হেভিওয়েট আসন, আওয়ামী লীগে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী

শুকলাল দাশ

বুধবার , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ at ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ
4054

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও চলছে তৎপরতা। চট্টগ্রামে ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হলো চট্টগ্রাম৯ কোতোয়ালী। এই আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী মনোনয়নের দৌড়ে রয়েছেন। তবে এখানে আওয়ামী লীগ এখনো তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। তারপরও একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীতে ভরপুর চট্টগ্রাম৯ আসন। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই আসনের আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের শরিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জোটের কারণে সেই সুযোগ পাচ্ছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরাও।

নগরীর প্রাণকেন্দ্রের এই আসনটি থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাচ্ছেন এ নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন সাধারণ ভোটাররা। অনেক আগে থেকেই এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। অন্যান্য বারের তুলনায় কোতোয়ালী আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীর তালিকা এবার দীর্ঘ। আনুষ্ঠানিক প্রচারপ্রচারণা শুরু না হলেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নানা সামাজিকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের জানান দিচ্ছেন। কৌশলে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারপ্রচারণাও। আগামী সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালী থেকে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন, তা নিয়ে ভোটাররাও নিজেদের মতো করে হিসেবনিকেশ কষতে শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম৯ সংসদীয় আসনটি সিটি করপোরেশনের ৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ এবং ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩০ হাজার ১৪৭ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬৭ জন।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এছাড়া কোতোয়ালীর এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরীর পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নানের পুত্র ও নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আবদুল লতিফ টিপু এবং ব্যবসায়ী ও কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

তবে জাতীয় পার্টি দশম সংসদের মতো মহাজোট থেকে নির্বাচনে অংশ নিলে এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন বর্তমান সংসদ সদস্য জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলু। ওয়ার্কার্স পার্টির মোহাম্মদ আবু হানিফও তার দল থেকে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু হানিফ আজাদীকে বলেন, দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত আছে যে, আমি নির্বাচন করব। দশম সংসদ নির্বাচনেও আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দল হিসেবে কোতোয়ালী আসনে আমাদের দলের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। আমরা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এই আসনের মানুষও সেই বিশ্বাসকে ধারণ করে।

এছাড়া ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে প্রার্থী হবেন ওয়াহেদ মুরাদ। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ও গণফোরাম সভাপতি কফিল উদ্দিনের পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সুন্নীয়তভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অর্থ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন নগর সাংগঠনিক সম্পাদক।

২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসেবে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবরের পর থেকেই শুরু হবে পরবর্তী নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা। ফলে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করলে ভোটের মাঠে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা যাবে তা নিয়ে চলছে ব্যাপক পর্যালোচনা। এতে পুরনো প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই বাদ পড়তে পারেন আর আসতে পারেন অনেক তরুণ মুখ।

নগরীর ভিআইপি আসন হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম৯ আসনের প্রতি প্রত্যেক দলেরই বাড়তি নজর থাকে। এই আসন থেকে সবাই জিততে চান। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নজর যেন একটু বেশি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিএনপিই বেশির ভাগ সময় এই আসন থেকে জয় লাভ করেছে। ফলে দলীয় কার্যক্রমসহ সবরকম কৌশলে এ আসনটি এবার আওয়ামী লীগের পক্ষে আনতে মরিয়া ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েও এগিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি। তিনি ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দৈনিক আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রামের এই সংসদীয় আসনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনে আমি ব্যক্তিগতভাবে স্কুলকলেজ নির্মাণসহ এলাকার প্রচুর উন্নয়ন করেছি। ফলে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক জনসমর্থন আমার পক্ষে আছে। তাই আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি এই আসন থেকে নির্বাচন করতে চাই। তবে এক্ষেত্রে নেত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

২০১৪ সালে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মহাজোটের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলু। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির মোহাম্মদ আবু হানিফ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) আরিফ মঈনুদ্দীন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী আহমেদ নাজির।

তবে আগামী নির্বাচনে এই চিত্র পাল্টে যাবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। কারণ জাতীয় পার্টি আলাদাভাবে নির্বাচন করলে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ। সেই হিসেবে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক বেশি। অনেকেই এই আসন থেকে মনোনয়ন চান।

এদিকে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে। নওফেল কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ)। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনজরে আছেন। এছাড়া তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করে আনার জন্য ভূমিকা পালন করেছেন।

