সিআইইউতে থিসিস প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান

রবিবার , ৬ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
168

একজন গবেষকের অনুসন্ধানী চোখ নাকি বাইফোকাল মাইন্ডের মতো। চশমার কাচের নিচের স্তর দিয়ে দূরের তথ্যের জ্ঞানের ভাণ্ডারে সহজে ঢুকে পড়া যায়। গবেষণা মানেই নতুন কিছু। তথ্যে ঠাসা চমৎকার সব উদাহরণ।
আয়োজনটি ছিল ক্লাস কার্যক্রমের অংশ। কিন্তু কে জানতো চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি(সিআইইউ)-এর ইংরেজি বিভাগের ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং শাখার এমএ শিক্ষার্থীদের থিসিস উপস্থাপন অনুষ্ঠানটি হাজির করবে ভবিষ্যৎ গবেষকদের!
সম্প্রতি নগরীর জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠানের। এতে সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থী তাদের গবেষণাকৃত থিসিস পেপারটি তুলে ধরেন।
তারা হলেন এ কে এম নাসিম উদ্দিন, মো. মাহফুজুর রহমান খান, মো. নজরুল ইসলাম ও জুবাইদা রিজভী। তাদের সুপারভাইজার হিসেবে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রুকন উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে স্কুল অভ লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ‘একদিকে যোগাযোগ দক্ষতা, অন্যদিকে বিশ্লেষণী মনোভাব। এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটিয়ে অজানা তথ্য তুলে ধরতে হবে সবার কাছে।’
ইংরেজি বিভাগের প্রধান সার্মেন রড্রিক্স বলেন, ‘থিসিস পেপার উপস্থাপনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা ও তাদের জ্ঞানের পরিসর যাচাই করার সুযোগ পেয়ে থাকি।’
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং বা ইএলটি শাখার মোট ৩টি ব্যাচ অধ্যয়ন করেছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফাত তাসনীম, মো. সাইফুর রহমান, লেকচারার শাকিলা মোস্তাক, মো. রিফাত আহমেদ, নাসিহ উল ওয়াদুদ আলম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সরকার কামরুল মামুন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং শাখার থিসিস শিক্ষার্থীরা সূক্ষ্মতিসূক্ষ্মভাবে নিজেদের গবেষণা কর্ম তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এ কে এম নাসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি কাজ করেছি শিক্ষার্থীদের ক্লাস উপস্থিতির ইতিবাচক দিক নিয়ে। একজন ছাত্র প্রতিদিন ক্লাসে উপস্থিত হলে কীভাবে বদলে যায় তার ফলাফল তা-ই দেখিয়েছি।’
মো. মাহফুজুর রহমান খান বলেন, ‘আমার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু ছিলো কীভাবে ফেসবুক কাজে লাগিয়ে আইইএলটিএসে ভালো মানের রচনা লেখা যায়। চেষ্টা করেছি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরতে।’
মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলা মাধ্যমের ছেলে মেয়েরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পায়। অথচ একটু মনোযোগী হলে ছন্দে ছন্দে এই ভাষায় তারা দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে পারে।’
জুবাইদা রিজভী বলেন, ‘ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ প্রাইভেটমুখী। অথচ এই প্রবনতা কমিয়ে আনা যায় খুব সহজে।’

- Advertistment -