মোহাম্মদ ইউসুফ (‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’)

সোমবার , ১৩ মে, ২০১৯ at ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
13

: দেশের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।আমদানি-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা, দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখা সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হলেও দ্রব্যসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য দেখে মনে হয়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।তাই, আমি মনে করি, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয় থাকার পরও আলাদা রেলমন্ত্রণালয় করা গেলে ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’ নয় কেন। শুধু রমজান নয়, সারা বছরই দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন থাকে।ক্রেতাসাধারণ বিক্রেতাদের কাছে অসহায়।নিম্নআয়ের মানুষের অবস্থা তো বর্ণনাতীত। যা প্রতিকার করা যায় না, তা সহ্য করা’র মতো অবস্থা। ভোগ্যপণ্যের আমদানি-রপ্তানি করে গুটিকয়েক চিহ্নিত ব্যবসায়ী।অতিমুনাফার লোভে তারা ভোগ্যপণ্যের দাম যাচ্ছেতাই বাড়িয়ে নিজেরাই লাভবান হচ্ছে।বিশেষকরে রমজান মাসকে তারা সাংবাৎসরিক লাভের মাস হিসেবে টার্গেট করে।মাঝেমধ্যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও বাজার স্বাভাবিক রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হলেও তা যথেষ্ট নয়।এটি একটি জাতীয় সমস্যা।সারা বছর নিয়মিত দ্রব্যমূল্যের বাজার নজরদারি করতে হলে ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’ নামে নতুন একটি মন্ত্রক গঠনের কোনো বিকল্প নেই।কেননা, জনগণের জীবনধারণের জন্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ কাজ।সরকারের জনপ্রিয়তাও এর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ফলে জনগুরুত্বপূর্ণ এ কাজের জন্যে আলাদা মন্ত্রণালয় থাকবে না- তা কীভাবে হয়।এছাড়া, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কোন্‌ মন্ত্রণালয়ের- তা-ও জনগণের কাছে পরিস্কার নয়। অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ, দ্রব্যমূল্যের পাগলাঘোড়ার লাগাম টেনে ধরতে ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়’ নামে একটি নতুন মন্ত্রক দেশবাসীকে ঈদউপহার দিন।

x