রামু-নাইক্ষ্যংছড়িতে দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই

ভোগান্তিতে ২ লাখ বাসিন্দা পিইসি পরীক্ষার্থীদের ডিআর জমা ব্যাহত

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

সোমবার , ১১ জুন, ২০১৮ at ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
25

রামু বিদ্যুৎ অফিসের আওতাধীন রামু ও পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় গত দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এখানকার ২ লাখ বাসিন্দা। এছাড়া গতকাল উপজেলার শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমাপনী পরীক্ষার্থীদের ডিআর জমা দেয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। গত শনিবার রাত থেকে এই অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানা যায়।

রামু উপজেলা গেইট এলাকার একটি কম্পিউটার দোকানদার তারেক জানান, রোববার (গতকাল) উপজেলার শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমাপনী পরীক্ষার্থীদের ডিআর জমা দেওয়ার তারিখ ছিল। এজন্য প্রধান শিক্ষকরা খসড়া ডিআর প্রস্তুত করে কম্পিউটার ও ফটোকপি করে নির্দিষ্ট তারিখে জমা দিতে এসেছিলেন। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় জমা দেয়া সম্ভব হয় নি। এসময় অধিকাংশ শিক্ষক ফেরত গেলেও অল্পকয়েকজন তিনগুণ টাকা খরচ করে জেনারেটর দিয়ে এসব কাজ শেষ করেছেন বলে জানান এই দোকানদার।

এদিকে রামুর গর্জনিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আবু তাহের, আমিনুল্লাহ ও রুবেল জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় আসন্ন ঈদে তাদের ব্যবসার খুব ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য তারা বিদ্যুৎ অফিসের গাফেলতিকে দায়ী করেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া জানান, এখন পবিত্র রমজান। সামনে ঈদুল ফিতর। শেষ মুহূর্তে এখনো অনেক কাজ বাকি। অথচ দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। কী আজব ব্যাপার! কাজ করব কিভাবে?

গৃহিনী রাবেয়া খানম, জাহেদা বেগম ও জাইতুন নাহার প্রতিবেদকে জানান, দুদিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের ফ্রিজের সব মাছমাংস ও ফলফলাদি নষ্ট হয়ে গেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক ইমরান মেম্বার জানান, এখানে চরম লোডশেডিং। এটা বিদ্যুৎ অফিসের গাফেলতি ছাড়া কিছু নয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রামু উপজেলা প্রকৌশলী নূরুল আলমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এ বিষয় রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. লুৎফর রহমান জানান, ঝড়বৃষ্টিতে গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক করতে সময় লাগছে বলে বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে।

x