২১ বছর পরও বৈচিত্র্য আসেনি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদে

আয়শা আদৃতা

বৃহস্পতিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
50

২১ বছর পরও বৈচিত্র্য আসেনি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদে। আগের মতোই যাচ্ছেতাইভাবে চলছে কেন্দ্রের এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি। একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সবচেয়ে বেশি দর্শকের চাহিদায় থাকে সংবাদ। কিন্তু বিটিভি চট্টগ্রামের সংবাদ থেকে সে রূপ রস, তথ্য-উপাত্ত তো পাওয়া যায়-ই-না, বরং দিনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংবাদও থাকেনা। সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের এ খবর শুরু হওয়ার পর প্রথম ৫ মিনিট যে কোনো দর্শক এটিকে বিটিভির রাত ৮টার সংবাদ বলে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে সরকার প্রধান এবং তথ্যমন্ত্রীর রাজধানীর অনুষ্ঠান সমূহের খবর প্রচার করতেই পার হয়ে যায় প্রথম ৫ মিনিট। এরপর শুরু হয় আগের দিনের সংস্থা-সংগঠনের করা অনুষ্ঠানের খবর প্রচার। টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদে একজন দর্শক যেসব খবর শুনতে চান সে বিষয়ে কোনো ধারণাই নেই বার্ত বিভাগের। বলা যেতে পারে, লোকবল সংকটের কথা। কিন্তু একটা টেলিভিশন চ্যানেলে একজন লোকও কি নেই, যিনি কোনটা সংবাদ আর কোনটা সংবাদ নয় অন্তত এ পার্থক্যটুকু বুঝতে পারেন। অন্য চ্যানেলের কথা না হয় বাদই দিলাম, বিটিভির কথাই ধরা যাক। বিটিভিতে সারাদিনে বেশ কয়েকটি খবর প্রচার হয়। সেখানে স্থানীয় সংবাদ, কৃষি সংবাদ, বাণিজ্য সংবাদ, খেলার সংবাদ এমন আলাদা আলাদা বিষয় প্রচারের বিস্তর সুযোগ রয়েছে। ফলে তারা খবরে প্রত্যেকটা বিষয়ের উপর আলাদা নজর দিতে পারেন। কিন্তু বিটিভি চট্টগ্রামে যেহেতু সময় একেবারেই মাপা, তাই খবর বাছাইয়ে গুরুত্ব দেয়াটা খুবই জরুরি। আজকের খবর আগামীকাল প্রচার করার মধ্য দিয়ে বাসি খবর প্রচারের যে ধারা তা বন্ধ করাও জরুরি। বিভিন্ন সংগঠনের অ-গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রচারের পেছনে যে ‘বাণিজ্যে’র অভিযোগ রয়েছে তা মিথ্যা প্রমাণ করতে হলে দর্শক আগ্রহ নেই এমন খবর প্রচারও বন্ধ করতে হবে। একইভাবে সংবাদ শিরোনামে চট্টগ্রামের বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। চট্টগ্রামকে উপেক্ষিত রেখে বিটিভি থেকে নিয়ে হুবহু শিরোনাম চালিয়ে দেওয়া যে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নয় সেটিও কর্তৃপক্ষকে বুঝতে হবে।

চন্দুমুখী না পারুল? পারুল কি শুধুই ছোটবেলার সাথী না চিরদিনের ভালোবাসা? এই দ্বন্দ্ব থেকে মুক্তি মেলেনি দেবদাসের। মৃত্যুর আগে পারুর দরজায় এসে পৌঁছাতে পারলেও সমাজের নিগড় ভাঙা যায়নি, শেষ স্পর্শটুকু পাওয়া হয়নি প্রেমিকার। এই ট্র্যাজেডি সম্ভবত দেবদাসকে অমর করেছে। আর তাই র্পাঠকের মনে এখনো জীবন্ত দেবদাসের প্রেম। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ‘দেবদাস’ উপন্যাসটি লিখেছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সাহিত্যে নারী অনুষ্ঠানে এবারের আলোচনার বিষয় ছিল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়ের বহুল পঠিত উপন্যাস দেবদাস। এ উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো নিয়ে আলোকপাত করা হয় এবারের পর্বে। পঠিত উপন্যাস নিয়ে আলোচনা পাঠকের খোরাক আরো বৃদ্ধি করতে পারে।

x