রমজানে স্বাস্থ্যসম্মত ইফতারি

শনিবার , ২৬ মে, ২০১৮ at ৪:০৯ পূর্বাহ্ণ
19

রমজান হলো এমন একটি মাস যা অন্যান্য মাসের চেয়ে অনেক উত্তম, মহিমান্বিত এবং রহমতের অনবদ্য একটি মাস। রহমত, মাগফেরাত, নাজাত এই তিন ভাগে রমজানের মাসকে ভাগ করেছেন। প্রথম ১০ দিন রহমত, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফেরাত, শেষের ১০ দিন নাজাত। তাই রমজানে সারাদিন কিছু না খেয়ে থাকার পর ইফতারির পরে আমরা সামনে যা পাই তাই খেয়ে থাকি । এটি ছাড়াও আমরা সবাই মনে করি সারাদিন কিছু খাচ্ছি না শরীরের ওজন কমে যাচ্ছে। অনেকে সারা বছর শারীরিক ফিট থাকার চেষ্টা করেন, ব্যায়াম করেন, এ মাসে রমজানের ইস্যু করে শরীরের প্রতি কোন কেয়ার নিতে আলসেমি করেন। এটি একেবারে ভুল ধারণা। এ সময় সাধারণত তেলের ভাজাপুড়া খাবার আমরা একটু বেশি খেয়ে থাকি। আপনি হিসাব করে দেখুন অন্যান্য মাসের চেয়েও এমাসে আপনি খাবার কিন্তু বেশি খাচ্ছেন। এছাড়া আমরা বাঙালিরা অতি ভোজন রসিক। আমরা রমজানের নির্দিষ্ট সিয়াম সাধনা থেকে দূরে থাকতে আকাঙিক্ষত। রমজানে আমাদের যে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত তা তো করিও না বরং তার উল্টো। রমজানে বেশি বেশি তেল জাতীয় খাদ্য খাবার কারণে এসময় আমাদের শরীরের দিকে একটু বেশি করে খেয়াল রাখা দরকার। রমজানে কিভাবে ব্যায়াম করবেন বা কি ধরনের ব্যায়াম করা উচিত এবং কিভাবে সুস্থ থাকবেন। বিশেষকরে ডায়াবেটিস, বাতব্যথা জাতীয় রোগী, হার্টের অসুস্থদের এসময় বেশি বেশি নিয়মকানুন মেনে চলা উচিত। এছাড়া রমজানে রাতের বেলায় জিম সেন্টারগুলোতে যুবকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে সামনে ঈদের কারণে। সিয়াম সাধনা, মহিমান্বিত ও বরকত ময় এই মাস। তাই সবাইকে এই ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে থেকেও আমাদের এই ব্যায়াম চর্চা অর্থাৎ স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে হবে সব নিয়মকানুন মেনে।

x