সুমন বিশ্বাসের আবৃত্তি সন্ধ্যা

আনন্দন প্রতিবেদন

বৃহস্পতিবার , ২১ মার্চ, ২০১৯ at ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
24

গত ৮ মার্চ নগরীর টিআইসি মিলনায়তনে সুমন বিশ্বাসের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। শিল্পী তার পুরো এ আয়োজন বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী রণজিৎ রক্ষিতের স্মরণে উৎসর্গ করেছেন, যেখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ দাশ, নির্মলেন্দু গুণ, আবুল মোমেন, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, রাশেদ রউফের কবিতার ভিন্ন আঙ্গিকের যাপিত জীবনের নানাবিধ দিক উঠে এসেছে। শুরুতে আবৃত্তি উঠে আসে সহশিল্পী সৃজন রায় ও অনিন্দিতা সেনগুপ্ত মুমুর সঙ্গতে। এরপর গুরুবন্দনায় অনুষ্ঠানের সূচনা। তিনি হরিপদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুবন্দনা ‘কখন পশিলে হৃদয়ে আমার’, রবীন্দ্রনাথের ‘মিলন’ ও ‘ছিন্নাপত্রাবলী ০১’ পরিবেশন করেন। এরপর সময়ের পরম্পরায় কবি অপূর্ব দত্তের দুই বাংলা, নজরুলের মানুষ, জীবনানন্দের এই পৃথিবীতে এক, শুভ দাশগুপ্তর শ্রীচরণেষু নেতৃবৃন্দ, রাশেদ রউফের ধানের গানে প্রাণের বাঁশি, নির্মলেন্দু গুণের অগ্নিসঙ্গম, আবুল মোমেনের ব্যাপ্তি, বিশ্বজিৎ চৌধুরীর দেবী, সোহেল আনোয়ারের যখন আমি কবি ছিলাম এবং পণ্ডিত বিরজু মহারাজের কবিত্ব পরিবেশন করেন তিনি। নারী দিবস উপলক্ষে সুধীর চক্রবর্তীর মেয়েলি বচনের সামপ্রতিক প্রবন্ধের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানের দ্বার প্রসারিত হতে থাকে। পুরো আয়োজনে আবৃত্তিশিল্পী সুমন বিশ্বাস কবিতা ছাড়াও কখনো ছড়া, নাট্যসংগীত, নৃত্যবোল, কখনো চিঠি, কথিকা ও আত্মবচন পরিবেশ করেন। মূল আয়োজনের শুরুতে কথামালায় কবি আবুল মোমেন বলেন, কারো যদি সুচিন্তিত কথা বলার ইচ্ছে জাগে বা একটু সুন্দর করে গুছিয়ে বলার মুহূর্তকে বিশেষভাবে আগ্রহের উপস্থাপনে জন্য অন্যের কাছে তা বোধগম্য করতে একজন আবৃত্তিশিল্পীর সে দিকটা শোভনময় করে তোলেন।

x