স্নানঘরের সৌন্দর্য

তানিয়া মুজিব

রবিবার , ১৩ মে, ২০১৮ at ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
45

স্নানঘরের কোণায় কোণায় ময়লা জমে থাকলে তা
থেকে ছড়াতে পারে রোগজীবাণু। রোগের বীজ। ফলে ঘরের মানুষ, বিশেষ করে ছোট্ট শিশুরা হয়ে উঠতে পারে অসুস্থ।

ছোট কিংবা বড় যেকোনো স্নানঘরই হতে হবে ঝকঝকে-তকতকে। তবেই না আপনার রুচিশীল মনের পরিচয় পাওয়া যাবে। আর একে সাজিয়ে রাখলে আপনার স্নানঘর হয়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন। যদি স্যাঁতস্যাঁতে স্নানঘর হয় তবে তো সেটা হবে রোগজীবাণুর ঘরবসতি। স্নানঘরের কোণায় কোণায় ময়লা জমে থাকলে তা থেকে ছড়াতে পারে রোগজীবাণু। রোগের বীজ। ফলে ঘরের মানুষ, বিশেষ করে ছোট্ট শিশুরা হয়ে উঠতে পারে অসুস্থ। কোনোভাবেই তাই স্নানঘর অপরিষ্কার রাখা যাবে না। আবার এমনভাবে ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না, যাতে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই স্নানঘর রাখতে হবে পরিচ্ছন্ন যেন পরিবারের সবাই সুস্থ স্বাভাবিক জীবাণুমুক্ত থাকতে পারে। পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে স্নানঘর।
প্রায় প্রতিদিনই স্নানঘর পরিষ্কার করতে হবে। সময় না পেলে সপ্তাহে অন্তত দু-তিনবার পরিষ্কার করা ভালো।
বেসিন পরিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রথমে বেসিনে পরিষ্কারক গুঁড়া সাবান ছিটিয়ে দিতে হবে। তারপর গ্রিন প্যাড দিয়ে পরিষ্কার করে মাজতে হয় বেসিনের প্রতিটি কোণা, যেন কোথাও অপরিষ্কার না থাকে। বেসিনের আয়না কাচ পরিষ্কারক দিয়ে মুছতে হবে।
অনেক সময় হাত-মুখ ধুতে গেলে বেসিনের পাশে পানি পড়ে ভিজে যায়, তাই ভিজে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাস্টার (পরিষ্কার সাদা কাপড়) ভিজিয়ে মুছে ফেলতে হবে। মোছার পর ডাস্টারটা শুকাতে দিতে হবে।
স্নানঘরের মেঝে পরিষ্কারের বেলায় একটা বালতিতে দুই লিটার পানি নিয়ে সেটায় এক কাপ তরল পরিষ্কারক মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর সেটায় মপ ভিজিয়ে নিয়ে মেঝে পরিষ্কার করা হয়।

x