সদারঙ্গের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠান

আনন্দন প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার , ২৩ মে, ২০১৯ at ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
19

দীর্ঘ বাইশ বছর। একটি অলাভজনক সাংস্কৃতিক সংগঠনের এতদিন টিকে থাকা সত্যিই অবাক করার মতো বিষয়। তাও আবার শুধুমাত্র উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত বিষয়টাকে সঙ্গী করে কণ্টকাকীর্ণ পথচলা। দেশে এ রকম উদাহরণ দ্বিতীয়টি নেই। শুধুমাত্র সদারঙ্গের পরিচালনা পরিষদ সদস্যদের চাঁদাকে অবলম্বন করেই দীর্ঘ পথচলা। তার মধ্যে নিয়মিত দ্বিমাসিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। যাতে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের পাশাপাশি নতুন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণ একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। বাৎসরিক সম্মেলনগুলোতে শিল্পীদের সম্মানী প্রদান করা দেশে সদারঙ্গ প্রথম শুরু করে। বাংলাদেশে শুধুমাত্র উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত বিষয়ক নিয়মিত প্রকাশনা সদারঙ্গের ‘সুরশৃঙ্গার’। এছাড়া নতুন শ্রোতা তৈরির আয়োজনগুলো শুধুমাত্র চট্টগ্রামে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশব্যাপী ছড়িয়েছে সদারঙ্গ। এর ফলে ইদানীং নতুন আরো কিছু সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। উপরোক্ত বিষয়গুলো আলোচিত হলো গত ২৬ এপ্রিল ২০১৯ থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম-এ আয়োজিত সদারঙ্গের দ্বিমাসিক অনুষ্ঠানে। সদারঙ্গের প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত স্বর্ণময় চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, প্রফেসর তপন জ্যোতি বড়ুয়া, প্রফেসর ড. রাশিদা খানম প্রমুখ।
দ্বিতীয় পর্ব উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠানে প্রথমে ইমন রাগে ত্রিতাল মধ্যলয়ে খেয়াল পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী আনন্দী সেন। আনন্দীর মতো শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণের সুযোগ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিক্ষার্থীদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। সহযোগী ছিলেন তবলায় শিল্পী সুরজিৎ সেন, হারমোনিয়ামে শিল্পী প্রমিত বড়ুয়া। এরপর ত্রিতালে তবলা লহড়া। পরিবেশন করেন শিল্পী রাজিব চক্রবর্তী। তাঁর পরিবেশনায় সাবলীল গতি এবং পরিচ্ছন্নতার ছাপ উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ পরিবেশনা সঙ্গীত শিল্পী কাবেরী সেনগুপ্তার বেহাগ রাগে খেয়াল পরিবেশনা। প্রথমে বিলম্বিত একতাল ও পরে ত্রিতাল মধ্যলয়ে খেয়াল পরিবেশনার পর তিনি একটি ঠুমরিও পরিবেশন করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন তবলায় সুরজিৎ সেন ও হারমোনিয়ামে মুহাম্মদ সাইদুল।

x