শিরোপা রাজশাহীর, রানার্স আপ রংপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শুক্রবার , ৯ নভেম্বর, ২০১৮ at ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
7

আগের দিনেই শিরোপার গন্ধ পেয়ে গিয়েছিল রাজশাহী। ক্রিকেটীয় অনিশ্চয়তায় কেবল ছিল খানিকটা শঙ্কা। তবে সেই শঙ্কাকে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি রাজশাহী। জুনায়েদ সিদ্দিকের দারুণ সেঞ্চুরিতে হারিয়েছে বরিশালকে। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করে ছুঁয়েছে খুলনার রেকর্ড। জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের মৌসুমের শিরোপা জিতেছে রাজশাহী বিভাগ। প্রথম স্তরের শেষ রাউন্ডে বৃহস্পতিবার বরিশালকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ঘরের মাঠেই করেছে শিরোপা জয়ের উৎসব। রাজশাহীর এটি ষষ্ঠ শিরোপা। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে রেকর্ড টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দলটি। তবে ২০১১-১২ মৌসুমের পর আর ধরা দিচ্ছিল না ট্রফি। এবার সেই খরা ঘোচানোর পাশাপাশি ধরে ফেলেছে তারা খুলনাকেও। ৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে রেকর্ড গড়েছিল খুলনা। রাজশাহীর উল্টো স্বাদ পেয়েছে বরিশাল। এই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় ও অন্য ম্যাচে খুলনা ড্র করায় প্রথম স্তর থেকে বরিশাল নেমে গেছে দ্বিতীয় স্তরে। জয়ের জন্য শেষ দিনে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ১০২ রান, উইকেট ছিল ৮টি। জুনায়েদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে গেছে তারা লাঞ্চের আগেই। ৬৫ রানে দিন শুরু করা জুনায়েদ অপরাজিত ছিলেন ১২০ রানে। আগের দিনের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম ফিরে যান ৬৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ৭৮ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে শিরোপা জয়ের ম্যাচে ম্যাচ সেরা হয়েছেন অভিজ্ঞ জুনায়েদ।
এদিকে খুলনার সঙ্গে ম্যাচ ড্র করা রংপুর হয়েছে রানার্স আপ। জাতীয় লিগের প্রথম স্তরে বৃহস্পতিবার বগুড়ায় ড্র হয় খুলনা ও রংপুরের ম্যাচ। প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে রাজশাহীর কাছে বরিশাল হেরে যাওয়ায় খুলনা লিগ শেষ করেছে তিন নম্বরে থেকে। চারে থেকে বরিশাল নেমে গেছে দ্বিতীয় স্তরে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৯২ রান নিয়ে শেষ দিন শুরু করেছিল খুলনা। ২০৪ রানে এগিয়ে থাকলেও তখনও ছিল খানিকটা ঝুঁকি। সেই অবস্থা থেকে দলকে অনেকটা নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যান জিয়াউর রহমান ও মইনুল ইসলাম। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যানই এ দিন করেন ফিফটি। সপ্তম উইকেটে ৯৮ রানের জুটি গড়েন দুজন। ৭১ বলে ৫২ করেন জিয়া, ৮৭ বলে ৫৫ মইনুল। এই জুটি ভাঙার পর অবশ্য খুব বেশি এগোতে পারেনি খুলনা। ১৭ রানে তারা শেষ ৪ উইকেট হারায়। তবে ম্যাচ তখন ড্রয়ের পথে নিশ্চিত ভাবেই। ২৯৫ রান তাড়া করার মতো সময়ই ছিল না রংপুরের। চেষ্টা অবশ্য করে ২০১৪-১৫ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। মেহেদি মারুফ ও রাকিন আহমেদ উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ১০৪ রান। তবে এরপর নিয়মিত উইকেট হারানোয় কমে যায় রানের গতি। ঠিক ৫০ রানে আউট হন মারুফ, রাকিন রান আউট হন ৭৪ রানে। টিকে যাওয়ার স্বস্তির ম্যাচে দুই ইনিংসে ফিফটি করে ম্যাচ সেরা হন খুলনার অলরাউন্ডার মইনুল।

x