শিশু-কিশোর সাহিত্যে শামসুর রাহমান

কাঞ্চনা চক্রবর্তী

শুক্রবার , ২৩ আগস্ট, ২০১৯ at ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ
40

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, শিশু সাহিত্যের মানসপুত্র ও আধুনিক বাংলা কবিতার অমর স্রষ্টা এবং নিজস্ব কাব্য সত্তার অধিকারী কবি শামসুর রাহমান (১৯২৯- ২০০৬)। বাংলা সাহিত্যে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরে এত বিপুল সংখ্যক কবিতা আর কেউ লেখেননি। বাংলা সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় কবি শামসুর রাহমান স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও আপন মহিমায় বিচরণ করেছেন।
সেই বৈশিষ্ট্যটি অতি স্বচ্ছ, সহজ আর সরল।যাতে নেই কোন দুর্বোধ্যতা। যার ফলে তিনি সকল পাঠকদের কাছে সমাদৃত হয়েছেন। এক পরম মমতায় তিনি সাহিত্যের রাজ্যের ছবি এঁকেছেন। যেখানেই হাত দিয়েছেন সেখানেই এঁকেছেন স্বপ্নের ছবি। যে ছবি দেশের মানুষের কথা বলে, সাম্যের কথা বলে আর স্বাধীনতার কথা বলে। তাই তাঁকে স্বাধীনতার কবিও বলা হয়।
কবি শামসুর রাহমান তাঁর কাব্যচর্চ্চার সাধনা করেছেন একাগ্র চিত্তে ও পরম নিষ্ঠা ভরে। আর অর্জন করেছেন নিজের শ্রেষ্ঠত্বের স্থান। কবি ও সাহিত্যিক রাশেদ রউফ -এর মতে, “বহু দুর্গম ও কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে শামসুর রাহমান পৌঁছেছেন তাঁর গন্তব্যে। পরম নিষ্ঠা, সাধনা আর একাগ্রতার মাধ্যমে তিনি অর্জন করেছেন তাঁর অবস্থান। অলংকৃত করেছেন শ্রেষ্ঠ কবির মোহনীয় আসন। তাঁকে বলা হয় কাব্য দেশের রাজপুত্তুর। যদিও তাঁর রূপ ঝলসানো পোশাক ছিল না, কিন্তু তিনি ছিলেন আকর্ষণীয়। তাঁর ডানাঅলা পক্ষীরাজ ঘোড়া ছিল না, তবে উড়ে এবং ঘুরে বেড়ানোই ছিল তাঁর শখ। ” সত্যিই এই কাব্য দেশের রাজপুত্রের ডানাঅলা পক্ষীরাজ ঘোড়া ছিল না কিন্তু তাঁর কাছে ছিল কল্পনার ঘোড়া আর কলমের মত তরবারী। বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় যেমন কল্পনার ঘোড়াকে নিয়ে বিচরণ করেছেন তেমনি ছড়া সাহিত্যেও তিনি দিগ্বিবিজয়ী। তাঁর এই অবদান অসাধারণ মহিমায় অম্লান। শিশু কিশোরদের জন্য তিনি তাঁদের উপযুক্ত ছড়া ও কবিতা লিখেছেন। তিনি তাঁর কল্পনাতে সমাজচিন্তা, স্বদেশ ভাবনা ও প্রকৃতিকে প্রাধান্য দিয়েছেন।শিশুদের মনোজগতের ভাবনাকে তাঁর ছন্দের যাদুকরী মাধুর্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। সহজ সরল ভাষার রীতিতে ছন্দের মাধুর্যতায় সৌন্দর্যের অন্বেষা সৃষ্টিতে তিনি শিশুসাহিত্যে মাটি ও মানুষকে তুলে ধরেছেন। যা তাঁর সৃষ্টিকে শুধু আলোকিত করেননি এক মোহনীয় আকর্ষণে শিশুদের আবিষ্ট করে রেখেছেন। তাঁর ছড়ার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হল– আমাদের দেশের ঋতুর পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক পট পরিবর্তনের ভাঙা গড়াকে তিনি সময়ের প্রয়োজনে বারবার ভেঙে গড়ে নতুন করে সাজিয়েছেন। তাইতো তাঁর শিশু সাহিত্য আমাদের বাংলা সাহিত্য ভাণ্ডারের এক অমূল্য সম্পদ।
