হীনম্মন্যতা কী জন্য?

পাবলিক বনাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নাদিম মাহমুদ

শনিবার , ১৩ এপ্রিল, ২০১৯ at ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
140

কয়েক বছর আগে আমি যখন জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে আসি, তখন আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে দেড় ডজন ভারতীয় শিক্ষার্থী, গবেষক পড়াশোনা করতেন। এদেরই একজন আমাদের ল্যাবরেটরিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন। একদিন দুপুরে একসাথে খেতে বসলাম। কথাচ্ছলে উনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, উনি ভারতের কোন্‌ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন! তিনি জানালেন ভারতের জনতা কলেজে মাইক্রোবাইলোজিতে মাস্টার্স শেষ করে, সেখানেই এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। আর পিএইচডির পর জাপানে পোস্ট ডক্টরাল করার সুযোগ পেয়েছিলেন।
কলেজের কথা শুনে তো আমার বুকে ধিকধিক শব্দ হয়েছিল। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, নয় কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, স্রেফ একটি কলেজে পড়াশোনা করেই জাপানে গবেষণা করতে এসেছেন!
যাই হোক পরবর্তীতে ওই ভদ্রলোক আমার এই ল্যাবে গবেষণা করে আমাদের গবেষণা এলাকার সবচেয়ে বড় জার্নাল ‘নেচার মেথড’ একটি বড় গবেষণাকর্ম প্রকাশ করেন। এরপর তিনি সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে ভারতের গোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
এটা গেল আমার ল্যাবের গল্প। কিন্তু গত সাড়ে চার বছরে এই রকম অন্তত ত্রিশ জন ভারতীয় এর সাথে চলাফেরা ও সহপাঠের সুযোগ হয়েছে। এই ত্রিশ জনের মধ্যে ২৫ জনের পড়াশোনা হয়েছে ভারতের কোনও কলেজে কিংবা কোনও কারিগরি কলেজে। ভারতে মাস্টার্স শেষ করে এরা কেউ এসেছেন জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে। আবার কেউ এসেছেন স্বীয় অধ্যাপকের গবেষণা ফান্ডের অধীনে। সবাই এরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনেক ভাল গবেষণা করছেন। কেউ কেউ এখানে পিএইচডি কিংবা মাস্টার্স শেষ করে পাড়ি জমিয়েছে ইউরোপ-আমেরিকায়।
হঠাৎ করে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের উদাহরণ টানার কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আমাদের দেশে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে চলে আসা আমাদের কথিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যাজয়ীদের সাথে আমাদের জাতীয় কলেজের শিক্ষার্থীদের মানসিক দ্বন্দ্ব আমাদের কতটা অন্ধকারে নিয়ে গেছে তা হয়তো কেউ লক্ষ্যই করেননি।
আমাদের দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেমন কলেজের শিক্ষার্থীদের সমকক্ষতার চোখে দেখে না, তেমনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজে অধ্যয়নরত দেশের বৃহৎ শিক্ষার্থী গোষ্ঠী নিজেরাও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমীহ করে চলে। তারা ভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাদের চেয়ে অনেক মেধাবী।
ভর্তি-পরীক্ষায় হয়তো ০.০২৫ অথবা ০.৫ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে এক ধরনের হীনম্মন্যতায় ভুগে নিজের মেধাকে নিজেই অবমূল্যায়ন করতে শেখা এইসব শিক্ষার্থী পরিবার ও সমাজের গ্লানির কারণ হয়ে যাচ্ছে।
আমাদের দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ নেয়া লাখ শিক্ষার্থী মনে করেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আহা মরি শিখানো হয়, যার দরুন তারা অনেক মেধাবী। এভাবে চলতে চলতে তারা এক সময় মনে প্রাণে ধারণ করে, তাদের স্থান নিচে। তারা ইচ্ছে করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টপকিয়ে যেতে পারে না।
এতো কিছু বলার একটায় কারণ, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পাবলিক/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলে আসা বৈষম্যময় ভাবনায় আমাদের কিছুটা হলেও ভাবিয়ে তুলছে। কিন্তু কেন? কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই তফাৎ কেন? কেন আমরা মনে করতে শুরু করছি, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরায় সব মেধাবী? তাদেরকে অগ্রজ মনে করে চলা আমাদের বৃহৎ এই শিক্ষার্থী সমাজ নিজেদের কেন আড়াল করছে?
