স্থলজ বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখতে পারে বিএফআরআই

এসডিজি বাস্তবায়ন ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে কর্মশালায় বক্তব্য

শুক্রবার , ১১ অক্টোবর, ২০১৯ at ৫:২১ পূর্বাহ্ণ
8

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএফআরআই) ‘এসডিজিস ইমপ্লিমেন্টেশন ইন সার্ক কান্ট্রিজ : ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক কর্মশালা গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএফআরআইয়ের পরিচালক ড. মো. মাসুদুর রহমান।
বিভাগীয় কর্মকর্তা ও এসডিজি ফোকাল পয়েন্ট ড. রফিকুল হায়দারের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এর সাবেক ঊর্ধ্বতন কারিগরী কর্মকর্তা ড. সুভাস কান্তি দাসগুপ্ত। তিনি তাঁর প্রবন্ধে এসডিজির প্রেক্ষাপট এবং বর্তমান অবস্থা ও এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে করণীয় সম্পর্কে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করেন। এসডিজিকে পাঁচটি পি অর্থাৎ পিপল, প্লানেট, প্রোসপারিটি, পিস এবং পার্টনারশিপের মাধ্যমে ব্যাখা করেন।
তিনি বলেন, এসডিজির ১৭টি অভিষ্ট আছে, যার লক্ষ্যমাত্রা ১৬৯টি এবং সূচক ২৩০টি। বিএফআরআই যেহেতেু দেশের বন বিষয়ক গবেষণার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান, তাই এসডিজির ১৫ নম্বর অভিষ্ট ‘লাইফ অন ল্যান্ড’ বা ‘স্থলজ জীবন’ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কাজ করার সুযোগ বেশি। স্থলজ বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং টেকসই ব্যবহারে পৃষ্ঠপোষকতা, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, ভূমির অবক্ষয় রোধ ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারে। ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেন, বিএফআরআইয়ের গবেষণামূলক স্টাডিগুলো গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বদাই টেকসই পরিবেশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিএফআরআইয়ের মো. জিল্লুর রহমান, মো. জুনায়েদ, শামীমা নাসরীন, মো. জহিরুল আলম, ড. মো. মাহবুবুর রহমান ও ড. হাসিনা মরিয়ম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x