শামসুর রাহমানের ছড়া ও কবিতার বই গুলি হল— ” এলাটিং বেলাটিং ”, ” ধান ভানলে কুঁড়ো দেব ”, “” গোলাপ ফোটে খুকির হাতে ”, ” আমের কুঁড়ি জামের কুঁড়ি ”, ” তারার দোলায় ”, ” লাল ফুলকির ছড়া ’’, ” দীপিকা ”,
” রঙধনুর সাঁকো ”, ” নয়নার জন্য ” ” চাঁদ জেগেছে নদীর বুকে ” এবং ” শামসুর রাহমানের ছড়া সমগ্র ” প্রভৃতি। কবি শামসুর রাহমান ছড়া লেখা শুরু করেন সাহিত্য চর্চার প্রায় এক যুগ পরে ষাট দশকের শুরুতে। ষাট দশকের সেই সময়ে শিশুদের নিয়ে লেখালেখির ভাবনা তাঁর মধ্যে জাগ্রত হয়।শিশু কিশোরদের নিয়ে তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতার বই ” এলাটিং বেলাটিং ” প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। এটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে শামসুর রাহমানের ছড়া সাহিত্যে এক নতুন মাত্রার সূচনা হয়। এর পর আরও দুটো ছড়ার বই ” ধান ভানলে কুঁড়ো দেবো ” ও “গোলাপ ফোটে খুকির হাতে ” প্রকাশিত হয়। তিনি বিশেষভাবে সাড়া ফেলে দেন তাঁর ছেলেবেলার দূরন্ত সময়ের কিশোর স্মৃতি চারণমূলক রচনা ” স্মৃতির শহর ” প্রকাশিত হওয়ার পর। এটি মূলত কবির শৈশব স্মৃতি ও ঢাকা নগরীর উপাখ্যান যা ” টাপুর টুপুর ” পত্রিকায় প্রকাশিত হলে কবি সকল শ্রেণির পাঠকের মন হরণ করেন। এটি আমাদের শিশু সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন। এছাড়াও জীবদ্দশায় শামসুর রাহমান প্রায় অর্ধ ডজন ছড়ার বই শিশু কিশোরদের উপহার দেন।
কবি শামসুর রাহমান নিজের ছড়া সম্বন্ধে বলেছেন — ” ছড়ার সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক দিন পরে , যখন একটু বড় হয়েছি। ছেলেবেলায় যোগীন্দ্রনাথ সরকারের ছোটদের লেখা ” হাসিখুশি ” বইটিতে হারাধনের দশটি ছেলে বিষয়ক একটি ছড়া পড়েছিলাম। তখন মনে পড়ে কেমন করেছিলো ছেলেবেলার জন্য। একটু বড় হতেই কত যে লোকজ ছড়া, ছেলেভোলানো ছড়া, রবীন্দ্রনাথ , সুকুমার রায়, অবনীন্দ্রনাথ , অন্নদা শংকর রায়, লীলা মজুমদার আরো অনেকের ছড়া পড়েছি আপন মনে। তখন থেকে ছড়া লেখার প্রতি আমার আগ্রহ। ছড়া লেখার মধ্য দিয়ে অনেক সময় সামপ্রতিক সময়ের ছড়া আমার মনে ঠাঁই করে নিয়েছে। শুধু বাস্তব ঘটনাবলীই আমার ছড়ার বিষয় হয়ে উঠেনি। কল্পনার রাজ্য বিচরণ করা অনেক কথাও আমার ছড়ায় উঠে এসেছে ”। শামসুর রাহমানের প্রতিটি লেখাতেই শিশুর মনের কথা যেন ফুটে উঠেছে। তিনি বাংলা শিশু সাহিত্যের নতুন ধারার স্রষ্টা। তাঁর ছড়ায় উঠে এসেছে স্বদেশ চেতনা, মাটি, মানুষ , ফুল, পাখি, নদী ও মুক্ত আকাশ ও শিশুতোষ ভাবনার বিভিন্ন চিত্রাবলী। যার ভাষা ছিল সহজ, সরল ও মৌলিক। তাঁর ছড়ায় ফুটে উঠেছে স্বদেশ প্রেমের চেতনা, আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মহান ভাষা আন্দোলন । তিনি লিখেছেন —
