মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে আনন্দময় শিক্ষা

এসএসবিএইচ

এম. সারওয়ার

শনিবার , ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ at ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
238

সুসজ্জিত পরিচ্ছন্ন আঙিনা, প্রশস্ত খেলার মাঠ, চারিদিক গাছগাছালির শ্যামল ছায়া, সুপরিসর ক্লাসরুমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া এমন আদর্শ বিদ্যালয় মহানগর এলাকায় অনেকটা কল্পনার মতই! অভিভাবক এবং কোমলমতি শিশুদের প্রাণের দাবি এটি। নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় (হলিহেলথ হাসপাতালের বিপরীতে) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্কুল অব সায়েন্স, বিজনেস এন্ড হিউমেনিটিজ (SSBH)। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ইংরেজী ভার্সানে (ন্যাশনাল কারিকুলাম) পরিচালিত স্কুলটি পিইসিই, জেএসসি এবং এসএসসিতে শতভাগ পাশসহ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে সচেতন অভিভাবকদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
স্কুল অব সায়েন্স বিজনেস এন্ড হিউমেনিটিজ প্রতিষ্ঠা করেছেন এক্সিকিউটিভ’স কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা মেহরাব মাসুক। সার্বিক পরিচালনায় রয়েছেন, দীর্ঘ ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ ফাহিমা জিসান। তিনি বলেন, ছোট্টমণিরা শিখবে প্রকৃতি থেকে এবং তা তাদের সহজাত খেলাধূলোর আনন্দে। তাই স্কুল ক্যাম্পাস ঘিরে প্রশস্ত খেলার মাঠ, সবুজ গাছগাছালির সমারোহের মাঝে আনন্দময় ও সৃজনশীল পরিবেশে হাতেখড়ির সকল আয়োজন রয়েছে এখানে। শিশুবান্ধব সব উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের প্রতিটি ক্লাসরুম। ছোট্ট মণিরা মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে ডিজিটাল স্ক্রিনে দারুণ সব ছড়া, গান, ছবি ও ডকুমেন্টারির মাধ্যমে শিখে নিচ্ছে চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠা বর্ণমালা ও সংখ্যার নানা পাঠ। ফলে মুখস্থবিদ্যার প্রচলিত গন্ডি হতে মুক্তি পেয়ে আত্নবিশ্বাসী হয়ে উঠছে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী যা পরিণত বয়সে তাকে নিয়ে যাবে সাফল্যের শিখরে।
প্রতিষ্ঠাতা মেহরাব মাসুক জানান, এখানে রয়েছেন প্রথম লেভেলে দক্ষ ও মেধাবী তরুণ শিক্ষক এবং দ্বিতীয় লেভেলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রবীণ শিক্ষক। মেধাবী তারুণ্যের স্ফুরণে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে জ্ঞানের গতিপথ। আর প্রবীণ শিক্ষকের দিকনির্দেশনায় আরোহণ করবে সাফল্যের চূড়ায়। উচ্চবিদ্যালয় শাখায় পঠিতব্য বিষয়ের উপর প্রস্তুতকৃত পাঠপরিকল্পনা ও পাঠ উপকরণের সমন্বয়ে পাঠদান করেন শিক্ষক।
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে প্রচণ্ড গুরুত্ব দেয় ঝঝইঐ । সংস্কৃতি বিষয়ক শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে আবৃত্তি, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, গান, নাটক ইত্যাদি বিবিধ শিল্পকলার চর্চা করছে ছাত্র-ছাত্রীরা।
প্লে গ্রাউন্ডে চলে নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা। মহান একুশে, স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সাড়ম্বরে উদ্‌যাপনসহ দেশীয় সংস্কৃতির সুস্থ ধারার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় নুতন প্রজন্মকে।

x