সমুদ্রে মাছ আহরণের নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করার দাবি

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের বিবৃতি

বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন, ২০১৯ at ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ
18

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্যপরিষদ চট্টগ্রাম জেলা নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জেলেদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলেরা অত্যন্ত গরীব এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। সাগর থেকে মাছ আহরণ করে এবং তা বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। সাধারণত জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাসকে মাছ আহরণের জন্য ভরা মৌসুম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাই জেলেরা এই তিন মাস মাছ ধরার অপেক্ষায় করতে থাকেন। কারণ এই সময় ইলিশ ধরারও মৌসুম। এই সময়ের আয় থেকে জেলেরা সারা বছর চলার মত সঞ্চয় করেন। তাই জেলেদের আয় রোজগারের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাদের মতামত না নিয়ে এবং কোন বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ করে ৬৫ দিন মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি অমানবিক এবং অবিবেচনা প্রসূত হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জেলে সমপ্রদায়ের সাথে আলোচনায় বসে ৬৫ দিনের পরিবর্তে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞার সময় নতুন করে নির্ধারণের দাবি জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) সমন্বয়ক ও টি ইউ সি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয় শ্রমিক লীগের শফর আলী, জাতিয়তাবাদী শ্রমিক দলের এ এম নাজিম উদ্দিন, দিদারুল আলম, কাজী আলতাফ হোসেন, মো. জাহেদ উদ্দিন শাহীন, আনোয়ারুল হক হনি, নূরুল আবসার ভূঁইয়া, আলতাফ হোসেন, মহিন উদ্দিন, মমিনুল ইসলাম এবং বোধিপাল বড়ুয়া প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x