” শত্রু সেনা বাংলা জুড়ে /ক্ষণে ক্ষণে জুলুম করে,/শহর এবং গ্রাম পোড়ালো /লাশ সাজালো থরে থরে। তাই – না দেখে বীর বাঙালি / বন- বাদাড়ে, মাঠে লড়ে। ( টুকটুকে লাল স্বাধীনতা)
শিশুকিশোরদের মনোজগতের বিভিন্ন অলি গলিতে বিচরণ করে তিনি শিশুদের রূপকথার গল্প, দৈত্য রাজ ও রাজকুমারের গল্প এবং পরীদের দেশের গল্প শোনালেন অতি সহজ সরল ভাষায়। যেমন—-
“জল টুপটুপ দীঘির পাড়ে ডালিম গাছের ডাল
ডালিম গাছে জল ঢেলেছে খুকুমণি কাল।
তোতা পাখি লেজ নাচাল, ডালিম গাছে মৌ
হঠাৎ দেখি ডুব দিয়েছে লাল শালিকের বৌ।
লাল -শালিকের বৌ এর মাথায় মুক্তো জমে ঐ
মুক্তো নিল হাওয়ার রাজা, আমরা চেয়ে রই। ”
(জল টুপটুপ — শামসুর রাহমান)
কবির ” পন্ডশ্রম ” কবিতাটি শুধু শিশু কিশোরদের জন্য রচিত নয়। এটা সকল বয়সের কবিতা।কবি শিশু কিশোরদের গুজবের পিছনে ছুটে না চলতে বলেছেন। অসাধারণ ছন্দময় কবিতাটি–
” এই নিয়েছে ঔ নিল যা / কান নিয়েছে চিলে/ চিলের পিছে ঘুরছি মরে/ আমরা সবাই মিলে। (পণ্ডশ্রম)
কবি শামসুর রাহমান তাঁর শৈশব স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় গ্রাম নরসিংদীর পাড়াতলি নিয়ে লিখেছেন এক অনবদ্য ছড়া–
” মেঘনা নদী দেব পাড়ি কলঅলা এক নায়ে
আবার আমি যাবো আমার পাড়াতলি গাঁয়ে—-
ধানের গন্ধ আনবে ডেকে আমার ছেলেবেলা—
বসবে আবার দুচোখ জুড়ে প্রজাপতির মেলা–
শত যুগের ঘন আঁধার গাঁয়ে আজো আছে —
সেই আঁধারে মানুষগুলো লড়াই করে বাঁচে। ”
( প্রিয় স্বাধীনতা, ছড়া সমগ্র)
বাংলাদেশের স্বৈরশাসককে নিয়ে কবির একটি জনপ্রিয় কবিতা। স্বৈরশাসক বিরোধী আন্দোলনের সময় এই কবিতাটি সকল বয়সী মানুষের মুখে মুখে ছিল।
” আজব দেশের ধন্য রাজা দেশজোড়া তাঁর নাম
বসলে বলেন, “হাঁটরে তোরা, চললে বলেন ” থাম ”।
(রূপকথা)
ছোটদের জন্য কবির লেখা প্রথম ছড়ার বই ” এলাটিং বেলাটিং ” পড়লে শিশু কিশোররা কল্পনার রাজ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলবে। যেমন—
” যারা বেড়ায় উড়ে পঙ্খীরাজের পিঠে,
যারা জিরোয় বসে স্বপ্নবাড়ির ভিটে,
যারা ভেলকি বোঝে হঠাৎ মিলের ফাঁদের,
ফাঁদের, ফাঁদের, ফাঁদের।
আমার ছড়ার এ- বই পড়তে দেবে তাঁদের,
তাঁদের, তাঁদের , তাঁদের। ( ছড়ার এ বই, এলাটিং বেলাটিং)
আবার তাঁর “ট্রেন ” ছড়াটি পড়ে শিশুরা বেশ মজা পায়। তিনি লিখেছেন—
“” ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই।
ট্রেন চলেছে ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? ”
কবি শামসুর রাহমান সব শিশু কিশোরদের মতোই মাকে অনেক ভালবাসতেন। “মাগো তুমি” কবিতায় লিখেছেন—
“তোমার কোরান চশমা তোমার শাড়িগুলো তেমনি আছে।
আলমারিটা তেমন নিঝুম কেবল তুমি নেই যে কাছে। ”
শহরবাসী কবি শিশু কিশোরদের নিয়ে মজার মজার ছড়া লিখেছেন। যেমন ” এই শহরে ” —
” এই শহরে সাত সকালে হঠাৎ কিযে হলো,
ফুটপাতেরই বুকে পড়ে মাছ রাঙাটা মলো
কেন যে হায় মাছ রাঙাটা এত্তো দূরে এলো
নদীর মায়া ছেড়ে এসে এখানে কি পেলো?
