স্ত্রী-পুত্রসহ মোরশেদ খানকে দুদকে তলব

শুক্রবার , ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ at ৩:২০ পূর্বাহ্ণ
121

সিটিসেলের নামে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বিএনপি নেতা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে তাকে উপস্থিত হতে গতকাল বৃহস্পতিবার নোটিস পাঠিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ১৮ সেপ্টেম্বর মোরশেদ খানের সঙ্গে তার স্ত্রী নাসরিন খানকেও তলব করা হয়েছে। মোরশেদ খানের পাশাপাশি আরেকটি মামলায় তার ছেলেকেও ২০ সেপ্টেম্বর তলব করা হয়েছে বলে জানান প্রণব। খবর বিডিনিউজের।

ফয়সাল মোরশেদ খানকে তলব করা হয়েছে ২০১৩ সালে গুলশান থানার দায়ের অর্থ পাচারের একটি মামলায়; এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৮ জুন ঢাকার বনানী থানায় করা এই মামলায় মোরশেদ খানের স্ত্রী নাসরিন খান, সিটিসেলের এমডি মেহবুব চৌধুরীসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া সিটিসেলের মূল কোম্পানির নাম প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিটিএল)। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান এর চেয়ারম্যান, তার স্ত্রী নাসরিন খান একজন পরিচালক। সিটিসিলের একতৃতীয়াংশের মালিকানা মোরশেদ খানের প্যাসিফিক মটরস লিমিটেডের। মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সিটিসেলের নামে এ বি ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ করা হয় মামলায়। মোরশেদ খান এ বি ব্যাংকেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

জাপার হাওলাদারকে তলব ঃ

সরকারি সম্পদ আত্মসাতের মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে গতকাল বৃহস্পতিবার অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ নোটিস পাঠিয়েছেন। প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি আমলা ও আদালতে উৎকোচ প্রদান এবং সরকারি সম্পদ আত্মসাতের মাধ্যমে শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজউকের একাধিক প্লটের মালিকও হাওলাদার হয়েছেন বলে দুদকে অভিযোগ এসেছে। দুদক কর্মকর্তারা বলেন, জাতীয় পার্টি সরকারের অংশীদার হওয়ার সুযোগ নিয়ে হাওলাদার বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন বলেও অভিযোগ পেয়েছেন তারা।

x