হারের বেদনায় যেন নীল বাংলাদেশের যুবারা

শুক্রবার , ৫ অক্টোবর, ২০১৮ at ৬:০২ পূর্বাহ্ণ
35

নিজেদের মাঠে খেলা। দলটিও বেশ লম্বা সময় ধরে অনুশীলন করছে একসাথে। যাদেরকে গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্বকাপের জন্য। তাইতো টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বাংলাদশ দলের অধিনায়কের লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ম্যাচ জিতে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু সেটা আর হলোনা। থামতে হলো বাংলাদেশকে। আর তাও আবার সেই ভারতের কাছে একেবারে তীরে এসে তরী ডুবিয়ে। তাইতো এমন হার কোন মতেই মেনে নিতে পারছিলনা বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা। ম্যাচ শেষে কথা বলতে বলতে ভেঙে পড়ছিলেন কান্নায়। খানিক আগেই এমন একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে, যেটা জাতীয় দলে নিয়মিতই হয়ে গেছে মাশরাফিদের জন্য। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য তো সেটি আর নিয়মিত নয়। ম্যাচ শেষ করে আসতে না পারায় সংবাদ সম্মেলনে তাই চোখের জল আটকাতে পারলেন না শামীম হোসেন পাটোয়ারী। নিজেদের মাঠে ম্যাচ, গ্র্যান্ড স্টান্ড থেকে দর্শকেরা তুমুল সমর্থন দিয়ে গেছেন ঘরের ছেলেদের। ঢোল পিটিয়ে, বাংলাদেশ বাংলাদেশ চিৎকারে অনেক দিন পর মুখর হলো মিরপুর।
সেই উৎসাহে বাংলাদেশ একটা সময় ভালোভাবেই জিতে যাবে বলে মনে হচ্ছিল। শেষ ১৫ ওভারেও যখন দরকার ৩৪ রান, হাতে আছে ৫ উইকেট। সবচেয়ে বড় কথা, শামীম হোসেন তখন ক্রিজে অনেকটাই থিতু। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু আত্মহত্যার। শেষ পর্যন্ত জয় থেকে মাত্র দুই রানে দূরে থেকে রান আউট হয়ে গেলেন শেষ ব্যাটসম্যান, ভারতের কাছে দুই রানে হেরে গেল বাংলাদেশ। বড়দের পর ছোটদের ক্রিকেটেও ভারত একটা দুঃস্বপ্ন হয়ে রইল বাংলাদেশের জন্য। এমন একটা ম্যাচ শেষে আসলে সান্ত্বনা দেওয়ারও কিছু থাকে না। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক শামীম আজও ৫৯ রানের ইনিংসে দলকে জিতিয়ে দেবেন বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু আউট হয়ে যাওয়ায় সেটা আর পারলেন না। সেটা নিয়ে আক্ষেপ করতে করতে চোখের জল আটকাতে পারলেন না অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই ব্যাটসম্যান, এমন হারের কষ্টটা তো বলে বুঝানো যাবে না। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম ম্যাচটা শেষ করে আসার।

x