যে সড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা

জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, টেকনাফ

রবিবার , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ
23

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ-শামলাপুর বাজার সংযোগ সড়কটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের পর এখানে ক্যাম্প স্থাপন করায় এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। গত দু বছরে সড়ক দিয়ে দেশ বিদেশের ভিআইপিরা যাতায়াত করলেও এখনো কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বা উন্নয়ন করেনি সংশ্লিষ্টরা। প্রতিনিয়ত গাড়ি চলাচলসহ পথযাত্রীদের পদভারে মুখরিত থাকে সড়কটি। বর্তমানে সড়কটি এতই নাজুক হয়ে পড়েছে যে, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। টমটম, সিএনজি অটৈারিক্সা, মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা যেন প্রতিদিনের রুটিন বিপদ। তবে দায়িত্বশীলরা বলছেন ভিন্ন কথা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৫৭ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরে দু’দফা টেন্ডার আহবান করার পরও বাজার দর ঠিক না হওয়ায় কোন ঠিকাদার কাজ করতে রাজি হচ্ছে না। ফলে গত দু’ বছর ধরে প্রায় ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য মেরিন ড্রাইভ-শামলাপুর বাজার সংযোগ সড়কটি খানাখন্দক নিয়ে পড়ে থাকে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৌ: আজিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, বর্তমান রাস্তার চেয়ে দু’পাশে ৩ ফুট করে মোট ৬ ফুট ব্রিক সলিং দিয়ে সড়কটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। কিন্তু কোন ঠিকাদার কাজ করতে রাজি হচ্ছে না। এর ফলে দিন দিন সড়কটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বিকল্প কোন পদ্ধতিও বের করছেন না। তিনি আরো বলেন, এ সড়কটি গোটা উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহার ছড়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সড়ক দিয়ে একটি মেরিন ড্রাইভ ব্যবহার করে অল্প সময়ে কক্সবাজার বা টেকনাফ শহরে যাওয়া যায়। আবার এটি ব্যবহার করে শামলাপুর হোয়াইক্যং দিয়ে কঙবাজার-টেকনাফ প্রধান সড়ক পৌঁছানো যায়। প্রতিনিয়ত সরকারি, বেসরকারী বিভিণ্ন সংস্থার শত শত গাড়ি, মানুষ ও এলাকাবাসী এটি ব্যবহার করছে। অথচ কেউ এগিয়ে আসছে না এটির উন্নয়নে।
সড়কের পার্শ্বে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল কবির মার্কেটের পরিচালক আবু ছিদ্দিক জানান, প্রতিদিন খানা খন্দকে ভরা ভাংগা সড়কে দুর্ঘটনা লেগেই আছে। এটি দ্রুত সংস্কার হওয়া দরকার।
টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গুরুত্বর্পূণ সড়কটি মেরামতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

x