হীরালাল সেনের সার্ধশত জন্মজয়ন্তী ও বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ

শৈবাল চৌধূরী

মঙ্গলবার , ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ at ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
45

২০১৮ সাল উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেনের জন্মশতবর্ষ ও বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ। হীরালাল সেনকে বাংলাদেশ স্মরণ করছে বেশি করে, পশ্চিমবঙ্গে সে তুলনায় কম। আবার পশ্চিমবঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ পালিত হচ্ছে সাড়ম্বরে। বাংলাদেশে তার কোন খবরই নেই। রীতিমত বিতর্কিত হয়ে দাঁড়িয়েছে এই দুটি উদযাপন।
হীরালাল সেন বাংলাদেশের সন্তান। মানিকগঞ্জ জেলার বগজুড়ি গ্রামে ১৮৬৮ (মতান্তরে ১৮৬৬) সালে তাঁর জন্ম। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাতা। কিন্তু তাঁর নামটি ঢাকা পড়ে গেছে মারাঠি দাদা সাহেব ফালকের নামের নিচে। দাদা সাহেব ফালকে ১৯১৩ সালে রাজা হরিশচন্দ্র নির্মাণ করেন। এটিকে উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনী চিত্র (নির্বাক) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাঙালি
হীরালাল সেন তারও আগে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের সাথে সংযুক্ত ছিলেন। দুর্ভাগ্যবশতঃ তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন দেশেই স্বীকৃতি পান নি। বাংলাদেশে তাকে ভাবা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের লোক হিসেবে। আর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও মারাঠি অধ্যুষিত মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তাঁকে পশ্চিমবঙ্গীয় অর্থাৎ বাঙালি বলে স্বীকৃতি দিতে উপেক্ষা করেছে। এবং পশ্চিমবঙ্গ তাঁকে অবহেলা করেছে পূর্ববঙ্গের লোক বলে। অথচ পূর্ববঙ্গে জন্ম হলেও হীরালালের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে অর্থাৎ কলকাতায়। বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ উপলক্ষে ২০১৮ সালের কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে সে পোস্টারের ওপর দিকে বড় করে দাদাসাহেব ফালকের ছবি এবং নিচে এককোণে ছোট করে হীরালাল সেনের ছবি ছাপা হয়েছে যা রীতিমত অন্যায় ও অপমানজনক।
তেমনিভাবে বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে অর্থাৎ কলকাতায়। কিন্তু বাংলাদেশে বা ঢাকায় এ বিষয়ে ছিটেফোঁটা উল্লেখও কোথাও নেই। বাংলাদেশে ভাবা হচ্ছে, এ উদযাপনটি বোধ হয় কলকাতার, পশ্চিমবঙ্গের, ভারতের। যেহেতু বাংলা চলচ্চিত্রের এই শুভক্ষণটির সূচনা হয়েছিল কলকাতায়।
১৯১৯ সালের ৮ নভেম্বর কলকাতার কর্ন ওয়ালিশ থিয়েটারে মুক্তি পায় প্রথম বাংলা কাহিনী চিত্র ‘বিল্বমঙ্গল। নির্বাক এ ছবির পরিচালক ছিলেন জ্যোতিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রযোজক জে এফ ম্যাডান। অবশ্য বাংলা তথা উপমহাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাণের নান্দীমুখ ঘটে এর অনেক আগে। উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন আলী বাবা নাটকের মর্জিনা আবদাল্লার নৃত্য দৃশ্য চিত্রায়িত করে ১৯০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় প্রদর্শনের মাধ্যমে উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণের ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তবে এই প্রচেষ্টাকে বাংলা চলচ্চিত্র বলে অভিহিত করা যায় না এ কারণে, এটা ছিল কোন নাটকের অংশ বিশেষের দৃশ্যায়ন যাতে কোন সাবটাইটেলেরও প্রয়োজন ছিল না। সেদিক থেকে এ প্রয়াসকে উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ হিসেবে নিঃসন্দেহে চিহ্নিত করা যায়।
কিন্তু ১৯১৯ সালের ৮ নভেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত বিল্বমঙ্গল আনুষ্ঠানিক ও বাস্তবিক অর্থে প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র । অবিভক্ত বা যুক্ত বাংলার অংশ হিসেবে আমরা অবশ্যই এর উত্তরাধিকার দাবি করতে পারি। যে যুক্তিতে আমরা উভয়বঙ্গে নববর্ষ, রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করি, সেই একই যুক্তিতে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্মদিন পালন এবং শতবর্ষ উদযাপন করা অবশ্যই ঔচিত্যের মধ্যে পড়ে।
