৯ থেকে ১১ অক্টোবর নগরীর ১৭টি পয়েন্টে থাকবেন আ. লীগ নেতাকর্মীরা

কার্যকরী পরিষদের সভায় অনেক নেতা ও সাংসদ না আসায় ক্ষোভ

আজাদী প্রতিবেদন

শনিবার , ৬ অক্টোবর, ২০১৮ at ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
247

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে মহানগর আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা আগামী ৯ থেকে ১১ অক্টোবর নগরীর ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান নেবেন। মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভা থেকে ওয়ার্ড ও থানা আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে দারুল ফজল মার্কেটস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ৭১ সদস্যের অনেক নেতা এবং সংসদ সদস্যরা না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের অনেক নেতা মিটিংয়ে আসেন না। যারা সংসদ সদস্য হচ্ছেন তারা মিটিংয়ে আসেন না। অথচ তারা দলের মনোনয়ন চাইবেন-সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। দলের দুঃসময়ে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই সব সময় মাঠে থাকেন। আ জ ম নাছির বলেন, এই তিনদিন প্রতিটি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাও চলবে। সরকারের উন্নয়নের লিফলেটও বিতরণ করা হবে।
আ জ ম নাছির বলেন, আগামী ১০ অক্টোবর ২১ আগস্টের নারকীয় বোমা হামলার বিচারিক রায় ঘোষণার দিনকে কেন্দ্র করে কোনো অপশক্তি নাশকতা বা যেকোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা করলে মহানগর আওয়ামী লীগ জিরো টলারেন্স ভূমিকা নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশে থাকবে। এক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রকারীদের তিল পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না। জনগণের জান-মাল রক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে যা কিছু করা প্রয়োজন সেই নৈতিক সাহস সঞ্চয় ও চেতনা ধারণ করে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ৯ থেকে ১১ অক্টোবর রাজপথেই থাকবেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী সভাপতির ভাষণে বলেন, শেখ হাসিনা রক্ষা পেলে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে। তাকে ছাড়া বাংলাদেশ ও বাঙালি নিরাপদ নয়। তিনি জাতির অতন্দ্রপ্রহরী। তাকে সামনে রেখেই আমাদের অগ্রগতির পথের বাধাগুলো সরাতে হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে শনিবার (আজ) থেকে দারুল ফজল মার্কেটস্থ কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া কোন ওয়ার্ডে সন্দেহভাজন কোনো আগন্তুককে দেখা গেলে সাথে সাথে দলীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করতে বলা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, এম.এ. রশিদ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, হাসান মাহমুদ শমসের, এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, হাজী জহুর আহমদ, মানস রক্ষিত, জোবাইরা নার্গিস খান, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবদুল আহাদ, আবু তাহের, ডা: ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, হাজী শহীদুল আলম, জহর লাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য এম.এ. জাফর, আবুল মনসুর, নুরুল আমিন, সৈয়দ আমিনুল হক, মোহাম্মদ নুরুল আলম, আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, গাজী শফিউল আজিম, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, শেখ শহীদুল আলম, বখতেয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আহমেদ ইলিয়াস, বিজয় কিষান চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, মোহাব্বত আলী খান, আবদুল লতিফ টিপু, রোটারিয়ান মো: ইলিয়াস, হাজী বেলাল আহমেদ প্রমুখ।

x