নওফেল ২০১৪ সালে ঘোষিত ৭১ সদস্যের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নির্বাহী সদস্য। ২০১০ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে বাবা মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে অংশ নেন। ওই প্রথম রাজনীতির মাঠে সক্রিয় দেখা যায় লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিঙ থেকে স্নাতক করা নওফেলকে। ২০১০ সালে তিনি তার পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিবিদ হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই কথাই সত্য হলো। এখন তিনি পুরোপুরি রাজনীতিবিদ। ঢাকা বারের এই আইনজীবী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিরও সদস্য। তিনি বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আগামী সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালী আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন কি না জানতে চাইলে ব্যারিস্টার নওফেল আজাদীকে বলেন, আমি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। এই পদে থেকে ঘোষণা দিয়ে মনোনয়ন চাওয়াটা রাজনৈতিকভাবে শোভনীয় হবে না। কারণ, মনোনয়ন আমরা দেব। দল যদি মনে করে আমি জনগণের সেবা করতে পারব, যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে দলের সিদ্ধান্তে অবশ্যই নির্বাচন করতে হবে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম৯ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। তিনি ২০০৯ সালের ২৮ মে সিডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে চলতি বছরে ষষ্ঠবারের মতো ফের দায়িত্ব পান। আগামী সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন জানতে চাইলে তিনি আজাদীকে বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম৮ বোয়ালখালীচান্দগাঁও এলাকা এবং চট্টগ্রাম৯ কোতোয়ালী এলাকা থেকে নির্বাচন করব। তিনি বলেন, গতবার আমাকে চট্টগ্রাম৮ বোয়ালখালীচান্দগাঁও এলাকা থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে জোটের শরিক দলের প্রার্থীকে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এখন এই দুটি আসন থেকে মনোনয়ন চাইব। দলের সভানেত্রী যে আসন থেকে মনোনয়ন দেবেন সেই আসন থেকেই নির্বাচন করব।

তিনি জানান, দলের সভানেত্রীর আন্তরিকতায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করেছি। এখন নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামের মানুষ মনে করছেন, আমাকে দিয়ে চট্টগ্রামের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব। চান্দগাঁওবোয়ালখালীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন কালুরঘাট সেতু। তারা মনে করেন সেটা আমাকে দিয়েই হবে। আমি কথা দিচ্ছি, সেটা আমি করতে পারব। তবে এতদিন এই সেতু না হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখে তিনি ব্যথিত বলে জানান।

এদিকে এ আসনে মহাজোটের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলু বলেন, এবারও আমি কোতোয়ালী আসন থেকে প্রার্থী হব। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি এই এলাকার জনগণের কাছে যেসব ওয়াদা করেছি তার প্রায় সবই পূরণ করেছি। আমার নির্বাচনী এলাকার প্রায় স্কুলে উন্নয়নের বরাদ্দ দিয়েছি। অনেক স্কুলেকলেজমাদ্রাসায় নতুন ভবন করেছি, অনেক স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করেছি, শিক্ষাসামগ্রী দিয়েছি, সোলার প্যানেল দিয়েছি, আইপিএস দিয়েছি, গভীর নলকূপ দিয়েছি। প্রত্যেক মসজিদমাদ্রাসায় অনুদান দিয়েছি। মন্দিরে অনুদান দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় বন্যা দুর্গত ও পানিবন্দী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সরকারি অনুদানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অনুদান দিয়েছি। কোতোয়ালী আসনের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সাথে প্রতি সপ্তাহে মতবিনিময় করে আসছি। প্রতিটি মানুষের সাথে আমার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। আমি মনে করি এই এলাকার মানুষ আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন।

মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ মান্নানের পুত্র নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আবদুল লতিফ টিপু আজাদীকে জানান, আমার পিতা কোতোয়ালী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন। পিতার হাত ধরে আমি রাজনীতি শুরু করেছি। নগর রাজনীতির সাথে অনেক দিন থেকে জড়িত। আমার পিতা নিজের জীবনযৌবন চট্টগ্রামের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। পিতার শূন্যস্থানে ছেলে হিসেবে আমি প্রবেশ করতে চাই। কোতোয়ালী এলাকার মানুষ চান, আমাদের পরিবার থেকে কেউ নির্বাচন করুক। তাই আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছি।

এদিকে জহুর আহমদ চৌধুরীর পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা জসীম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ৮০ এবং ৯০এর দশকে দলের দুর্দিনে রাজপথে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি, অনেক নির্যাতন সয়েছি। দল থেকে কখনো কিছু চাইনি। একের পর এক মামলা খেয়ে দুবাই হয়ে কানাডা পালিয়ে গেছি। এখন দল ক্ষমতায়। একেবারে দেশে চলে এসেছি। আবার রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। তাই ঠিক করেছি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালী আসন থেকে মনোনয়ন চাইব। নেত্রী মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করব, না দিলে দলের পক্ষে কাজ করব।

x