কবির নাম ছাড়াই চেনা যায়। সেই কবিতার শরীরে যে সুগন্ধ পাওয়া যায়, তাতে কবিকে চিনে নিতে কষ্ঠ হয় না। কি রাজনীতি, কি সমাজনীতি কিংবা প্রেম অথবা বিরহ, সবকিছুকেই একবুকে ধারণ করতে পেরেছিলেন আবুল হাসান। ষাটের অনেক কবি আছেন, যাদের কবিতা সময়ের সাথে হাঁটতে পারে নি। অনেকে এখনো জীবিত-অসচল। কিন্তু আবুল হাসান ইহধামে থেকেও কাব্যগুণে এখনো সচল। তাই তিনি এবং তাঁর কবিতা এখনো প্রাসঙ্গিক। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাজা আসে রাজা যায়‘ এর প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘আবুল হাসান‘। এ কবিতায় যখন বলে ওঠেন-এটা সেই পাথরের নাম নাকি? এটা তাই/এটা কি পাথর নাকি কোনো নদী? উপগ্রহ? কোনো রাজা?/পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ?/মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা?তীব্র তীক্ষ্ম তমোহর/কী অর্থ বহন করে এই সব মিলিত অক্ষর?‘ -এই যে অন্তর্মুখি মৌলিক জিজ্ঞাসা তা সেই সময়ের অন্য কোন কবির জবানিতে উঠে আসে নি। তাঁর বর্ণনা এবং কাব্যরসের কারণে মনে হয় সদ্য লেখা নতুন কোন কবিতা এটি। কবি হিসেবে আবুল হাসানের সবচেয়ে বড় সার্থকতা এখানেই বলে আমি মনে করি। প্রথম দিকের রচনায় ত্রিশের কবি বিশেষ করে জীবনানন্দ দাশের যে প্রভাব দৃশ্যমান ছিলো পরবর্তীতে ডানা ঝেড়ে নিজেকেই মৌলিক পাখিতে রূপান্তর করেছিলেন তিনি। যখন তিনি বলেন-‘…তাকিয়েছিলাম:নারী কিম্বা নিভৃতি যাই হোক, তার দিকে কেবল/তার দিকে আমার এই তাকিয়ে থাকা, আমার এই শিল্প জানি না/শোষণ ক্ষমতায় এর নাম কি,মমতায় আমি এক পলক পবিত্র/দৃষ্টি তার দেহে অর্পণ করে তাকালাম, ফের সেই অমল তাকানো!‘। এখানে কবি আবুল হাসান জীবনানন্দের মত কোন রহস্য করেন নি। সারসরি কিন্তু অসম্ভব সম্ভোগপবিত্রতায় তিনি দৃষ্টি চালান করে দিয়েছেন প্রিয় কোন মানীষীর দিকে। আবার কেবল একদিকে নয় বিভিন্ন দিকে থেকে আলো ফেলে তিনি এই কবিতায় সেই নারীকে আবিস্কার করেছেন। জীবনানন্দের মত একমুখি নয় এবং একই সাথে তত রাখঢাকও নয়। এ দেখার দৃষ্টি গভীর এবং সংবেদনশীল। এখানে তিনি বিহঙ্গ কিংবা পতঙ্গের মত দু:সাহসি। ভালোবেসে আগুনে ঝাপ দিতে কিংবা আগুন পান করতে তাঁর ভয় নেই।
আবুল হাসানের কবিতায় প্রকাশিত চিন্তার সম্প্রসারণ একেবারেই তাঁর মজ্জাগত। মানুষ হিসেবে আবুল হাসান যে চরিত্রের প্রকাশ ঘটাতেন তার সাথে কাব্যপ্রসারণের কোন পার্থক্য নেই। তাই বলে আমরা আবুল হাসানকে স্বভাব কবি বলবো না। কারণ জীবন ঘষে আগুন তোলার মন্ত্র তিনি আয়ত্ব করেছেন পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং মনুষ্য পাঠের মাধ্যমে। তাই তাঁর প্রকাশ স্বভাব কবির মত নয়। সেই প্রকাশে রয়েছে নন্দনতত্ব এবং মেধার উৎসারণ। যেখানে তিনি খুব যত্ম করে মনের আলৌকিক শব্দগুলোকে থরে থরে সাজিয়েছেন। এমনকি কাব্যে তাঁর শব্দের প্রায়োগিক প্রক্রিয়াতে কোথাও খটকা লাগেনা। তিনি ততটাই মিহি শব্দের কারিগর।
