রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

সোমবার , ৮ অক্টোবর, ২০১৮ at ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
13

আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দল যেন তাঁদের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা জাতীয়করণ’ এর কথা বলেন।
স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এলো মেলো। কেউ সরকারি, কেউ আধা সরকারি, কেউ বেসরকারি, কেউ বাংলা মিডিয়াম, কেউ ইংলিশ মিডিয়াম। আরও নানা বিভক্তি। কেন এ অবস্থা? স্বাধীন দেশেতো এরকম হওয়ার কথা নয়। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘পায়ের পাতা সবখানে পাতা’ কিন্তু শিক্ষা ক্ষেত্রে সব জায়গায় তাঁর সদম্ভ পদচারণা নেই। বিশেষ করে বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে। এ বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরা আন্দোলন করে করে আজ এ পর্যন্ত এসেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন সরকার এ বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতি সুনজর দেননি। আবার এ বেসরকারি স্কুল-কলেজের মধ্যে কেউ এম.পিও ভুক্ত, আবার কেউ নন এম.পিও। এখানেও বিভাজন। অনেক বৈষম্য পেরিয়ে বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরা আজ এ দ্বারপ্রান্তে। মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে কোন জায়গায় প্লাস্টারিং করে, কোন জায়গায় মলম লাগিয়ে, কোন জায়গায় রং করে, কোন জায়গায় একটু ঘষামাজা করে রাখার দিন শেষ।
এখন দেখছি কিছু কিছু স্কুল-কলেজকে জাতীয়করণ করা হচ্ছে। খন্ডিত এ জাতীয়করণ কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়। আমাদের দেশের সামনে এখন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অনেক রাজনৈতিক দল অনেক রকমের প্রতিশ্রুতি দেবে জনগণকে। কিন্তু শিক্ষক সমাজের দাবী আগামীতে রাজনৈতিক দলগুলো তাঁদের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে যেন শিক্ষা জাতীয়করণের কথা বলে এবং সরকারে গেলে সে প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তবায়ন করেন।
পূর্বে উল্লেখ করেছি আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেকক্ষেত্রে সফল। তিনি আন্তরিকভাবে চাইলে শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ করতে পারতেন। কিন্তু সেদিকে তিনি নজর দেননি। আশা করি আগামী নির্বাচনের পর যে দল সরকার গঠন করবে তারা শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ করে আমাদের দেশকে যেন বিশ্বের মডেল হিসেবে পরিচিত করেন এবং দেশকে সভ্যতায় আরও এক ধাপ এগিয়ে নেন।
রনধীর মল্লিক, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, হালিশহর মুন্সী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, বন্দর,চট্টগ্রাম।

x