যৌথ শিক্ষায় আগ্রহ

সিআইইউর উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ কানাডা হাই কমিশনের

বুধবার , ৭ নভেম্বর, ২০১৮ at ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
60

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউর) সঙ্গে যৌথশিক্ষা কার্যক্রম চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে কানাডা হাই কমিশন। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশীপের ব্যবস্থা, শিক্ষকদের জন্য উচ্চতর ডিগ্রির সুযোগ, নিয়মিতভাবে ওয়ার্কশপ ও সেমিনারের আয়োজন করাসহ শিক্ষা বিনিময়ের নানা বিষয় ওঠে এসেছে বৈঠকে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর জামালখানস্থ ক্যাম্পাসে সিআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কানাডা হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের কাউন্সিলর অ্যান্ড সিনিয়র ট্রেড কমিশনার কোরিন পেট্রিসর, ট্রেড কমিশনার কাজী গোলাম ফরহাদ, সিআইইউর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা, অ্যাডমিন শাখার উপ-পরিচালক কুমার দোয়েল দে প্রমুখ।
কানাডা হাই কমিশনের কাউন্সিলর কোরিন পেট্রিসর সিআইইউর শিক্ষাকার্যক্রম দেখে তার মুগ্ধতার কথা জানান। বৈঠকে তিনি বলেন, চিটাগংয়ের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা আমি ঢাকায় থাকতে শুনেছি। আগে চট্টগ্রাম না আসার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শন করতে পারিনি। এসে ভীষণ ভালো লাগছে। তিনি আরও বলেন, সিআইইউর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে আমরা অনেক বেশি আন্তরিক। কানাডার বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে- এমনটা প্রত্যাশা আমাদের। কোরিন পেট্রিসর শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ায় সিআইইউর উপাচার্যের প্রশংসা করে বলেন, কানাডার অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচার ও ঐতিহ্য জানতে উৎসুক। এদেশের পড়ালেখার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ঘটলে নতুন ধারার জ্ঞানের উদ্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ট্রেড কমিশনার কাজী গোলাম ফরহাদ বিবিএর শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কানাডায় দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন, রোবটিঙ, গ্রাফিঙ ও অ্যানিমেশনে এখন প্রচুর ছেলে মেয়ে ভালো করছে। সিআইইউর শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার বাইরে সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডে যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। এ ধরনের বিষয়গুলো তাদেরকে অনেক বেশি উৎসাহিত করবে বলে বৈঠকে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
সিআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বৈঠকে কানাডা হাই কমিশন প্রতিনিধি দলের সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সময় তিনি বলেন, ১০ বছর আগেও প্রচুর সংখ্যক শিক্ষার্থী ভারত, চীনসহ অনেক দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমাতো। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা তারা চট্টগ্রাম থেকেই লাভ করছে।
দুই দেশের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় কিংবা যৌথশিক্ষা কার্যক্রম চালু হলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা। সিআইইউর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যেন পরিপূর্ণ জ্ঞানে ও গবেষণায় সমৃদ্ধ হতে পারেন সেজন্য সব ধরনের পদক্ষেপ আমি নেবো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x