কবি আবুল হাসান মাত্র ঊনত্রিশ বছর আয়ুস্কালে যে কবিতারাজ্য নির্মাণ করে গেছেন তাতে সম-সাময়িকদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর স্বভাব এবং জীবনযাত্রায় আলো ফেলতে গিয়ে আমার ইংরেজি সাহিত্যের আরেক প্রতাপশালী কবি টেড হিউজের কথা মনে পড়ে। বয়সের দূরত্বে একটু আগের হলেও প্রায় সম-সাময়িক এই কবির সাথে আবুল হাসানের অনেক মিল খুঁজে পাই। তাদের মধ্যে চেনা জানা না থাকলেও পৃথিবীর দু‘প্রান্তের দুই কবির চিন্তার মিল সত্যি বিস্ময় জাগায়। প্রেম দুজনের কবিতার আরাধ্য। নারী দু‘জনের করোটির ভাজে ভাজে জেগে থাকতো। সেই সাথে নিগূঢ জীবনের নানান বাস্তবতার সাথে মৃত্যুচিন্তাও গ্রীবা বাড়িয়ে দু‘জনের চিন্তায় বসত করতো। টেড হিউজ যখন বলেন…
‘The allotment of death
For the one path of my flight is direct
Through the bones of the living.
No arguments assert my right:’(Hawk Roosting)

প্রায় অভিন্ন সুরে আবুল হাসান বলেন-
সারারাত বৃষ্টি হলো! চুলখোলা সবুজ বৃক্ষের ক্ষীণ কটি অশ্লীল
গহ্বর থেকে
ধুম্রজাত লোনাজল, মাটি ও মর্মের মধ্যে লোহাখনি অন্ধকারে
সমুদ্রের তীব্র লোনা খর স্রোতে বুলালো সুপক্ক মৃত্যু!(মৃত্যু: হাসপাতালে হীরক জয়ন্তী, পৃথক পালঙ্ক)
বরিশালের গ্রাম থেকে উঠে আসা কবি আবুল হাসানের কবিতার কোথাও অনগ্রসর গ্রাম্যতার ছাপ দেখা যায় না। এর কারণ সম্ভবত ততদিনে বিশ্বসাহিত্যের সাথেও তার সখ্যতা তৈরি হয়েছিলো। পাবলো নেরুদার কবিতার একনিষ্ঠ পাঠক ছিলেন তিনি। আবার যখন বলে ওঠেন-সাক্ষাৎ আনন্দময়ী একগুচ্ছ নারী তারা কুয়াশার মত ফের একপলক/তাকাবে এবং বোলবে, তুমি না হোমার? অন্ধ কবি ছিলে? তবে কেন হলে চক্ষুস্মান এমন কৃষক আজ?‘। নেরুদার পাঠক আবুল হাসানের মেজাজ রাজনৈতিক। আবার যখন অন্ধ হোমারের কথা বলতে বলতে একটু পরেই বলে ফেলেন-গ্রীসের নারীরা খুর সুন্দরের সর্বনাশ ছিল। তারা কতো যে উল্লুক!/উরুভুরুশরীর দেখিয়ে এক অস্থির কুমারী কত সুপুরুষ যোদ্ধাকে/তো খেলো!‘। এখানে কবি না বিদ্রোহী না প্রেমিক। যেনো অভিমানে দু‘টো মাঝামাঝি নিজের ভেতরে নিজে হাত পা গুটিয়ে ধ্যানে মগ্ন। এই রহস্যাবৃত মানুষটি বাংলাসাহিত্যে এখন একজন রূপকথার নায়ক। সেই তিনি আবার রোমান্টিক মনোবিশ্বের বংশিবাদক। আবুল হাসানের কাব্যের শরীরে যতই আঁচড় কাটি নতুন নতুন আলোর উদ্ভাস দেখি। যত পান করি নতুন নেশায় মগ্ন হই। কারণ যতদূর তাঁর কাব্যরথে হেঁটেছি, দেখেছি পথে পথে ছড়ানো প্রেম ও মুগ্ধতার ছায়া। কবি যখন প্রিয় কোন রমনীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করেন। আর ভাবেন কেনো এই সমর্পণ? কেনো ওই রমনী তাকে গ্রাস করছে? ‘আমার একাকিত্বের এক শতাংশ হাতে নিয়ে/তুমি আমার ভালোবাসার মুকুট পরেছো মাথায়!/আমাকে শোষণের নামে তৈরি করেছো আত্মরক্ষার মৃন্ময়ী যৌবন।/বলো বলো বলো হে ম্লান মেয়ে, এত স্পর্ধা কেনো তোমার?‘। এটি আবুল হাসানের জীবন থেকে উত্থিত উচ্চারণ। তিনি যে সময়ের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন, যে সামন্তবাদী সমাজ থেকে উঠে এসেছেন। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি নিজস্ব একটি রাস্তা তৈরি করেছেন। সেখানে ছিলো দ্বন্দ্ব, সেখানে ছিলো ভালোবাসা এবং নিজেকে মেলে ধরার কুন্ঠিত অথচ স্বপ্রাণ চেষ্টা। এখানে এসে আবুল হাসানের সাথে টেড হিউজ এবং আত্মবিধ্বংসি কবি সিলভিয়া প্লাথ-এর মেলবন্ধন রয়েছে। তিন জনই একই পথের সন্ধান করেছেন। এঁদের সবার মধ্যে আত্মিক হাঁহাকার এবং অপূর্ণতার বেদনা অনুরনিত হয়েছে সমবিভবে।
 ‘Remembering everything. It recovered in my hand.
