রফিক আহমদ খান (ক্ষতিপূরণ দিন)

বুধবার , ১০ এপ্রিল, ২০১৯ at ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ
136

: আন্দোলন। ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের আন্দোলন। কর্ণফুলী টানেলের সংযোগ সড়কের জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান শেষ তো দূরের কথা শুরুও হয়নি। অথচ স্থানীয়দের বসতবাড়ি ভাঙতে আসে কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্তবয়স্ক কন্যাদ্বয় আফসোস করে বলেন, “আমরা ছোটোকালে একাত্তরে বাবাকে হারিয়ে যতটা কষ্ট পাইনি আজ রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলায় তার চেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি।” মোহছেন আউলিয়া রোডে হয়রত ছৈয়দ সাহেব (রঃ) মাজারের কাছে সড়কের পাশে ওই ঘর। ওই ঘরের দুই মহিলা নিজেদের শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবী করেন। ওদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের জায়গা নিয়ে কোনো মামলা আছে কিনা। তাঁরা জানান, কোনো মামলা নেই। জনগণের প্রশ্ন , তাহলে ক্ষতিপূরণ দিতে দেরি কেন? ক্ষতিপূরণ দিয়ে ও যাঁরা বসতবাড়ি হারাচ্ছেন তাঁদের পুনর্বাসন করেই সড়ক নির্মাণের কাজ করা উচিত। এখানে ভূমির মূল্য দেওয়া হবে মাত্র দুই গুণ। প্রকৃত কথা ভূমির মালিকরা ৪/৫ গুণ ক্ষতিপূরণ পেলেও তাঁরা লাভবান হবেন না; বরং ক্ষতিগ্রস্তই থাকবেন। কারণ, এই টানেলের কারণেই এখানে ভূমির দাম বাড়ছে হু হু করে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সর্বোচ্চ সহানুভূতি প্রদর্শন করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তাঁদের সাথে বোঝাপড়ার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধান করা হোক। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেনো বাধাগ্রস্ত না হয়।

x