একশ বছরের বাংলা চলচ্চিত্রকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভৌগোলিক অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, যেটা এ উপমহাদেশের এবং পৃথিবীর অন্য কোন অঞ্চলের চলচ্চিত্রের বেলায় ঘটেনি। ১৯৪৭ এর বঙ্গভঙ্গ এবং ১৯৭১ এ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মতো দুটি যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছে এ ভূখণ্ডে। এর ফলে বাংলা চলচ্চিত্র অর্জন করেছে আন্তর্জাতিকতা। দুই বাংলাতে আবির্ভূত হয়েছেন অনেক প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা। সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃনাল সেন, তপন সিংহ, জহির রায়হান, আলমগীর কবিরের নাম যেখানে অগ্রগণ্য। এই বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র এবং কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এক সময় পুরো উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে নেতৃত্ব দিয়েছে। সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালী বাংলা সিনেমার সাথে সাথে উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে সারাবিশ্বের কাছে পরিচিত করেছে সম্মানের সঙ্গে। বিশ্ব চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায় ও ঋত্বিক ঘটককে অধিষ্ঠিত করেছে বাংলা সিনেমা। কথাটা উল্টোভাবেও বলা যা সচ্ছন্দে।
একটা সময় পর্যন্ত উভয় বাংলার মূলধারার চলচ্চিত্র হিন্দি উর্দু কিংবা অন্য ভাষার বিপরীতে সদম্ভে প্রতিযোগিতা করতে সমর্থ ছিল।
মূলধারার চলচ্চিত্রে উঠে এসেছেন অনেক মেধাবী কলাকুশলী। প্রচুর প্রেক্ষাগৃহ নির্মিত হয়েছিল বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। আজ এসব ইতিহাস হলেও ধীরে ধীরে উভয়প্রান্তে বাংলা সিনেমা আবার মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। দুই বাংলাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফিল্ম ইন্সটিটিউট। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও ফিল্ম এখন পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। এখান থেকে প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থীরা নানাভাবে সংযুক্ত হচ্ছেন বাংলা সিনেমায়। উভয় প্রান্তেই নতুন কয়েকটি মেধাবী প্রজন্মের আবির্ভাব ঘটেছে যারা তাদের মাতৃভাষার চলচ্চিত্র শিল্পের উৎকর্ষ ও উত্তরণ সাধনে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট। কলকাতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংবাৎসরিক ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব গত ২৪ বছর ধরে। বাংলাদেশেও দ্বিবার্ষিকভাবে আয়োজিত হয়। একটি চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে। যদিও এটা বাৎসরিকভাবে সরকারি আয়োজনে আয়োজিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে ঢাকায় দ্বিবার্ষিকভাবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের একটি নিয়মিত উৎসব আয়োজিত হয়ে আসছে বেসরকারি পর্যায়ে ১৯৮৭ সাল থেকে।
উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক বাংলাদেশের হীরালাল সেন লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত চলচ্চিত্র বিষয়ক কয়েকটি গ্রন্থে নিতান্ত সাধারণভাবে তাঁর কথা উল্লেখিত হয়েছে। কিন্তু সরকারি বেসরকারি কোনভাবেই তাঁকে নিয়ে কোন চর্চা পরিলক্ষিত হয় নি। সেদিক থেকে বলতে গেলে বাংলাদেশে তাঁকে নিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি চর্চা করা হয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ ও কয়েকটি গ্রন্থ। হীরালাল সেনকে দীর্ঘদিন পর প্রথম বাংলাদেশে পাদপ্রদীপের আলোতে নিয়ে আসেন অনুপম হায়াত অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। এরপর বিস্তৃতভাবে হীরালালকে নিয়ে তথ্যনিষ্ঠ গবেষণালব্ধ দীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় মুহম্মদ খসরু সম্পাদিত ধ্রুপদী পত্রিকায়। এক্ষেত্রে মুহম্মদ খসরুর আগ্রহ ও আন্তরিকতার বিষয়টি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়। কারণ ধ্রুপদীর এই উদ্যোগই হীরালাল সেনকে চলচ্চিত্রানুরাগীদের কাছে কৌতূহলী করে তোলে। পরবর্তীকালে তাঁকে নিয়ে আরো গবেষণাধর্মী কাজ করেছেন ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। সব মিলিয়ে হীরালাল সেন এখন