রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ

এস.কে.দেব.সজল

বৃহস্পতিবার , ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
47

রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি মেধা বৃত্তি পরিষদের পুরস্কার বিতরন, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, নৃত্য ও সঙ্গীতানুষ্ঠান গত ২৫ জানুয়ারী চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, নৃত্য ও সঙ্গীতানুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক লায়ন ডা: বিধান মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী। উদ্বোধক ছিলেন সি.এম.পির উত্তর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার বিজয় কুমার বসাক। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন। আলোচক ছিলেন সরকারি চারুকলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া দক্ষিণ ভূর্ষি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম, মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, এড. তপন কান্তি দাশ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা: কথক দাশ, শিক্ষানুরাগী ডা: অঞ্জন দাশ ও পলাশ কান্তি নাথ রনি। আবৃত্তি শিল্পী হৈমন্তী শুক্লা মল্লিক ও সেজুঁতি দে যৌথ সঞ্চালনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্মৃতি মেধা বৃত্তির সমন্বয়ক অধ্যাপক শিপুল দে, প্রকৌশলী সুভাষ গুহ, শ্যামল বৈদ্য সবুজ, টিপু কুমার দেব, অধ্যাপক মনোজ দেব, আশীষ দে মনি, ডা: দেবাশিষ মজুমদার, সুজন দাশ, মৃনাল কান্তি দাশ, তারানাথ চক্রবর্তী, রুপক শীল, মৃনাল দাশ রাখাল, সন্তোষ ঘোষ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ১১০ জন মেধাবীকে মেধাবৃত্তি এবং ১০ জন গরীব শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি দীপক চক্রবর্তী বলেন, শিক্ষা এমন এক বিষয় যা মানুষের মন, মনন ও বিবেক কে জাগ্রত করে। আজকের শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ। একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে রবীন্দ্র-নজরুল মেধা বৃত্তি পরিষদ বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আলোচকের বক্তব্যে প্রফেসর রীতা দত্ত বলেন, বাংলা সাহিত্যের দুই মহাপুরুষ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম আমাদের বাঙালি চেতনায় চির ভাস্কর হয়ে থাকবেন, এই দুই কবি আমাদের জাতীয় চেতনাকে করেছেন শানিত, যুগিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ সহ বিভিন্ন আন্দোলনে অনুপ্রেরণা। রবীন্দ্র নামের দেশপ্রেম ও নজরুলের মানব প্রেম আমাদের প্রতিনিয়ত ও উদ্বুদ্ধ করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। সাংস্কৃতিক পর্বে দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন রবীন্দ্র সংগীত “মুক্তির মন্দির সোপান বলে” এরপর পরিবেশিত হয় “দুর্গম গিরি কান্তার মরু” নজরুল সংগীত এই দুইটি কোরাস গান। এতে পরিচালনায় ছিলেন সুমন সেন, অধ্যাপক জয়া দত্ত ও মৌসুমী চৌধুরী, রূপক শীল। অংশগ্রহণে শাহীন আরা, মনীষা শীল, মৌসুমী সেন, রিংকু ভট্টাচায্য, বিশ্বজিত দে। এরপর কৃতী নৃত্য শিল্পী সূচনা বনিকের পরিচালনায় ও নির্দেশনায় দলীয় নৃত্য পরিবেশিত হয়। তাঁর দলের নৃত্য বাঙালি সংস্কৃতির সৃৃষ্টি ঐতিহ্য ফুটে উঠে। এই সময় উদ্বোধক উপ-পুলিশ কমিশনার বিজয় কুমার বসাক নৃত্য শিল্পী সূচনা বনিকের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এরপর একক সংগীত পরিবেশিত হয়। “এক সাগর রক্তের বিনিময়ে” দেশাত্ববোধক গানটি সকলকে আনন্দ দিয়েছে। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন মৌসুমী সেন। তিনি শোনান ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় রবীন্দ্র সংগীতটি ভালো লেগেছে সবার” এরপর অধ্যাপক জয়া দত্ত পরিবেশন করেন আধুনিক গান।” “তার আধুনিক গানটি বেশ ভালো হয়েছে।” এর পর মিশন দত্ত পরিবেশন করেন “বাংলাদেশের একতা তূর্য” বাউল গানটি করতালির মধ্যে অভিনন্দিত হয়েছে।” এরপর রূপক শীল পরিবেশন করেন “তোমার বাড়ি রঙের মেলায়” তাঁর আধুনিক গানটি নতুন প্রজন্মের কাছে ভালো লেগেছে।” এরপর দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন অধ্যাপক জয়া দত্ত ও সুমন সেন, এরপর একক গান পরিবেশন করেন শাহীন আরা। তিনি শোনান “এই মন তোমাকে দিলাম”।

x