রাউজান থানার বাগানে ড্রাগন ফুলের সৌরভ

মীর আসলাম : রাউজান

সোমবার , ৭ অক্টোবর, ২০১৯ at ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ
73

ভয়ংকর শক্তিশালী এক প্রাণির নাম ড্রাগন। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ শুনে আসছে ড্রাগন নিয়ে অনেক রূপকথা। তবে আমাদের দেশের ফণীমনসা উদ্ভিদকে বলা হয় ড্রাগন গাছ। পাতাবিহীন এই গাছেও সুদৃশ্য ফুল ফুটে মানুষের মনে শিহরণ জাগায়। উদ্ভিদ গবেষকদের মতে ফণীমনসা (ক্যাক্টাস) প্রজাতির ফল গাছ। একেক দেশে গাছটি এক এক নামে পরিচিত। গণচীন -এর লোকেরা এটিকে ফায়ার ড্রাগন ফ্রুট এবং ড্রাগন পার্ল ফ্রুট হিসাবে জানে। থাইল্যান্ডে ড্রাগন ক্রিস্টাল, ভিয়েতনামে সুইট ড্রাগন ইন্দোনেশিয়ায় ও মালয়েশিয়ায় ড্রাগন ফ্রুট নামে পরিচিত। আমাদের দেশে বিভিন্ন জায়গায় এই ড্রাগনের বাগান করা হলেও এই নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা কম। জানা যায় ঢাকার সাভারে আশুলিয়া মরিচকাটা গ্রামে রূম্পা চক্রবর্তী নামে এক ফলচাষি ১০ একর জমিতে সাড়ে ১৬ হাজার ড্রাগন চাষ করে বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবানও হচ্ছেন। রাউজান থানার সামনে বিশাল পুকুর। গত তিন বছর আগেও এই পুকুর পাড়টি ছিল অপরিষ্কার পরিত্যক্ত। রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্লাহ এসে পুকুটির পাড় পরিষ্কার করে সেখানে রোপণ করেন বিভিন্ন জাতের ফল ফুলের গাছ। সাথে লাগান কয়েকটি ড্রাগন গাছের চারা। তিনি অন্যান্য চারা গাছের পরিচর্যার সাথে ড্রাগন গাছটি সবসময় যত্ন করেন। সম্প্রতি তার বাগানে পাতাবিহীন ড্রাগন গাছে ফুটেছে সুদৃশ্য একটি ড্রাগন ফুল। ওসি কেপায়েত উল্লাহ বলেছেন তিনি গত দুই বছর ধরে থানার সামনের পুকুর পাড়ের পরিত্যক্ত জায়গা পরিষ্কার করে নানা প্রজাতির ফল ফুলের বাগান করেছেন। বাগানে লাগিয়েছিলেন ড্রাগন গাছও। আনুমানিক ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার লম্বা হয়ে উঠা এই গাছে তিনি ফুলটি দেখেন। তখন মনের আনন্দে সুন্দর ফুলটি ধরে ছবি উঠান। ডিম্বাকৃতির উজ্জ্বল গোলাপি রঙের ফুলটি দেখতে অনেকেই থানার সামনে গিয়ে ভিড় জমাতে দেখা যায়।

x