রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে তো?

বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রস্তুত, জনমনে সংশয়

আহমদ গিয়াস, কক্সবাজার ও জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, টেকনাফ

বুধবার , ২১ আগস্ট, ২০১৯ at ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
83

বহুল প্রত্যাশিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শুরু হবে তো?- এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে কক্সবাজার জেলার বাসিন্দাদের মাঝে। অতীতে বার বার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়।

সর্বশেষ গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে দৈনিক দেড়শ’ জন করে রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের কথা থাকলেও নানা কারণে রোহিঙ্গাদের রাজি করানো সম্ভব না হওয়ায় প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। বৃহস্পতিবারও প্রত্যাবাসন শুরু করা যাবে কিনা এই সংশয়ের মাঝেও আজ বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত প্রশাসনের প্রস্তুতি বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য উখিয়ার নিকটস্থ নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম মৈত্রীসেতু ও টেকনাফের কেরুণতলী ঘাট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মিয়ানমারে সর্বশেষ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসিত হয়েছিল ১৪ বছরের বেশি সময় আগে ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই। এই দীর্ঘ সময়ে প্রত্যাবাসনের বার বার সময়সীমা ঘোষণার পরও কোনো রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসিত করা যায়নি। উপরন্তু গত ২ বছরে নতুন করে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। নতুন-পুরনো মিলে এখন উখিয়া টেকনাফের ৩০টি ক্যাম্পে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বসবাস করছে। এসব রোহিঙ্গাকে নিজদেশে প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বার বার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা ভেস্তে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত বছরের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ-মিয়ানমার দু‘পক্ষই সীমান্তে প্রস্তুত থাকলেও একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসনে রাজি করানো যায়নি। ফলে এবারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে জনমনে রয়েছে সংশয়।

রোহিঙ্গারা ফিরে যাওয়ার শর্ত হিসাবে নাগরিকত্ব দেয়াসহ বেশ কয়েক দফা দাবি-দাওয়া দিয়েছে। মিয়ানমার সরকার অন্তত নাগরিকত্ব ও পুরনো ভিটেবাড়ি ফিরিয়ে দিলে সকল রোহিঙ্গা একযোগে ফিরে যাওয়ার কথাও বলছে রোহিঙ্গারা।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, ২ বছর আগে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৮ লাখেরও বেশি মানুষ।

এর আগে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পর থেকে গত বছরের মার্চ পর্যন্ত আরো প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা আসে। ২০১২ সালের জুনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরও এসেছিল অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গা। তবে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে ব্যাপক মাত্রায় রোহিঙ্গা আসে ২০১৭ সালের আগস্টেও পর। এরআগে ব্যাপক মাত্রায় রোহিঙ্গা এসেছিল ৯১-৯২ সালে ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ জন এবং ৭৮-৭৯ সালে প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার জন। পরে তাদের অধিকাংশকেই মিয়ানমারের সাথে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়। সত্তরের দশকের প্রায় সবাইকে এবং ৯১-৯২ সালে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৯ জন রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়েছিল জাতিসংঘের মধ্যস্থতায়। ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই এর পর থেকে প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় বাকী ১৩ হাজার ২৭৮ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আর ফেরত নেয়া হয়নি। আটকে যাওয়া এসব রোহিঙ্গা শরণার্থী এখন বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার জনে উন্নীত হয়েছে। এরা এখন উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বসবাস করছে। উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি ক্যাম্পে এখন বসবাস করছে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা।

গত মাসে মিয়ানমারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প পরিদর্শন ও রোহিঙ্গা নর-নারীদের সাথে একাধিকবার বৈঠক করেন। টিমের সদস্যরা দুই দিনে কয়েক দফায় ক্যাম্পগুলোতে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান রোহিঙ্গাদের সঙ্গে পৃথক পৃথক আলোচনায় অংশ নিয়ে রোহিঙ্গাদের ফেরত যেতে অনুরোধ জানান। সেসময় সফরকারি দলের সঙ্গে যুক্ত হন আসিয়ানের ৫ সদস্যর প্রতিনিধি দল।

রাখাইনে রোহিঙ্গারা ফিরে কী কী সুবিধা ভোগ করবে, জীবন জীবিকা কীভাবে নির্বাহ হবে ও অন্যান্য অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিনিধি দল।

এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের লিফলেটও বিতরণ করা হয়। তবে এসব প্রতিশ্রুতি রোহিঙ্গাদের মাঝে কতটুকু রেখাপাত করেছে বা স্বদেশে যেতে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছে তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ-সংশয় রয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটি ও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ইকরামুল  কবির চৌধুরী বাবলু।

তিনি বলেন, ‘২২ আগস্টের প্রত্যাবাসন সফল হবে কিনা তা নিয়ে কক্সবাজারের মানুষ বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফবাসী সন্দিহান। এজন্য তারা চরম ক্ষুব্দও। তাই যেকোনো মূল্যে প্রত্যাবাসন শুরু করা দরকার। তবে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তাদের রাজি করানো কঠিন।’

আজকের প্রত্যাবাসন নিয়ে একই আশংকা করে কক্সবাজার চেম্বার সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, ‘তবে আমি প্রত্যাশা করি আমার আশংকা যেন সত্যি না হয়।’

