হঠাৎ বেড়েছে খাদ্যশস্য আমদানির এলসি খোলার হার

মঙ্গলবার , ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
113

খাদ্যশস্য আমদানির এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার হার হঠাৎ বেড়ে গেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে গত জুলাই মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ১৫২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সমপ্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে বিদেশ থেকে ৬ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এলসি খোলা হয়েছে ১৭ কোটি ৮ লাখ ডলারের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ বাড়লেও এলসি নিষ্পত্তির হার ৪০ শতাংশ কমেছে। এই বছরের জুলাই মাসের তুলনায় আগের বছরের জুলাই মাসে এলসি নিষ্পত্তির হার কমেছে ৪০ দশমিক ২৩ শতাংশ। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ১৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। জুলাই মাসে খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি খোলার হার বাড়লেও এ সময়ে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। শুধু তাই নয়, গত জুন পর্যন্ত সার্বিক আমদানির বাণিজ্য নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, গত জুন মাসে আমদানি বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর আগের মাস মে মাসেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। গত এপ্রিল মাসে আমদানি বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। এর আগে, মার্চে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি মাত্র ১ শতাংশে আটকে ছিল। আর গত ফেব্রুয়ারিতে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ। গত জুন মাসে আমদানিতে শুধু নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে তা-ই নয়, আমদানির পরিমাণও কমে গেছে। ২০১৮ সালের জুনে আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৪২৫ কোটি ৭২ লাখ ডলার। ২০১৯ সালের জুনে আমদানি ব্যয় হয়েছে ৩৮৮ কোটি ১২ লাখ ডলার।

x