আভিধানিক অর্থে এই দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানে চার বছর মেয়াদী স্নাতক পড়ানো হচ্ছে। স্নাতকোত্তর পড়ানো হচ্ছে। বরং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গৎবাধা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া প্রশ্নেপত্রের জন্য যতটা পরিশ্রম করে তার চেয়ে অনেক সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি পড়াশোনা করেন। তাহলে আমরা কেন তাদের পড়াশুনার মান ও সনদে ভেদাভেদ তৈরি করি?
হয়তো অনেককে মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক গবেষণা করার সুযোগ মেলে। বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে পাঠ নেয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে কী তাই?
এই ধরুন, একজন শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করতে যেভাবে পড়াশুনা করেন, অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়া শিক্ষার্থীরাও তাই করেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার যে সঙ্কীর্ণতা তৈরি হয়েছে, সেই পাতে বসালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে পড়াশোনার হাল হকিকত আসলে একই।
তবে একটা তো মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। তা হলো, উচ্চশিক্ষা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা দেশে বিদেশে যেভাবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করে, সেই খাতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিষ্ট হওয়ার মতই অবস্থা।
এইসব নিয়ে আলোচনা করার একটি কারণ হলো আমাদের দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা সাড়ে ৭০০ কলেজের প্রায় ত্রিশ লাখ ছেলেমেয়ে পড়াশোনার দৌড় কেবল স্নাতকোত্তর পর্যন্ত থাকছে। সেখান থেকে কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন হাজারও শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃতরা বেশিরভাগই কখনো দেশের বাইরে পিএইচডি/মাস্টার্স করতে আসবেন, স্কলারশিপ নিয়ে গবেষণা করবেন এমন মাইন্ডসেট রাখেন না। কিন্তু কেন আমরা এই মাইন্ডসেট থেকে বের হতে পারি না?
কারণ, খোদ বিশ্ববিদ্যালয় দেখানোর দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনই বলছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ এবং তাদের গুণগত মান আশানুরূপ নয়। ইউজিসি তাহলে কী মনে করেন, দেশের ৪৩ টি স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আর শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তরের মান কী সন্তোষজনক?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ কোর্সই বাংলা ভাষাভাষি, আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনভাগই ইংরেজি কারিকুলামে হওয়ার দরুন দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মানের কিছুটা পার্থক্য তৈরি হয়। কিন্তু কেন তা হবে?
স্নাতক পর্যায়ে বিশ্বের অনেক দেশে মাতৃভাষায় পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হয়। এই যে জাপান, সেখানে বিজ্ঞানের কিংবা প্রকৌশলের সব ধরনের শিক্ষায় দেওয়া হচ্ছে জাপানি ভাষায়। তাহলে কী এই দেশে শিক্ষার মান নিয়ে কেউ কথা বলছে?
ভাষা যেটাই হোক, আত্মস্থ পাঠই হলো আসল কথা। বুঝতে পারাটাই হলো শিক্ষার বড় মান। কিন্তু আমরা সেই মান মানতে রাজি নই। আমরা মনে করছি, ইংরেজি হলে তার মান অনেক বেশি। কিন্তু এইটুকু ভাবছি না, এই ইংরেজিতে সিলেবাস করা পাঠ কতজনই বা সঠিকভাবে পড়ছেন? আর এই মান নির্ণয়ে দায়-দায়িত্ব নিয়ে মঞ্জুরি কমিশন পার পেয়ে গেলেও দেশে বৃহৎ শিক্ষিত গোষ্ঠির কাছে প্রকৃত শিক্ষার উদ্দেশ্যে তুলে ধরার দায়িত্ব কে নেবে?
এই যে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড কলেজে যে পাঠ দেয়া হচ্ছে, তার মধ্যে পার্থক্য কতটুকু জানেন? জিরো। এদের আলাদা আলাদা ভর্তি পদ্ধতি, ফ্যাকাল্টি থাকলেও কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পড়াশোনার মান নিয়ে পার্থক্য বা প্রশ্ন তোলা অবান্তর বটে। যদি সেটা হতো তাহলে, আমাদের প্রতিবেশী দেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থীর দেশের বাইরে, মাস্টার্স, পিএইচডি কিংবা গবেষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ মিলছে কীসের ভিত্তিতে? প্রায় প্রতিদিন নামকরা জার্নালগুলোতে যে প্রকাশনাগুলো প্রকাশ হচ্ছে, সেইসবের একটি বড় অংশের অথর ভারতের কলেজগুলো থেকে পাস করেছেন। হ্যাঁ আমাদের প্রচলিত শেকলে শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থা এটা তৈরি করছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক পাঠদান করেন, তার একটি বড় অংশ সরাসরি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন। বিসিএস দিয়ে সরকারি কলেজে শিক্ষকতার সুযোগে তারা দেশের বৃহৎ শিক্ষার্থী গোষ্ঠীদের পড়াশোনার দায়িত্বভার নিয়েছেন।