Then a voice like a selected weapon
Or a measured injection,
Coolly delivered its four words
Deep into my ear: ‘Your wife is dead.’(  Last Letter” by Ted Hughes)

এর সাথে যদি পাঠ করি-
My cheeks of basalt. They turned to tears,
Angels weeping over dull natures,
But didn’t convince me. Those tears froze.
Each dead head had a visor of ice.’(Love Letter, Sylvia Plath)

সেই সাথে আমাদের কবি আবুল হাসান-কে পাঠ করি এভাবে-
‘জানি না কিসের কান্না:শিকড়ে ও সঘন বাকলে
তবু চলে স্ববিরোধ-যদি চাই ভ্রণমাটি,-অন্তরীণ আঘাতে লবণ
তখোন আমাকে দেয় অনাবৃষ্টি, ক্ষণমৃত্যু, বৈশাখের বিলোল দহন!‘(ভালোবাসা, পৃথক পালঙ্ক)
সিলভিয়া প্লাথ কখনো আর টেড হিউজের চেহারা দেখতে চায় না। আত্মদহনের গ্লানি ঘোচানোর যখন আর কোন পথ খোলা থাকে না তখন সিলভিয়া নিজের শরীরে অগ্নি সংযোগ করে নিজের অস্তিত্ব উঠিয়ে নেন এই ধরা থেকে। সেই সংবাদে ব্যথিত টেড হিউজ উৎসারণ করেন ‘লাস্ট লেটার‘। প্রায় একই অনুভব থেকে আবুল হাসানও রচেন ‘ভালোবাসা‘। এই যে চিন্তার নৈকট্য, এর যোগসূত্র খোঁজার প্রয়োজন নেই। ইংরেজি সাহিত্যের সাথে আবুল হাসানের সখ্যতা হোক কিংবা সময় এবং সমাজের চিন্তার সম্প্রসারণ হোক, তিনি কবিতায় মার্গীয় চিন্তার আমদানি করেছিলেন। একে কোনভাবেই প্রভাব বা অনুকরণ বলা যাবে না। কারণ উপরের তিনটি কবিতা পাঠ করলেই বুঝা যায় আবুল হাসান সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি নিজস্ব ভূমিকে যে রঙ দিয়েছেন তা অন্যদের চাইতে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়।
অভিমান কবি আবুল হাসানের পুরো জগতকে নানান ফুলে শুশোভিত করেছিলো। কখনো দেশপ্রেম, কখনো নারী, কখনো বন্ধু কিংবা পরিবেশ-প্রতিবেশ কবিকে আত্মাভিমানে চঞ্চল করে রাখে। আর স্মৃতিকাতরতা এতোবেশি মেঘাচ্ছন্ন করে রাখতো তাঁকে; সেই কাতরতা যখন কবিতার জমিনে পোশাক পরিয়ে দেয়, মনে হয় সেই পোশাকে অদৃশ্য ফুটো। যা কেবল মনোদৃষ্টি থাকলেই দেখা যায়। কবি যখন বলেন-
ওনী তার মাতাল স্বামীরসকাছে না গিয়ে নিজেই একরাতে
একে একে শুন্যতায় সলজ্জ কাপড়গুলো খুলে ফেলে কুয়াশায়
উন্মাদিনী কোথায় পালালো!
