সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১১ জনকে আসামি করে মামলা, গ্রেপ্তার ৪

আজাদী প্রতিবেদন

শুক্রবার , ২১ ডিসেম্বর, ২০১৮ at ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
317

বন্দর থানা এলাকায় সাবেক দুই ছাত্রলীগ নেতার অনুসারীদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে এক যুবক খুন হয়েছে। তাকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকান্ডের শিকার হন মোহাম্মদ শাহেদ প্রকাশ রনি (২৮)। এই যুবককে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর থানা পুলিশ। গত বুধবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টায় নগরীর ৩৭ নম্বর মুনিরনগর ওয়ার্ডে এছাক কনটেনার ডিপোর পাশে রেললাইন সংলগ্ন টোল রোড এলাকায় এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- মোহাম্মদ রানা (২৯), মোহাম্মদ আলাউদ্দিন (৩৬), মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন (৩৫) ও মোহাম্মদ আজাদ (৩৩)। নিহত রনি স্থানীয় একটি দোকানের (টং দোকান) কর্মচারি, একইসাথে একটি ক্যাবল অপারেটর প্রতিষ্ঠানেও কর্মচারি হিসেবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন বন্দর থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ। এবিষয়ে ওসি আরো জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার দিকে মুন্সিপাড়া এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে দুই গ্রুপে মারামারি হয়। এরপর একপক্ষ রনিকে একা পেয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। তার বুকের দুইপাশে এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোর্শেদ এবং দেবাশীষের অনুসারীদের মধ্যে রেষারেষির কারণে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রনি মোর্শেদের গ্রুপের সঙ্গে থাকত বলে জানা গেছে। তবে রনি কোনো রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল না বলে জানিয়েছেন ওসি।
‘রনি ওই এলাকায় ডিস সংযোগ যারা দেয় তাদের অধীনে কাজ করত। চায়ের দোকানেও সে কাজ করত। তার বাসা এনায়েত বাজার এলাকায়। তবে থাকত হালিশহরের রামপুরায়।
স্থানীয় আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, রনি যে টং দোকানে চাকরি করতেন ওই দোকানের মালিকের কাছে হত্যাকারীরা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু মালিক দোকানে না থাকায় রনিই হামলার টার্গেটে পরিণত হয়।
এঘটনায় ভিকটিমের মা হাসিনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে আসামি করা হয়েছে ১১ জনকে। আসামিরা তার ছেলেকে হত্যা করেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন তিনি।

x