“যদি আমি” ছড়াটিতে কবি শিশু মনের আবেগ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
যেমন—
” মামনিটার চোখ এড়িয়ে / গলির মোড়ের পুল পেরিয়ে / রোদের সাথে বুক মিলিয়ে /পাখনা ভরা রং বিলিয়ে
এখান থেকে অনেক দূরে / যদি আমি যেতাম উড়ে / প্রজাপতির মতো / কেমন মজা হতো? ”
( যদি আমি, ধান ভানলে কুঁড়ো দেব)
কবির নিজের ভিতরের লুকানো শিশুটাই যেন বের হয়ে এসেছে লেখার মাধ্যমে। আর তাতেই শিশুরা পেয়েছে সব অসাধারণ আর আনন্দময় ছড়া। আদরের নাতনীর সাথে গল্প করতে করতে সবুজ প্রকৃতির বিপর্যয়কে নিয়ে লিখেছেন—
” শহরবাসী সবাই এখন কাঁপছে শীতে ঠকঠক
নয়না তার দাদাভাইকে কাশতে দ্যাখে খকখক।
এই শহরে বেইলি রোডে এসেছে ভাই অনেক কাক—
বকেরা থাক নিরাপদে এই শহরে গাছের ডালে
ওদের কেউ মেরো নাকো বেঁধো না ভাই শক্ত জালে। ”
(শহরে বকের ঝাঁক, ছড়া সমগ্র)
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কবি লিখেছেন—
“পয়সা ছাড়াই বিলায় কী যে হয় না কিছুই দেরি
নয়কো মতি নয়কো পুঁতি, স্বপ্ন করে ফেরি।”
কবি শিশু কিশোরদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। আবার তিনি সেই স্বপ্ন থেকে জাগিয়ে তুলে বাস্তবতার রূঢ় রূপটিও দেখিয়েছেন। তবে শিশুতোষ লেখাকে তিনি কখনও জটিলতার কাঁটাতারে বাঁধেননি। শিশু সাহিত্যকে ভাষার প্রাঞ্জলতার মধ্য দিয়ে একেবারে মনোমুগ্ধকর করে রেখেছেন। আসলে শিশুদের তিনি সকল জটিলতার বাইরে রেখে একেবারেই একান্ত শিশু করে রেখেছেন। তবে সমসাময়িক ঘটনাকে তিনি এড়িয়ে যাননি। তাই তাঁর ছড়াতে আমরা প্রতিবাদী চেতনা ও সমাজ মনস্ক বক্তব্য পাই। যেমন–
” যাসনে খোকন যাসনে / মামার বাড়ি যাসনে / চাসনে রে তুই চাসনে / খৈ – চিড়ে – দৈ চাসনে।/ দৈ পাবে কই? দুধ নেই।/ কাক করে কা কা / মামার বাড়ি খাঁ খাঁ। ”
আসলে শিশুতোষ লেখায় কবি শামসুর রাহমান তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতিতে প্রদীপ্ত।আমৃত্যু তিনি লিখেছেন আর শিশু সাহিত্যে দুপার বাংলায় সমকালীন অন্যতম কবির আসনের মর্যাদা লাভ করেছেন।
তাইতো তিনি বাংলা শিশু সাহিত্যের মহানায়ক। আবারও কবি রাশেদ রউফ -এর উদ্ধৃতি টানতে চাই। তাঁর মতে, ‘বিষয় বক্তব্যে বৈচিত্র্যে উপস্থাপনায় শামসুর রাহমানের ছড়াগুলো আমাদের শিশু সাহিত্যের উজ্জ্বল সম্পদ। তাঁর ছড়া যেমন শিশুদের ঘুম পাড়ায়, স্বপ্ন দেখায়, তেমনি ঘুম ভাঙায় এবং সামনে অগ্রসর হতে শেখায়। তিনি যেমন আমাদের সামগ্রিক সাহিত্যের এক গর্বিত পুরুষ, তেমনি আমাদের শিশুসাহিত্যেরও অহংকার।’
কবি শামসুর রাহমান পেয়েছেন স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, নাসিরউদ্দিন স্বর্ণ পদক, মিতসুবিসি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। রবীন্দ্রভারতী ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করেন। তিনি আরও পেয়েছেন জীবনানন্দ পুরস্কার ও সার্ক পয়েট সম্মাননা। তাঁর ছড়া ও কবিতা বাংলার শিশুদের মুখে মুখে আদৃত হয়ে শুধু পঠিতই হবে না বরং তা শিশু কিশোরদের জীবনের আলোকিত চলার পথকে বিকশিত করতে সাহায্য করবে। কবিতায় সমর্পিত এই মহান কবি তাঁর শিশুসাহিত্যের মাধ্যমে বাঙালি সত্তায় অমর হয়ে থাকবেন।

x