নিজস্ব ভ্রুণের হত্যা গেঁথে দিয়েছিলো তাকে মানসিক হাসপাতালের এক কোণে!
কোথায় সে? এখন কোথায়?‘(স্মৃতিকথা, রাজা আসে রাজা যায়)
এই যে শোক, এই যে জিজ্ঞাসা যা ছিলো কবি আবুল হাসানের স্বভাবজাত। তাঁর অধিকাংশ কবিতাতে ঘোর বিস্তারিত মুগ্ধতা ছড়িয়েছে তাঁর অভ্যন্তরীন হাঁহাকার। আবুল হাসানকে নিয়ে অল্প-বিস্তর লেখা হয়েছে। যার বেশিরভাগই তাঁর ব্যক্তিগত টানাপোড়েন, তাঁর আচরণ এবং জীবন যাপন নিয়ে। সেই সাথে তাঁর মৌলিক কর্ম নিয়েও বলেছেন কেউ কেউ। ফলে প্রাসঙ্গিকভাবে আবুল হাসানের কাব্যগুন নিয়েও কথা হয়েছে। সে সব আলোচনায় অনেকের কৃপনতাও পরিলক্ষিত। আশ্চর্যজনকভাবে কবি আবুল হাসানের মেধা এবং দর্শন নিয়ে তেমন কোন আলোচনা নেই। অথচ আবুল হাসানকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করলে কিছ সূত্র পাঠক মাত্রই আয়ত্ব করতে পারবেন। তাঁর পঠনপাঠনের চৌহদ্দি এবং জীবন, সমাজ-রাষ্ট্র, প্রেম-বিরহ দর্শণ সমান্তরাল শুয়ে আছে তাঁর কর্মে। তাঁর এ বিষয়গুলোর কলকব্জা খুলতে গিয়ে কিছুটা বিস্মিত না হয়ে পারি নি। সহজ করে যদি বলি, দেখবেন সকল ভাষার কবিতার সুর এক। তার ভাব-চিন্তা-দর্শণ প্রায়ই এক। তাই কবি আবুল হাসানের কাব্য চিন্তার সাথে অগ্রজ এবং সম-সাময়িক বাংলা ও ইংরেজি ভাষার কবিদের মধ্যে মিল রয়েছে। সেই চিন্তা উত্তরবংশের কবিদের মধ্যেও পরিলক্ষিত। এখানেই একজন কবির দূরদৃষ্টির সন্ধান মেলে। একই সময়ের এবং এখনো সচল ওয়েলসের কবি রুথ বাইগুড বলছেন-
Shutting my gate, I walk away
From the small glow of my banked fire
Into a black All Souls’. Presently
The sky slides back across the void
Like a grey film.(All Souls)

প্রায় একই কথা কবি আবুল হাসান বলেছেন অনেক আগেই। এই চিন্তা-দর্শন এবং ভাবনা তাঁর অনেক কবিতাতেই প্রকাশিত।
‘সবদিকে অরণের স্বর! একটিও শিশিরের ফনিমনসা নেই!
কেবল মানুষ সর্বাঙ্গে মৃত্যুর কাঁটা
গলগণ্ডে ধুতরার বীজ নিয়ে শুয়ে আছে রাতে!‘
কবি আবুল হাসানকে এভাবে বিশ্বসাহিত্যের উদার জমিনে যখন দেখি তখন নিজেকে বড় বেশি উজ্জ্বল মনে হয়। তখন মনে হয় বাংলাসাহিত্যে অনেক উৎপাদন রয়েছে যা বিশ্বসাহিত্যেকেও সমৃদ্ধ করেছে। কিন্তু এই উচ্ছ্বাস আবার মলিন হয়ে যায়। নিজেকে লুকাতে ইচ্ছে করে আড়ালে। বিশ্বের অনেক অদরকারি সাহিত্য অনুবাদের মহিমায় দরকারী হয়ে উঠেছে। আবার অনেক মার্গীয় সাহিত্যকর্ম অনুবাদ সংকটে ধুলোর রাজ্যেই পড়ে থাকে। তাই মনে করি কবি আবুল হাসান অনুবাদ হওয়া প্রয়োজন। তাহলে তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং প্রেমিক সত্তার বিশ্ব মোড়ক উন্মোচন করা সম্ভব হবে।

x