যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে নানা গুঞ্জন

বৃহস্পতিবার , ১১ অক্টোবর, ২০১৮ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
45

আসছে নভেম্বরে শুরু হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। বেশ কিছু ইস্যু প্রাধান্য পাচ্ছে মধ্যবর্তী এ নির্বাচনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই বছর পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই বছর আগে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তবে এখন মার্কিন রাজনীতিতে এ নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনাও বাড়ছে। যদিও নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে না, তবে এর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে মার্কিন রাজনীতির পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। মধ্যবর্তী এ নির্বাচনে ভোটাররা গর্ভনর, রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটর নির্বাচন করবেন। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ৪৩৫টি আসনে, সিনেটের ১০০টি আসনের ৩৫টি আসনে এবং ৩৯টি স্টেট ও টেরিটোরিয়াল গর্ভনরশীপের ক্ষেত্রে ভোট দেবেন মার্কিন ভোটাররা। বলা হচ্ছে, ডেমোক্রাটদের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনটি একটি সুযোগ। তারা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তবে ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মসূচিকে কোণঠাসা করতে পারবেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিবাসন, নারীর অধিকার, সুপ্রিম কোর্টের মনোনয়ন, স্বাস্থ্যসেবা প্রভৃতি।
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য দুই ডজনের বেশি আসন পেতে হবে ডেমোক্রাটদের। ফাইভ থার্টি এইট নামে একটি বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান বলছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের ক্ষেত্রে ডেমোক্রাটদের সুযোগ রয়েছে ৭৬ শতাংশ। সিনেটের ১০০টির ক্ষেত্রে ৫১টি দখলে রয়েছে রিপাবলিকানদের। ফলে এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রিপাবলিকানদের ৬৬ শতাংশ সুযোগ রয়েছে। পিউ রিসার্চ ইনস্টিটউটের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, ভোটাররা মধ্যবর্তী এ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহী। এতে দেখা যায়, ৭২ শতাংশ ভোটার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্যতম নিয়ামক হয়ে দাঁড়াবে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে অভিবাসন, স্বাস্থ্যসেবাসহ বেশ কিছু ইস্যু ভোটারদের কাছে বেশ গুরুত্ব পাবে।

x