আর বিস্মৃতিতে নেই। অনেকটাই পরিচিত হয়ে উঠেছেন। আর সে কারণে ভারতের কেন্দ্রীয় পর্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পর্যায়ে দাবি উঠেছে তাঁর নামাঙ্কিত শীর্ষ কোন চলচ্চিত্র সম্মাননা প্রদানের। একই দাবি উঠেছে বাংলাদেশেও। তবে বাংলাদেশের জন্যে এ দাবি অধিক যুক্তিযুক্ত। কারণ তিনি বাংলাদেশের সন্তান। কলকাতা তখন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী ও প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল বলে তাঁকে কাজ করতে হয়েছে সেখানে। তবে তিনি সে সময়ে বাংলার প্রত্যন্ত প্রান্তে যেমন ভোলায় পর্যন্ত তাঁর চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী করে বেড়িয়েছেন। চলচ্চিত্রের জন্য সর্বস্ব পণ করেছিলেন এই যুগদ্রষ্টা চলচ্চিত্রপ্রেমী।
১৮৯৮ সালে হীরালাল সেন চলচ্চিত্র নির্মাণের ও প্রদর্শনের জন্য রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। এটি উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান। ১৮৯৮ সালের ৪ এপ্রিল কলকাতার ক্লাসিক থিয়েটারে তিনি উপমহাদেশের সাধারণ দর্শকদের সামনে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন। এরপর ১৭ এপ্রিল ঢাকার ইসলামপুরে ক্রাউন থিয়েটারে পূর্ববঙ্গে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন। অল্পদিনের মধ্যেই তিনি সমগ্র বাংলা এবং বিহার, উড়িষ্যা ও আসামের বিভিন্ন শহরে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন। হীরালাল বিভিন্ন নাটকের খণ্ডাংশ, সার্কাস এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার দৃশ্যাবলী তুলে প্রদর্শন করতেন। বিজ্ঞানের ছাত্র হীরালালের আশৈশব আগ্রহ ছিল ক্যামেরার প্রতি। ১৯০৯ সালেই তিনি মানিকগঞ্জের বগজুড়ি গ্রামে নিজের বাড়িতে এইচ এল সেন এন্ড ব্রাদার্স নামে ফটোগ্রাফিক স্টুডিও স্থাপন করেন। তখন তাঁর বয়স ২২ বছর। ভাই মতিলালকেও সংযুক্ত করেছিলেন তাঁর সঙ্গে। হীরালাল সেনের শৈশব থেকেই ফটোগ্রাফিতে অসাধারণ দক্ষতা ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মান তিনি অর্জন করেছেন নিতান্ত কিশোর বয়সে। ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হীরালাল তাঁর ফটোগ্রাফি ও সিনেমার জন্য পিতামাতার অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়ে গেছেন। তবে ১৯১৩ সালে তিনি তাঁর ছোট ভাই মতিলালের নানা ছলচাতুরি ও প্রতারণায় অতিষ্ঠ হয়ে মতিলালের কাছে রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানির সর্বস্বত্ব ও সম্পদ ছেড়ে দেন। একজনের সঙ্গে একটি সিনেমা হল নির্মাণ করতে গিয়েও তিনি প্রতারণার শিকার হন। হীরালালের আর্থিক, মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটতে থাকে। আর্থিকভাবে তিনি চরম দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। চিকিৎসা করার সংগতিও তখন তাঁর নেই। ক্যামেরা ভাড়া দিয়ে, পোর্ট্রেট এঁকে অত্যন্ত কষ্টে জীবন ধারণ করতে হয়েছে শেষ দিনগুলোতে। ১৯১৩ সালে সেই চরম দৈন্য অবস্থাতে অসুস্থ শরীরে পূর্ণাঙ্গ আলীবাবা নাটকের চিত্রায়ন করে সেলুলয়েডে তুলি দিয়ে রঙিন করে ‘রঙিন আলীবাবা’ ছবি নির্মাণ করেন। তবে তা প্রদর্শন করতে পেরেছিলেন কিনা জানা যায় না।
১৯১৭ সালে হীরালালের ছোট ভাই মতিলালের কলকাতার রায়বাগানের বাড়িতে আগুন লাগে। এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানীর সংগৃহীত ও সংরক্ষিত সমস্ত নিদর্শন। যেসবের মধ্যে ছিল হীরালালের সব চলচ্চিত্র কর্ম। এই অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান মতিলালের কন্যা অমিয়বালা। মতিলালও ভেঙে পড়েন। আর ১৯১৭ সালের ২৯ অক্টোবর মতান্তরে ২৮ অক্টোবর চরম দারিদ্র্য ও অসুস্থতার মধ্যে দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন হীরালাল সেন, উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক।
কিন্তু হীরালাল সেন অবিনশ্বর হয়ে থাকবেন উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জগতে। যোগ্য স্বীকৃতি তিনি অবশ্যই পাবেন একদিন। তরুণ প্রজন্মও তাঁকে নতুন করে আবিষ্কার করছেন। তাঁকে নিয়ে কাহিনী চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তেমনি বাংলা চলচ্চিত্রও তার হারানো গৌরব আবার ফিরে পাবে অবধারিতভাবে। নিত্যনতুন প্রেক্ষাগৃহ আবারো গড়ে উঠবে। শিল্প যে সত্য সুন্দর অক্ষয়।

x