মানুষকে আলোর পথ দেখায় সংস্কৃতি

বংশী শিল্পকলা একাডেমির অনুষ্ঠানে অনুপম সেন

বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন, ২০১৯ at ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ
23

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন বলেছেন, সুর মানুষের মাঝে লুকিয়ে থাকা অসুরত্বকে বিনাশ করে মনুষ্যত্ববোধে জাগিয়ে তোলে। অন্ধকার ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষকে আলোর পথ দেখায় তার সংস্কৃতি। যে জাতি শিক্ষা-দীক্ষা আর সংস্কৃতিতে যতই সমৃদ্ধ সে জাতি ততই উন্নত। আমরা বাঙালিরা হাজার বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণ জাতি। কালে কালে বিভিন্ন মনীষীরা তাঁদের সৃজনশীল সৃষ্টির মাধ্যমে বাঙালির সংস্কৃতির ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। এসকল সৃজনশীল সৃষ্টিকে অনুশীলন করে আমরা নিজেদেরকে বিবেবান মানুষ হিসাবে সমাজে পরিচিতি দিতে পারি। জাতিগত দিক থেকে নিজেদেরকে সভ্য ও সুন্দর বলে দাবি করতে পারি। এসবের মূলে রয়েছে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা। অর্থাৎ সভ্য জাতি গঠনে সংস্কৃতি চর্চা অত্যাবশ্যক।
গতকাল বুধবার বংশী শিল্পকলা একাডেমি আয়োজনে শিক্ষর্থীদের বর্ষ সমাপনী পরীক্ষাত্তোর পুরস্কার, সনদপত্র, কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাপতিত্ব করেন পরিচালক দীপংকর দেবনাথ। থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা পর্ব অ্যাডভোকেট রাজেশ বিশ্বাস সঞ্চালন করেন। উদ্বোধক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজনীতিক মিটুল দাশগুপ্ত ও ডা. এস কে দেব সজল। বক্তব্য দেন, অধ্যাপক প্রকাশ কান্তি রুদ্র, তপু বড়ুয়া, লাকী শর্মা, বনফুল বড়ুয়া রাসেল, অজিত শীল, সন্তোষ ঘোষ, সাগর বড়ুয়া, রোমেন চৌধুরী, জয় ঘোষ, সত্যজিৎ চৌধুরী, তপতী মজুমদার, উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, মিন্টু নাথ, জয়শংকর নাথ, নয়ন দাশ, অনিক দে, মিতু বিশ্বাস, কান্তা দেবী, অংশুমান সেনগুপ্তা। আলোচনা পূর্ব শাস্ত্রীর সংগীতাসর ভূপালী, নৃত্য, তবলা লহড়া, গিটার ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করে একাডেমির শিক্ষার্থীরা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x