এরই মাঝে আজ বুধবার রাতে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত প্রশাসনের এক প্রস্তুতি বৈঠকে আজ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানানো হয়। কক্সবাজারস্থ শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রত্যাবাসন টাক্সফোর্সের এ বৈঠকে শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুরুল আলম নিজামী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত আরআরসি শামসুদৌজা নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম সরাওয়ার কামালসহ সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. আবুল কালাম বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। প্রত্যাবাসনের জন্য নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম মৈত্রী সেতু ও টেকনাফের কেরুনতলী ঘাট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রথমদিন ৩ হাজার ৫৪০ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে স্থল ও নৌ পথে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে মিয়ানমার সরকার। গত জুলাই মাসে মিয়ানমার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ মিন্ট থু’র নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের ডেলিগেশন টিম উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে দেশটি।’

বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া ১ হাজার ৩৭টি পরিবারের ৩ হাজার ৪৫০ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ২৩৫টি রোহিঙ্গা পরিবারের প্রধান বা ২৩৫ জন রোহিঙ্গা গত দুইদিনে সাক্ষাতকারে অংশ নিয়েছেন। এরা যদি স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান তাহলে তাদেরকে কাল প্রত্যাবাসন করা হবে।‘

আবুল কালাম বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এমনকি টেকনাফ জাদিমুরা শালবাগান থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে পাঁচটি বাস এবং মালামাল পরিবহনের জন্য তিনটি ট্রাক।’

টেকনাফ রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মুজাম্মেল হক বলেন, ‘মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়টি ফায়সালা করলে এ সংকটরে সৃষ্টি হতো না। এখন সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য নাগরিকত্ব প্রদানের ঘোষনা জরুরি হয়ে পড়েছে।’ জাতিসংঘসহ অন্যান্য শক্তিশালী এ বিষয়ে মিয়ানমারকে যেকোনোভাবে সম্মত করাতে পারলেই বাংলাদেশে অবস্থান নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী দ্রুত তাদের দেশে ফিরে যাবে এমনটি মনে করছেন তিনি।

এদিকে ২২ আগস্ট হতে যেকোনো দিন কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমার নাগরিকদের স্বদেশ প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য আশ্রয়ন কেন্দ্র এবং জেটিঘাট প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ যেকোন মূল্যে কাংখিত এই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সফল করতে প্রস্তুত রয়েছে। অনেকে প্রত্যাবাসনে তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছেড়ে আত্মগোপনে যেতে প্ররোচিত করায় এই প্রত্যাবাসন সফলতা রোহিঙ্গাদের সদিচ্ছার ওপরই নির্ভর বলে মনে করছে।

এদিকে ২১ আগস্ট সরেজমিনে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য শালবাগান ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে এবং কেরুনতলীতে প্রত্যাবাসন বিশেষ আশ্রয়ন কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে প্রত্যাবাসন জেটিঘাট। এই প্রত্যাবাসন সফল করতে শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিশনারের লোকজনসহ ইউএনএইচসিআর-এর লোকজন কাজ করে আসছে। এই লক্ষ্যে সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তৎপর রয়েছে। তবুও সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনকারী রোহিঙ্গাদের কেউ এখনো এসব কেন্দ্রে আশ্রয়ন অবস্থান না নেয়ায় অনেকের মধ্যে এই প্রত্যাবাসন নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি মুলত রোহিঙ্গাদের সদিচ্ছার উপরই নির্ভর করছে।

উক্ত বিষয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একাধিক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ও নেতাদের সাথে আলাপকালে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রোহিঙ্গাদের উত্থাপিত দাবী পূরণ হলেই রোহিঙ্গারা ওপারে যেতে পারে। অন্যথায় রোহিঙ্গারা মিয়ানমার ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

গোপনীয় একটি সূত্রের দাবি, এসব রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণকারী উগ্রপন্থী সশস্ত্র গ্রুপের লোকজনের কাছে এসব রোহিঙ্গারা জিম্মি এবং নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের কথার বাহিরে গেলে রাতে হামলার আশংকায় মিয়ানমার ফিরতে আগ্রহী অনেকে মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না। এছাড়া কতিপয় এনজিও কর্মকর্তাদের রহস্যজনক কর্মকাণ্ড রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিরোধী হিসেবে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও বিভিন্ন সূত্রের দাবি।

২৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি খালেদ হোসেন দুপুরে বলেন, ‘গত ২০ আগস্ট ২১ পরিবার এবং আজ ২১ আগস্ট দুপর পর্যন্ত ৮০ পরিবার স্বেচ্ছায় স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মতামত দিয়েছেন। এছাড়া কেউ প্রত্যাবাসন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। তাই কাঙ্ক্ষিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

অপরদিকে সাক্ষাতকার দেয়া পরিবারগুলো এক স্থানে এক এক ধরনের কথা বলায় প্রত্যাবাসন নিয়ে আসলেই কী ঘটতে যাচ্ছে তা মিয়ানমারে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। সচেতন মহল মনে করছে নাগরিকত্বের বিষয়টি মিয়ানমার সরকার যদি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় তাহলে কক্সবাজারে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার স্রোত কেউ ঠেকাতে পারবে না। আসল বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না মত প্রকাশ করেছেন টেকনাফ রোহিঙ্গা প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মুজাম্মেল হক।

x