তাহলে কী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালেয় আহামরি গবেষণা হচ্ছে? সরকারি কলেজে যে শিক্ষক বিসিএস ক্যাডার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন, তারচেয়ে সহজপন্থায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষকতার সুযোগ পাচ্ছেন। গবেষণার ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো লামছাম করলেও তা নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়। অথচ ভারতে কোনও কলেজের শিক্ষক হতে হলে আপনাকে পিএইচডি ডিগ্রি থাকতেই হবে। শুধু পিএইচডি ডিগ্রি-ই নয়, ভাল ভাল গবেষণাপত্র থাকা চাই। তা না হলে আপনি এইসব কলেজে পড়ানোর কোনও যোগ্যতা রাখেন না। অথচ আমাদের দেশে পাবলিক কিংবা সরকারি কলেজে শিক্ষক হওয়ার জন্য এ দুই যোগ্যতার কোনটিই প্রয়োজন পড়ে না। মাস্টার্স শেষ করে মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের পড়ানোর গুরু দায়িত্বটা বুঝি বাংলাদেশের শিক্ষকরাই পাচ্ছেন। অদ্ভুত শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থার খেসারত দিচ্ছে আমাদের ছেলে-মেয়েদের।
যে কারণে ভারতের কলেজ পড়ুয়ারা সারা বিশ্ব চষে বেড়ালেও আমাদের দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেই দৌড়ে পিছিয়ে আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলোর কথা তো বাদই দিলাম। রং পরিবর্তনে ট্রাইটেশন করার মতো ব্যবহারিক শিক্ষা নিয়ে যখন আমাদের ছেলে-মেয়েরা স্নাতকোত্তর শেষ করছে, তখন ভারতের কলেজের ছেলে মেয়েরা গবেষণাপত্র জার্নালে প্রকাশ করে নিজেদের সেরাটা দিয়ে দিচ্ছে। অথচ আমাদের দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজের শিক্ষার্থীরা জার্নাল কী- সেটাই অনুধাবন করতে পারে না। করবেই বা কেন, এদের যারা পড়াচ্ছেন, তারাই তো শিক্ষার্থীদের জার্নাল বিষয়ক ধারণাই দেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন জার্নাল সাবস্ক্রাইব করার ইচ্ছে পোষণ করে না। রাজনীতিতে মাতামাতি করে, শিক্ষার যে কখন বারোটা বেজে চলছে তা দেখার সময় কোথায়! তাহলে কি পরিবর্তন আসবে না? অবশ্যই আসবে। আমাদেরকে সেই পরিবর্তন আনতেই হবে। ভারত যদি কলেজে স্নাতক পড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য তৈরি না করে, তাহলে আমরা কেন পারবো না? স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক দ্বন্দ্ব তো আর চলতে দেয়া যেতে পারে না।
আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রান্তিক ডিগ্রি’ গণ্য করার মানসিকতা থেকে বের হতে হবে। এখান ছেলে-মেয়েরাও দেশের বাহিরে নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পেতে পারে, তার ক্ষেত্র আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে। দেশের বাহিরের অধ্যাপকরা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েট করার মধ্যে যেমন পার্থক্য তৈরি করে না, ঠিক তেমনি আমাদের ছেলে-মেয়েদেরও সেই মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। বিসিএস ক্যাডার হলেই কলেজের স্নাতক/স্নাতকোত্তর কিংবা মাস্টার্স শেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার নিয়ম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গবেষণার ন্যূনতম অভিজ্ঞতা না থাকলে সেটা দিয়ে উচ্চশিক্ষার পাঠদান অসাড় হবে বৈকি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করে কেউ পানিতে পরে যায়নি। তাদেরকে মনে করতে হবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেসব সুযোগ সুবিধা নিয়ে দেশের বাহিরে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, ঠিক তেমনি সুযোগ সুবিধা তাদেরও রয়েছে। স্বীয় হীনম্মন্যতার জাল কেটে আলো নিয়ে আসার দায়িত্ব শুধু শিক্ষার্থীর নয়, এই দায়িত্ব, শিক্ষক, ইউজিসি তথা সরকারের নীতি নির্ধারকেরও। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এই এগিয়ে যাওয়ার মিছিলে বৃহৎ জনগোষ্ঠি এগিয়ে আসুক এই কামনা করি।

সৌজন্যে : বিডিনিউজ

x